চব্বিশের গণআন্দোলনের পরাজিত শক্তিকে কোনো ধরনের প্রশ্রয় না দিতে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
রিজভী অভিযোগ করেন, দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির মাধ্যমে রাজনৈতিকভাবে পরাজিত শক্তিকে পুনর্বাসনের চেষ্টা চলছে। তার দাবি, সহিংসতা, নাশকতা, বাসে আগুন, বিস্ফোরণ ও বোমা হামলার মতো ঘটনাকে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য থাকতেই পারে। তবে এমন কোনো কর্মকাণ্ড করা উচিত নয়, যার সুযোগ নিয়ে পরাজিত শক্তি আবার রাজনৈতিকভাবে সংগঠিত হওয়ার সুযোগ পায়।
রিজভীর অভিযোগ, সাম্প্রতিক সহিংসতার মাধ্যমে দেশের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করে রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এসব ঘটনার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার কথাও বলেন তিনি।
জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন রিজভী। তিনি বলেন, জাতিসংঘে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কূটনীতি, শিক্ষা ও শান্তির মাধ্যমে পরিবর্তনের বার্তা তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি ফিলিস্তিনিদের অধিকার এবং বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের বিষয়েও বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে।
সমাবেশে ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে নয়াপল্টন এলাকা থেকে অস্থিতিশীলতা তৈরির অপচেষ্টার প্রতিবাদে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।

শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চব্বিশের গণআন্দোলনের পরাজিত শক্তিকে কোনো ধরনের প্রশ্রয় না দিতে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের বিক্ষোভ মিছিলপূর্ব সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।
রিজভী অভিযোগ করেন, দেশে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির মাধ্যমে রাজনৈতিকভাবে পরাজিত শক্তিকে পুনর্বাসনের চেষ্টা চলছে। তার দাবি, সহিংসতা, নাশকতা, বাসে আগুন, বিস্ফোরণ ও বোমা হামলার মতো ঘটনাকে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
তিনি বলেন, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে মতপার্থক্য থাকতেই পারে। তবে এমন কোনো কর্মকাণ্ড করা উচিত নয়, যার সুযোগ নিয়ে পরাজিত শক্তি আবার রাজনৈতিকভাবে সংগঠিত হওয়ার সুযোগ পায়।
রিজভীর অভিযোগ, সাম্প্রতিক সহিংসতার মাধ্যমে দেশের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ নষ্ট করে রাজনৈতিক ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এসব ঘটনার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার কথাও বলেন তিনি।
জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের অংশগ্রহণের প্রসঙ্গও তুলে ধরেন রিজভী। তিনি বলেন, জাতিসংঘে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কূটনীতি, শিক্ষা ও শান্তির মাধ্যমে পরিবর্তনের বার্তা তুলে ধরা হয়েছে। পাশাপাশি ফিলিস্তিনিদের অধিকার এবং বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসনের বিষয়েও বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরা হয়েছে।
সমাবেশে ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। পরে নয়াপল্টন এলাকা থেকে অস্থিতিশীলতা তৈরির অপচেষ্টার প্রতিবাদে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়।
