শনিবার (২৪ অক্টোবর) ৫৫ বিজিবির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে চুনারুঘাট উপজেলার আমু চা-বাগানের ১২ নম্বর সেকশনে চিমটিবিল বিওপির টহলদল অভিযান চালায়। এ সময় উজ্জল বাড়াই (৩০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তাঁর কাছ থেকে ৩৯ কেজি ভারতীয় গাঁজা ও এক বোতল ভারতীয় বিয়ার জব্দ করা হয়। উজ্জল আমু চা-বাগানের পুরান লাইনের বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম মৃত বালক বাড়াই।
এদিকে, একই দিন দুপুর ১২টার দিকে সাতছড়ি বিওপির টহলদল উপজেলার সুন্দরটিলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় পাঁচ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করে। পরে সন্ধ্যা ৬টার দিকে একই বিওপির টহলদল গাঢ়োটিলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও চার কেজি গাঁজা উদ্ধার করে।
বিজিবি জানায়, আটক ব্যক্তি ও জব্দ করা মাদকদ্রব্যের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এজাহার দায়ের করে চুনারুঘাট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
৫৫ বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, সীমান্ত দিয়ে মাদকদ্রব্যের অবৈধ প্রবেশ ও চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে সীমান্ত এলাকায় টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। মাদক পাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানায় বিজিবি।

রোববার, ২৫ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ অক্টোবর ২০২৬
শনিবার (২৪ অক্টোবর) ৫৫ বিজিবির এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
বিজিবি সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) রাত আনুমানিক ১১টার দিকে চুনারুঘাট উপজেলার আমু চা-বাগানের ১২ নম্বর সেকশনে চিমটিবিল বিওপির টহলদল অভিযান চালায়। এ সময় উজ্জল বাড়াই (৩০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়। তাঁর কাছ থেকে ৩৯ কেজি ভারতীয় গাঁজা ও এক বোতল ভারতীয় বিয়ার জব্দ করা হয়। উজ্জল আমু চা-বাগানের পুরান লাইনের বাসিন্দা। তাঁর বাবার নাম মৃত বালক বাড়াই।
এদিকে, একই দিন দুপুর ১২টার দিকে সাতছড়ি বিওপির টহলদল উপজেলার সুন্দরটিলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মালিকবিহীন অবস্থায় পাঁচ কেজি ভারতীয় গাঁজা উদ্ধার করে। পরে সন্ধ্যা ৬টার দিকে একই বিওপির টহলদল গাঢ়োটিলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও চার কেজি গাঁজা উদ্ধার করে।
বিজিবি জানায়, আটক ব্যক্তি ও জব্দ করা মাদকদ্রব্যের বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য এজাহার দায়ের করে চুনারুঘাট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
৫৫ বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়, সীমান্ত দিয়ে মাদকদ্রব্যের অবৈধ প্রবেশ ও চোরাচালান প্রতিরোধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। এ লক্ষ্যে সীমান্ত এলাকায় টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। মাদক পাচার ও চোরাচালান প্রতিরোধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানায় বিজিবি।
