লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চরগাজী ইউনিয়নের বয়ারচর এলাকায় ব্রিজের সংযোগ সড়ক ভেঙে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। গত ১৬ দিন ধরে সড়কটিতে যান চলাচল বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন চার গ্রামের বাসিন্দারা।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা যায়।
চলতি বর্ষায় টানা বৃষ্টি ও মেঘনা নদীর অস্বাভাবিক জোয়ারের স্রোতে গত ৯ সেপ্টেম্বর ব্রিজটির দুই পাশের সংযোগ সড়ক ভেঙে যায়। এরপর থেকেই ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
বিশেষ করে মসজিদের মুসল্লি, মাদরাসা ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।
সড়কটি ভেঙে যাওয়ায় এসব যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে কৃষিপণ্য পরিবহন ও স্থানীয় মানুষের দৈনন্দিন যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা আক্কাস আলী ও দুলাল মিয়া বলেন, ১৬ দিন ধরে চরাঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই। স্থানীয় প্রশাসন ও এলজিইডি অফিসকে বিষয়টি জানানো হলেও এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
রামগতি উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী স্নেহাল রায় বলেন, “দ্রুত ব্যবস্থা নিতে ঘটনাস্থলে লোক পাঠানো হবে।
রামগতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দিন বলেন, জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে দ্রুত সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বলা হবে।

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার চরগাজী ইউনিয়নের বয়ারচর এলাকায় ব্রিজের সংযোগ সড়ক ভেঙে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। গত ১৬ দিন ধরে সড়কটিতে যান চলাচল বন্ধ থাকায় চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন চার গ্রামের বাসিন্দারা।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সরেজমিনে স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা যায়।
চলতি বর্ষায় টানা বৃষ্টি ও মেঘনা নদীর অস্বাভাবিক জোয়ারের স্রোতে গত ৯ সেপ্টেম্বর ব্রিজটির দুই পাশের সংযোগ সড়ক ভেঙে যায়। এরপর থেকেই ওই সড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।
বিশেষ করে মসজিদের মুসল্লি, মাদরাসা ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের যাতায়াতে দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে।
সড়কটি ভেঙে যাওয়ায় এসব যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে কৃষিপণ্য পরিবহন ও স্থানীয় মানুষের দৈনন্দিন যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দা আক্কাস আলী ও দুলাল মিয়া বলেন, ১৬ দিন ধরে চরাঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগের শেষ নেই। স্থানীয় প্রশাসন ও এলজিইডি অফিসকে বিষয়টি জানানো হলেও এখনো কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
রামগতি উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী স্নেহাল রায় বলেন, “দ্রুত ব্যবস্থা নিতে ঘটনাস্থলে লোক পাঠানো হবে।
রামগতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শেখ এহসান উদ্দিন বলেন, জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে দ্রুত সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে বলা হবে।
