এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে ১৮ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতার শর্ত নিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায় স্থগিত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক এ আদেশ দেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, চেম্বার আদালতের এ আদেশের ফলে সংশ্লিষ্ট বিধানের আওতায় অবশিষ্ট পদগুলোতে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সরকারের আর কোনো আইনি বাধা নেই।
এর আগে গত ২৫ মার্চ সংশোধনীর মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে ১৮ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতার শর্ত যুক্ত করা হয়। তবে ২০২১ সালের জনবল কাঠামো অনুযায়ী এ পদে নিয়োগের জন্য ১৫ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতার পাশাপাশি সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে তিন বছরের অভিজ্ঞতা থাকা বাধ্যতামূলক ছিল।
নতুন ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার শর্তকে চ্যালেঞ্জ করে ৪৬ জন শিক্ষক হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। পরে হাইকোর্ট ২৫ মার্চের সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করেন।
হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) আপিল বিভাগে আবেদন করে।
অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘চেম্বার আদালত এখন হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করায় ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার শর্তে নিয়োগ প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। ১৩ হাজার ৫৫৯টি পদের জন্য লিখিত পরীক্ষা ইতোমধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘১৮ বছরের অভিজ্ঞতার শর্তে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।’
তবে ৪৬ জন রিট আবেদনকারীর জন্য ৪৬টি পদ সংরক্ষণ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন চেম্বার আদালত। ফলে এসব পদ বাদে অবশিষ্ট পদগুলোর নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সরকারের কোনো আইনি বাধা নেই।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ অক্টোবর ২০২৬
এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে ১৮ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতার শর্ত নিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায় স্থগিত করেছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চেম্বার আদালত।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হক এ আদেশ দেন।
অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, চেম্বার আদালতের এ আদেশের ফলে সংশ্লিষ্ট বিধানের আওতায় অবশিষ্ট পদগুলোতে নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সরকারের আর কোনো আইনি বাধা নেই।
এর আগে গত ২৫ মার্চ সংশোধনীর মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ পদে নিয়োগের ক্ষেত্রে ১৮ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতার শর্ত যুক্ত করা হয়। তবে ২০২১ সালের জনবল কাঠামো অনুযায়ী এ পদে নিয়োগের জন্য ১৫ বছরের শিক্ষকতার অভিজ্ঞতার পাশাপাশি সহকারী প্রধান শিক্ষক হিসেবে তিন বছরের অভিজ্ঞতা থাকা বাধ্যতামূলক ছিল।
নতুন ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার শর্তকে চ্যালেঞ্জ করে ৪৬ জন শিক্ষক হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন। পরে হাইকোর্ট ২৫ মার্চের সংশোধনীকে অবৈধ ঘোষণা করেন।
হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) আপিল বিভাগে আবেদন করে।
অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘চেম্বার আদালত এখন হাইকোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করায় ১৮ বছরের অভিজ্ঞতার শর্তে নিয়োগ প্রক্রিয়া চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। ১৩ হাজার ৫৫৯টি পদের জন্য লিখিত পরীক্ষা ইতোমধ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘১৮ বছরের অভিজ্ঞতার শর্তে লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ প্রার্থীরা আগামী ১৫ অক্টোবর থেকে শুরু হতে যাওয়া মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন।’
তবে ৪৬ জন রিট আবেদনকারীর জন্য ৪৬টি পদ সংরক্ষণ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন চেম্বার আদালত। ফলে এসব পদ বাদে অবশিষ্ট পদগুলোর নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সরকারের কোনো আইনি বাধা নেই।
