হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বাঘাসুরা ইউনিয়নের মানিকপুর গ্যাসফিল্ড সংলগ্ন এলাকায় রাতের আঁধারে একটি রান্নাঘরে চুরির ঘটনা ঘটেছে।
এ ঘটনায় রান্নাঘরে থাকা বিভিন্ন প্রয়োজনীয় রান্নার সরঞ্জাম নিয়ে গেছে চোরেরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (৯সেপ্টেম্বর) মানিকপুর গ্যাসফিল্ড সংলগ্ন এলাকায় মো. আব্দুর রাজ্জাক পলাশ মিয়ার বসতঘরের পশ্চিম পাশে একটি রান্নাঘর রয়েছে। প্রতিদিনের মতো পরিবারের সদস্যরা রাতে রান্নাবান্নার কাজ শেষ করে ঘুমিয়ে পড়েন। এরই মধ্যে রাতের কোনো এক সময় অজ্ঞাত চোরেরা রান্নাঘরে প্রবেশ করে।
পরে রান্নাঘরে থাকা বিভিন্ন প্রয়োজনীয় রান্নার সরঞ্জাম নিয়ে চোরেরা সেখান থেকে চলে যায় বলে জানা গেছে।
পরিবারের সদস্যরা সকালে ঘুম থেকে উঠে রান্নাঘরে গেলে বিষয়টি তাদের নজরে আসে। তারা দেখতে পান, রান্নাঘরে রাখা প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সরঞ্জাম নেই।
পরে বিষয়টি আশপাশের লোকজনকে জানালে স্থানীয়দের মধ্যে চুরির ঘটনাটি নিয়ে আলোচনা ও উদ্বেগ দেখা দেয়।
স্থানীয়রা জানান, রাতের আঁধারে বসতবাড়ির রান্নাঘর থেকে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র চুরির ঘটনায় এলাকায় নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে রাতে বাড়িঘর ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন তারা।
এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে চুরির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের চুরি প্রতিরোধে এলাকায় নজরদারি বাড়ানোরও দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখবে এবং এলাকায় চুরি প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
এদিকে, রাতের আঁধারে রান্নাঘরে চুরির ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বাঘাসুরা ইউনিয়নের মানিকপুর গ্যাসফিল্ড সংলগ্ন এলাকায় রাতের আঁধারে একটি রান্নাঘরে চুরির ঘটনা ঘটেছে।
এ ঘটনায় রান্নাঘরে থাকা বিভিন্ন প্রয়োজনীয় রান্নার সরঞ্জাম নিয়ে গেছে চোরেরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বুধবার (৯সেপ্টেম্বর) মানিকপুর গ্যাসফিল্ড সংলগ্ন এলাকায় মো. আব্দুর রাজ্জাক পলাশ মিয়ার বসতঘরের পশ্চিম পাশে একটি রান্নাঘর রয়েছে। প্রতিদিনের মতো পরিবারের সদস্যরা রাতে রান্নাবান্নার কাজ শেষ করে ঘুমিয়ে পড়েন। এরই মধ্যে রাতের কোনো এক সময় অজ্ঞাত চোরেরা রান্নাঘরে প্রবেশ করে।
পরে রান্নাঘরে থাকা বিভিন্ন প্রয়োজনীয় রান্নার সরঞ্জাম নিয়ে চোরেরা সেখান থেকে চলে যায় বলে জানা গেছে।
পরিবারের সদস্যরা সকালে ঘুম থেকে উঠে রান্নাঘরে গেলে বিষয়টি তাদের নজরে আসে। তারা দেখতে পান, রান্নাঘরে রাখা প্রয়োজনীয় বিভিন্ন সরঞ্জাম নেই।
পরে বিষয়টি আশপাশের লোকজনকে জানালে স্থানীয়দের মধ্যে চুরির ঘটনাটি নিয়ে আলোচনা ও উদ্বেগ দেখা দেয়।
স্থানীয়রা জানান, রাতের আঁধারে বসতবাড়ির রান্নাঘর থেকে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র চুরির ঘটনায় এলাকায় নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে রাতে বাড়িঘর ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা আরও জোরদার করার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করছেন তারা।
এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে চুরির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের চুরি প্রতিরোধে এলাকায় নজরদারি বাড়ানোরও দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
স্থানীয়দের প্রত্যাশা, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখবে এবং এলাকায় চুরি প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
এদিকে, রাতের আঁধারে রান্নাঘরে চুরির ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের পাশাপাশি সাধারণ মানুষের মধ্যেও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।
