পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের পটেশ্বরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছুটির দিনেও বৈদ্যুতিক বাতি জ্বলে থাকতে দেখা গেছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবার ও শনিবার স্কুল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকলেও শ্রেনীকক্ষ ও বারান্দার বাতিগুলো দিন-রাত একটানা জ্বলছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের ওপর জোর দেওয়া হলেও এই বিদ্যালয়ের এমন চিত্র নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার স্কুল ছুটি হওয়ার পর শিক্ষক বা সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের অসাবধানতাবশত হয়তো লাইটগুলোর সুইচ বন্ধ করা হয়নি। ফলে পুরো শুক্রবার ও শনিবার জুড়ে লাইটগুলো জ্বলতে থাকে। দিনদুপুরে এভাবে বিদ্যুৎ অপচয় হতে দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পথচারী ও এলাকাবাসী।
এলাকাবাসীর মতে, সরকারি প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ ব্যবহারে আরও দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন। সামান্য দায়িত্বহীনতার কারণে প্রতি মাসেই এভাবে বিপুল পরিমাণ জাতীয় সম্পদ ও সরকারি অর্থের অপচয় হচ্ছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় এক অভিভাবক জানান, "স্কুল বন্ধ কিন্তু লাইট জ্বলছে। শিক্ষকদের দায়িত্ববোধ থাকা উচিত ছিল। ছুটির আগে সবকিছু ঠিকঠাক বন্ধ করা হয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করা তাদেরই দায়িত্ব।"
বিদ্যুৎ অপচয় রোধে স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ ও নজরদারি আশা করছেন।

সোমবার, ২৬ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ অক্টোবর ২০২৬
পঞ্চগড়ের আটোয়ারী উপজেলার রাধানগর ইউনিয়নের পটেশ্বরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ছুটির দিনেও বৈদ্যুতিক বাতি জ্বলে থাকতে দেখা গেছে। সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবার ও শনিবার স্কুল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকলেও শ্রেনীকক্ষ ও বারান্দার বাতিগুলো দিন-রাত একটানা জ্বলছে। সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের ওপর জোর দেওয়া হলেও এই বিদ্যালয়ের এমন চিত্র নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার স্কুল ছুটি হওয়ার পর শিক্ষক বা সংশ্লিষ্ট কর্মচারীদের অসাবধানতাবশত হয়তো লাইটগুলোর সুইচ বন্ধ করা হয়নি। ফলে পুরো শুক্রবার ও শনিবার জুড়ে লাইটগুলো জ্বলতে থাকে। দিনদুপুরে এভাবে বিদ্যুৎ অপচয় হতে দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পথচারী ও এলাকাবাসী।
এলাকাবাসীর মতে, সরকারি প্রতিষ্ঠানে বিদ্যুৎ ব্যবহারে আরও দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন। সামান্য দায়িত্বহীনতার কারণে প্রতি মাসেই এভাবে বিপুল পরিমাণ জাতীয় সম্পদ ও সরকারি অর্থের অপচয় হচ্ছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় এক অভিভাবক জানান, "স্কুল বন্ধ কিন্তু লাইট জ্বলছে। শিক্ষকদের দায়িত্ববোধ থাকা উচিত ছিল। ছুটির আগে সবকিছু ঠিকঠাক বন্ধ করা হয়েছে কিনা তা পরীক্ষা করা তাদেরই দায়িত্ব।"
বিদ্যুৎ অপচয় রোধে স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ ও নজরদারি আশা করছেন।
