দুবাইয়ের বিমানবন্দরে ভ্রমণের প্রচলিত ঝক্কি কমাতে আসছে বড় পরিবর্তন। ভবিষ্যতের স্মার্ট বিমানবন্দরে যাত্রীদের পাসপোর্ট বের করে বারবার পরিচয় যাচাই করাতে হবে না। এমনকি নিরাপত্তা তল্লাশির সময় ব্যাগ থেকে ল্যাপটপ বা তরল পদার্থ বের করার প্রয়োজনও কমে আসবে।
দুবাই এয়ারপোর্টসের প্রধান নির্বাহী পল গ্রিফিথস স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, দুবাই ওয়ার্ল্ড সেন্টারে নির্মাণাধীন আল মাকতুম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে এমনভাবে গড়ে তোলা হচ্ছে, যাতে যাত্রীরা প্রচলিত বিমানবন্দর ব্যবস্থার ঝামেলা প্রায় ভুলেই যান।
জেনারেল ডিরেক্টরেট অব রেসিডেন্সি অ্যান্ড ফরেনার্স অ্যাফেয়ার্সের (জিডিআরএফএ) সঙ্গে যৌথভাবে বিমানবন্দরে ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তি চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে যাত্রীকে মুখ শনাক্ত করে বিভিন্ন ধাপ পার করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
বিমানবন্দরের বিভিন্ন স্থানে থাকা ক্যামেরা যাত্রীর চলাচলের সময়ই পরিচয় শনাক্ত করতে পারবে। অনুমোদন মিললে যাত্রী সরাসরি এগিয়ে যেতে পারবেন। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত যাচাইয়ের জন্য তাকে থামানো হবে।
গ্রিফিথসের মতে, ভবিষ্যতে প্রচলিত চেক-ইন কাউন্টারও ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হতে পারে। টিকিট কেনার সময়ই প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে রাখার ফলে বিমানবন্দরে পৌঁছে যাত্রীকে মূলত লাগেজ জমা দিয়ে গেটের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।
নতুন প্রযুক্তির ফলে নিরাপত্তা তল্লাশির সময় ব্যাগ থেকে ল্যাপটপ কিংবা তরল পদার্থ বের করার প্রচলিত নিয়মও পরিবর্তনের পথে। বিমানবন্দরের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ধাপে ধাপে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে।
এ ছাড়া কাগজের লাগেজ ট্যাগের পরিবর্তে প্রতিটি ব্যাগের জন্য স্থায়ী ডিজিটাল পরিচিতি ব্যবহারের পরিকল্পনাও রয়েছে। এতে লাগেজ ব্যবস্থাপনা আরও দ্রুত ও স্বয়ংক্রিয় করার সুযোগ তৈরি হবে।
দুবাই এয়ারপোর্টস রোডস অ্যান্ড ট্রান্সপোর্ট অথরিটিসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে এমন একটি ব্যবস্থার বিষয়েও আলোচনা করছে, যার মাধ্যমে রেলস্টেশন থেকেই যাত্রীরা বিমানবন্দরের কিছু প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন। এর মধ্যে লাগেজ জমা দেওয়ার ব্যবস্থাও থাকতে পারে।
ফলে ভবিষ্যতে যাত্রীদের রেলস্টেশন থেকে সরাসরি বিমানবন্দরের লাউঞ্জ বা গেটে পৌঁছে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
বর্তমান দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (ডিএক্সবি) থেকে সব কার্যক্রম ধাপে ধাপে আল মাকতুম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রকল্পটির প্রথম ধাপ ২০৩২ সালে চালুর কথা রয়েছে। পূর্ণাঙ্গভাবে নির্মাণ শেষ হলে আল মাকতুম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বছরে প্রায় ২৬ কোটি (২৬০ মিলিয়ন) যাত্রী ধারণ করতে পারবে বলে জানানো হয়েছে। এ সক্ষমতা বাস্তবায়িত হলে এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিমানবন্দরগুলোর একটি হবে।

মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দুবাইয়ের বিমানবন্দরে ভ্রমণের প্রচলিত ঝক্কি কমাতে আসছে বড় পরিবর্তন। ভবিষ্যতের স্মার্ট বিমানবন্দরে যাত্রীদের পাসপোর্ট বের করে বারবার পরিচয় যাচাই করাতে হবে না। এমনকি নিরাপত্তা তল্লাশির সময় ব্যাগ থেকে ল্যাপটপ বা তরল পদার্থ বের করার প্রয়োজনও কমে আসবে।
দুবাই এয়ারপোর্টসের প্রধান নির্বাহী পল গ্রিফিথস স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের এক ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানিয়েছেন।
তিনি জানান, দুবাই ওয়ার্ল্ড সেন্টারে নির্মাণাধীন আল মাকতুম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরকে এমনভাবে গড়ে তোলা হচ্ছে, যাতে যাত্রীরা প্রচলিত বিমানবন্দর ব্যবস্থার ঝামেলা প্রায় ভুলেই যান।
জেনারেল ডিরেক্টরেট অব রেসিডেন্সি অ্যান্ড ফরেনার্স অ্যাফেয়ার্সের (জিডিআরএফএ) সঙ্গে যৌথভাবে বিমানবন্দরে ফেসিয়াল রিকগনিশন প্রযুক্তি চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে যাত্রীকে মুখ শনাক্ত করে বিভিন্ন ধাপ পার করার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।
বিমানবন্দরের বিভিন্ন স্থানে থাকা ক্যামেরা যাত্রীর চলাচলের সময়ই পরিচয় শনাক্ত করতে পারবে। অনুমোদন মিললে যাত্রী সরাসরি এগিয়ে যেতে পারবেন। প্রয়োজন হলে অতিরিক্ত যাচাইয়ের জন্য তাকে থামানো হবে।
গ্রিফিথসের মতে, ভবিষ্যতে প্রচলিত চেক-ইন কাউন্টারও ধীরে ধীরে বিলুপ্ত হতে পারে। টিকিট কেনার সময়ই প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে রাখার ফলে বিমানবন্দরে পৌঁছে যাত্রীকে মূলত লাগেজ জমা দিয়ে গেটের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে।
নতুন প্রযুক্তির ফলে নিরাপত্তা তল্লাশির সময় ব্যাগ থেকে ল্যাপটপ কিংবা তরল পদার্থ বের করার প্রচলিত নিয়মও পরিবর্তনের পথে। বিমানবন্দরের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি ধাপে ধাপে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে।
এ ছাড়া কাগজের লাগেজ ট্যাগের পরিবর্তে প্রতিটি ব্যাগের জন্য স্থায়ী ডিজিটাল পরিচিতি ব্যবহারের পরিকল্পনাও রয়েছে। এতে লাগেজ ব্যবস্থাপনা আরও দ্রুত ও স্বয়ংক্রিয় করার সুযোগ তৈরি হবে।
দুবাই এয়ারপোর্টস রোডস অ্যান্ড ট্রান্সপোর্ট অথরিটিসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে এমন একটি ব্যবস্থার বিষয়েও আলোচনা করছে, যার মাধ্যমে রেলস্টেশন থেকেই যাত্রীরা বিমানবন্দরের কিছু প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পারবেন। এর মধ্যে লাগেজ জমা দেওয়ার ব্যবস্থাও থাকতে পারে।
ফলে ভবিষ্যতে যাত্রীদের রেলস্টেশন থেকে সরাসরি বিমানবন্দরের লাউঞ্জ বা গেটে পৌঁছে যাওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারে।
বর্তমান দুবাই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (ডিএক্সবি) থেকে সব কার্যক্রম ধাপে ধাপে আল মাকতুম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্থানান্তরের পরিকল্পনা রয়েছে।
প্রকল্পটির প্রথম ধাপ ২০৩২ সালে চালুর কথা রয়েছে। পূর্ণাঙ্গভাবে নির্মাণ শেষ হলে আল মাকতুম আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর বছরে প্রায় ২৬ কোটি (২৬০ মিলিয়ন) যাত্রী ধারণ করতে পারবে বলে জানানো হয়েছে। এ সক্ষমতা বাস্তবায়িত হলে এটি বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিমানবন্দরগুলোর একটি হবে।
