হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার কালেঙ্গা রেঞ্জের প্রাকৃতিক বনাঞ্চল ও কালেঙ্গা বন বিটে উৎপাদিত ১১৪ প্রজাতির নার্সারি চারা পরিদর্শন করেছেন সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মোহাম্মদ আবদুর রহমান।
বুধবার দিনব্যাপী এ পরিদর্শনে ডিএফও মোহাম্মদ আবদুর রহমানের নেতৃত্বে বনাঞ্চলের বিভিন্ন কার্যক্রম ও নার্সারিতে উৎপাদিত বিভিন্ন প্রজাতির চারা ঘুরে দেখা হয়। এ সময় চারার উৎপাদন, পরিচর্যা, নার্সারি ব্যবস্থাপনা এবং প্রাকৃতিক বনাঞ্চল সংরক্ষণের সার্বিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন নবাগত হবিগঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মো. মেহেদী হাসান, শ্রীমঙ্গলের সহকারী বন সংরক্ষক মো. শরিফুল ইসলাম, কালেঙ্গা রেঞ্জ কর্মকর্তা এইচ এম এরশাদ, কালেঙ্গা রেঞ্জের রশিদপুর বন বিটের ফরেস্টার মো. রেজভী বিশ্বাস, ছনবাড়ী বন বিটের ফরেস্টার মো. তিতুমীর পাঠানসহ বন বিভাগের ফরেস্ট গার্ড ও ভিলেজাররা।
পরিদর্শন শেষে প্রাকৃতিক বনাঞ্চল ও ১১৪ প্রজাতির নার্সারি চারা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন ডিএফও মোহাম্মদ আবদুর রহমান। এ সময় তিনি বন সংরক্ষণ, নার্সারি ব্যবস্থাপনা এবং বন বিভাগের সার্বিক কার্যক্রমের বিভিন্ন বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের পরিদর্শন প্রাকৃতিক বনাঞ্চল সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং বিভিন্ন প্রজাতির চারা উৎপাদন ও পরিচর্যার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি বনসম্পদ সংরক্ষণ ও পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে বন বিভাগের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ অক্টোবর ২০২৬
হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার কালেঙ্গা রেঞ্জের প্রাকৃতিক বনাঞ্চল ও কালেঙ্গা বন বিটে উৎপাদিত ১১৪ প্রজাতির নার্সারি চারা পরিদর্শন করেছেন সিলেট বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মোহাম্মদ আবদুর রহমান।
বুধবার দিনব্যাপী এ পরিদর্শনে ডিএফও মোহাম্মদ আবদুর রহমানের নেতৃত্বে বনাঞ্চলের বিভিন্ন কার্যক্রম ও নার্সারিতে উৎপাদিত বিভিন্ন প্রজাতির চারা ঘুরে দেখা হয়। এ সময় চারার উৎপাদন, পরিচর্যা, নার্সারি ব্যবস্থাপনা এবং প্রাকৃতিক বনাঞ্চল সংরক্ষণের সার্বিক কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন তিনি।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন নবাগত হবিগঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক মো. মেহেদী হাসান, শ্রীমঙ্গলের সহকারী বন সংরক্ষক মো. শরিফুল ইসলাম, কালেঙ্গা রেঞ্জ কর্মকর্তা এইচ এম এরশাদ, কালেঙ্গা রেঞ্জের রশিদপুর বন বিটের ফরেস্টার মো. রেজভী বিশ্বাস, ছনবাড়ী বন বিটের ফরেস্টার মো. তিতুমীর পাঠানসহ বন বিভাগের ফরেস্ট গার্ড ও ভিলেজাররা।
পরিদর্শন শেষে প্রাকৃতিক বনাঞ্চল ও ১১৪ প্রজাতির নার্সারি চারা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেন ডিএফও মোহাম্মদ আবদুর রহমান। এ সময় তিনি বন সংরক্ষণ, নার্সারি ব্যবস্থাপনা এবং বন বিভাগের সার্বিক কার্যক্রমের বিভিন্ন বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এ ধরনের পরিদর্শন প্রাকৃতিক বনাঞ্চল সংরক্ষণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং বিভিন্ন প্রজাতির চারা উৎপাদন ও পরিচর্যার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি বনসম্পদ সংরক্ষণ ও পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে বন বিভাগের কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
