ইউক্রেন সংকটের পেছনে পশ্চিমা বিশ্বের ‘সম্প্রসারণবাদী নীতি’কে দায়ী করেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ। তাঁর দাবি, বহুমেরু বিশ্বব্যবস্থা শক্তিশালী করার প্রক্রিয়া পশ্চিমা অভিজাতদের বাধার মুখে পড়ছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাশিয়ার ইয়েকাতেরিনবার্গে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল ফেস্টিভ্যাল অব ইয়ুথ-২০২৬-এ অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে এসব মন্তব্য করেন তিনি। উৎসবটি ১১ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী এতে ১৯১ দেশের ১০ হাজার অংশগ্রহণকারী রয়েছেন।
তিনি আরও দাবি করেন, বহুমেরু বিশ্বব্যবস্থার বিকাশকে পশ্চিমা অভিজাতরা নিজেদের আধিপত্যের জন্য হুমকি হিসেবে দেখছে। তাঁর অভিযোগ, এই আধিপত্য ধরে রাখতে একতরফা নিষেধাজ্ঞা, রাজনৈতিক চাপ, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ এবং সংঘাত উসকে দেওয়ার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
ল্যাভরভের এসব বক্তব্য রাশিয়ার পক্ষের অবস্থান ও অভিযোগ হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে; ইউক্রেন যুদ্ধের কারণ ও দায় নিয়ে রাশিয়া ও পশ্চিমা দেশগুলোর অবস্থান পরস্পরবিরোধী।
উৎসবে বিজ্ঞান, শিক্ষা, গণমাধ্যম, উদ্যোক্তা কার্যক্রম, সংস্কৃতি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা ও কার্যক্রম রয়েছে।

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ইউক্রেন সংকটের পেছনে পশ্চিমা বিশ্বের ‘সম্প্রসারণবাদী নীতি’কে দায়ী করেছেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ল্যাভরভ। তাঁর দাবি, বহুমেরু বিশ্বব্যবস্থা শক্তিশালী করার প্রক্রিয়া পশ্চিমা অভিজাতদের বাধার মুখে পড়ছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাশিয়ার ইয়েকাতেরিনবার্গে অনুষ্ঠিত ইন্টারন্যাশনাল ফেস্টিভ্যাল অব ইয়ুথ-২০২৬-এ অংশগ্রহণকারীদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে এসব মন্তব্য করেন তিনি। উৎসবটি ১১ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবং আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী এতে ১৯১ দেশের ১০ হাজার অংশগ্রহণকারী রয়েছেন।
তিনি আরও দাবি করেন, বহুমেরু বিশ্বব্যবস্থার বিকাশকে পশ্চিমা অভিজাতরা নিজেদের আধিপত্যের জন্য হুমকি হিসেবে দেখছে। তাঁর অভিযোগ, এই আধিপত্য ধরে রাখতে একতরফা নিষেধাজ্ঞা, রাজনৈতিক চাপ, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ এবং সংঘাত উসকে দেওয়ার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
ল্যাভরভের এসব বক্তব্য রাশিয়ার পক্ষের অবস্থান ও অভিযোগ হিসেবে উপস্থাপিত হয়েছে; ইউক্রেন যুদ্ধের কারণ ও দায় নিয়ে রাশিয়া ও পশ্চিমা দেশগুলোর অবস্থান পরস্পরবিরোধী।
উৎসবে বিজ্ঞান, শিক্ষা, গণমাধ্যম, উদ্যোক্তা কার্যক্রম, সংস্কৃতি ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা ও কার্যক্রম রয়েছে।
