হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার আদাঐর ইউনিয়নে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার কাছাকাছি একটি ইটভাটা স্থাপনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, আদাঐর লোকনাথ উচ্চ বিদ্যালয় ও আদাঐর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে মাত্র প্রায় ২০০ মিটার দূরে অবস্থিত ইটভাটাটি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাটার ধোঁয়া ও ধুলাবালির কারণে শিক্ষার্থীসহ আশপাশের বাসিন্দারা ভোগান্তিতে পড়ছেন। অনেকের মধ্যে সর্দি-কাশি ও শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দিচ্ছে বলেও অভিযোগ তাদের।
অভিযোগ রয়েছে, ইটভাটাটি আবাসিক এলাকা থেকে প্রায় ৫০ গজ এবং পৌর শহর থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে অবস্থিত। পাশাপাশি তিন ফসলি কৃষিজমির ওপর ভাটা স্থাপন করা হয়েছে বলেও দাবি স্থানীয়দের।
ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩-এর ধারা ৮ অনুযায়ী, নির্ধারিত নিষিদ্ধ এলাকায় ইটভাটা স্থাপন করা যায় না। একই ধারার বিধান অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও ক্লিনিকসহ বিশেষ স্থাপনা থেকে ইটভাটার নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, ইটভাটায় প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ মাটি প্রয়োজন হয়। এর একটি অংশ কৃষিজমি ও নদীর পাড় থেকে সংগ্রহ করা হচ্ছে। এমনকি রাতের আঁধারে নদীর পাড় কেটে মাটি নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। এতে নদীর পাড় দুর্বল হয়ে বর্ষায় কৃষিজমি প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।
এদিকে ভাটার ধোঁয়ায় গাছপালা, ফলমূল ও ফসলের ক্ষতি হচ্ছে বলেও অভিযোগ স্থানীয়দের। বিপুল পরিমাণ কৃষিজমি থেকে মাটি সরানো অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে খাদ্য উৎপাদন ও স্থানীয় খাদ্য নিরাপত্তায় প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা তাদের।
তাই ইটভাটাটির বৈধতা, পরিবেশগত ছাড়পত্র, লাইসেন্স, অবস্থান ও মাটি সংগ্রহের উৎস সরেজমিনে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার আদাঐর ইউনিয়নে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার কাছাকাছি একটি ইটভাটা স্থাপনের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, আদাঐর লোকনাথ উচ্চ বিদ্যালয় ও আদাঐর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে মাত্র প্রায় ২০০ মিটার দূরে অবস্থিত ইটভাটাটি।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাটার ধোঁয়া ও ধুলাবালির কারণে শিক্ষার্থীসহ আশপাশের বাসিন্দারা ভোগান্তিতে পড়ছেন। অনেকের মধ্যে সর্দি-কাশি ও শ্বাসকষ্টসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্যঝুঁকি দেখা দিচ্ছে বলেও অভিযোগ তাদের।
অভিযোগ রয়েছে, ইটভাটাটি আবাসিক এলাকা থেকে প্রায় ৫০ গজ এবং পৌর শহর থেকে প্রায় ৫০০ মিটার দূরে অবস্থিত। পাশাপাশি তিন ফসলি কৃষিজমির ওপর ভাটা স্থাপন করা হয়েছে বলেও দাবি স্থানীয়দের।
ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন (নিয়ন্ত্রণ) আইন, ২০১৩-এর ধারা ৮ অনুযায়ী, নির্ধারিত নিষিদ্ধ এলাকায় ইটভাটা স্থাপন করা যায় না। একই ধারার বিধান অনুযায়ী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও ক্লিনিকসহ বিশেষ স্থাপনা থেকে ইটভাটার নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখার বাধ্যবাধকতা রয়েছে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, ইটভাটায় প্রতিবছর বিপুল পরিমাণ মাটি প্রয়োজন হয়। এর একটি অংশ কৃষিজমি ও নদীর পাড় থেকে সংগ্রহ করা হচ্ছে। এমনকি রাতের আঁধারে নদীর পাড় কেটে মাটি নেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। এতে নদীর পাড় দুর্বল হয়ে বর্ষায় কৃষিজমি প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।
এদিকে ভাটার ধোঁয়ায় গাছপালা, ফলমূল ও ফসলের ক্ষতি হচ্ছে বলেও অভিযোগ স্থানীয়দের। বিপুল পরিমাণ কৃষিজমি থেকে মাটি সরানো অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে খাদ্য উৎপাদন ও স্থানীয় খাদ্য নিরাপত্তায় প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা তাদের।
তাই ইটভাটাটির বৈধতা, পরিবেশগত ছাড়পত্র, লাইসেন্স, অবস্থান ও মাটি সংগ্রহের উৎস সরেজমিনে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
