ঝালকাঠি শহরে গভীর রাতে জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট ফার্মেসি ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার খোলা রাখার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের সামনে ‘ভুক্তভোগী সচেতন নাগরিক সমাজ’-এর উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, রাতে হঠাৎ কোনো রোগী অসুস্থ হয়ে পড়লে জরুরি ওষুধ সংগ্রহ ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এ দুর্ভোগ কমাতে শহরের নির্দিষ্ট কিছু ফার্মেসি ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার গভীর রাত পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি জানান তারা।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠি জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য আল আমিন বিরন, ৬ নম্বর বাসন্ডা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. নাইম খানসহ ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
এ বিষয়ে বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. কে এম জহিরুল ইসলাম বাদল বলেন, সব হাসপাতালে সব ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থা নেই। জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা পেলে রাতেও প্রতিষ্ঠান খোলা রাখতে তারা প্রস্তুত। জনগণের সেবাই তাদের মূল লক্ষ্য বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ কেমিস্টস্ অ্যান্ড ড্রাগিস্টস্ সমিতি ঝালকাঠি জেলা শাখার সভাপতি সৈয়দ সালাউদ্দিন ফেরদৌস জানান, গত ১ অক্টোবর থেকে শহরের দুটি ফার্মেসি সারারাত খোলা রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিষয়টি জানাতে বিভিন্ন স্থানে লিফলেট লাগানো হয়েছে এবং শিগগিরই মাইকিং করা হবে।
তিনি জানান, বর্তমানে পূর্ব চাঁদকাঠি এলাকার আয়েশা ফার্মেসি এবং সাধনার মোড়ের মাইসা মেডিকেল হল রাতে খোলা থাকছে।
স্থানীয়দের দাবি, জরুরি রোগীদের চিকিৎসাসেবা সহজ করতে রাতের বেলায় ওষুধ ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা হলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে।

বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ অক্টোবর ২০২৬
ঝালকাঠি শহরে গভীর রাতে জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে নির্দিষ্ট ফার্মেসি ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার খোলা রাখার দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (৭ অক্টোবর) সকাল ১১টায় ঝালকাঠি সদর হাসপাতালের সামনে ‘ভুক্তভোগী সচেতন নাগরিক সমাজ’-এর উদ্যোগে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, রাতে হঠাৎ কোনো রোগী অসুস্থ হয়ে পড়লে জরুরি ওষুধ সংগ্রহ ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা করাতে ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এ দুর্ভোগ কমাতে শহরের নির্দিষ্ট কিছু ফার্মেসি ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার গভীর রাত পর্যন্ত খোলা রাখার দাবি জানান তারা।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ঝালকাঠি জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য আল আমিন বিরন, ৬ নম্বর বাসন্ডা ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব মো. নাইম খানসহ ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
এ বিষয়ে বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতাল ডায়াগনস্টিক সেন্টার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. কে এম জহিরুল ইসলাম বাদল বলেন, সব হাসপাতালে সব ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থা নেই। জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা পেলে রাতেও প্রতিষ্ঠান খোলা রাখতে তারা প্রস্তুত। জনগণের সেবাই তাদের মূল লক্ষ্য বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে, বাংলাদেশ কেমিস্টস্ অ্যান্ড ড্রাগিস্টস্ সমিতি ঝালকাঠি জেলা শাখার সভাপতি সৈয়দ সালাউদ্দিন ফেরদৌস জানান, গত ১ অক্টোবর থেকে শহরের দুটি ফার্মেসি সারারাত খোলা রাখার ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিষয়টি জানাতে বিভিন্ন স্থানে লিফলেট লাগানো হয়েছে এবং শিগগিরই মাইকিং করা হবে।
তিনি জানান, বর্তমানে পূর্ব চাঁদকাঠি এলাকার আয়েশা ফার্মেসি এবং সাধনার মোড়ের মাইসা মেডিকেল হল রাতে খোলা থাকছে।
স্থানীয়দের দাবি, জরুরি রোগীদের চিকিৎসাসেবা সহজ করতে রাতের বেলায় ওষুধ ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করা হলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ অনেকটাই কমবে।
