চট্টগ্রামে ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির ১২২৯তম দলের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমামদের সমাপনী ও সনদ প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ইং তারিখে ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি, চট্টগ্রামের মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম, বিপিএম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম বলেন, ইমামগণ সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও নৈতিক পথপ্রদর্শক। ধর্মীয় মূল্যবোধের চর্চা, নৈতিকতা ও মানবিক গুণাবলির বিকাশ এবং সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় তাঁদের ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। মসজিদকেন্দ্রিক ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রমের মাধ্যমে তাঁরা মানুষের মধ্যে ন্যায়বোধ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও দায়িত্বশীলতা জাগ্রত করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারেন।
তিনি আরও বলেন, একটি শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও কল্যাণমুখী সমাজ গঠনে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের ইতিবাচক ভূমিকা অপরিহার্য। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করা, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, বাল্যবিবাহ ও যৌতুক প্রতিরোধ, মাদক ও অপরাধবিরোধী সচেতনতা সৃষ্টি এবং কুসংস্কার ও গুজব প্রতিরোধে ইমামগণ তাঁদের বক্তব্য ও সামাজিক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করতে পারেন।
পুলিশ সুপার ধর্মীয় অনুশাসনের পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধ, পারস্পরিক সহমর্মিতা এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার মানসিকতা গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমামগণ ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার প্রসার, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং একটি সম্প্রীতিপূর্ণ ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে প্রধান অতিথি চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম, বিপিএম, প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্নকারী ইমামদের হাতে সনদ তুলে দেন।

বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ অক্টোবর ২০২৬
চট্টগ্রামে ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমির ১২২৯তম দলের প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমামদের সমাপনী ও সনদ প্রদান অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত ১৯ অক্টোবর ২০২৬ ইং তারিখে ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি, চট্টগ্রামের মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম, বিপিএম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম বলেন, ইমামগণ সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ধর্মীয় ও নৈতিক পথপ্রদর্শক। ধর্মীয় মূল্যবোধের চর্চা, নৈতিকতা ও মানবিক গুণাবলির বিকাশ এবং সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা ও সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠায় তাঁদের ভূমিকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। মসজিদকেন্দ্রিক ধর্মীয় ও সামাজিক কার্যক্রমের মাধ্যমে তাঁরা মানুষের মধ্যে ন্যায়বোধ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও দায়িত্বশীলতা জাগ্রত করতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারেন।
তিনি আরও বলেন, একটি শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও কল্যাণমুখী সমাজ গঠনে ধর্মীয় নেতৃবৃন্দের ইতিবাচক ভূমিকা অপরিহার্য। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি সুদৃঢ় করা, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি, বাল্যবিবাহ ও যৌতুক প্রতিরোধ, মাদক ও অপরাধবিরোধী সচেতনতা সৃষ্টি এবং কুসংস্কার ও গুজব প্রতিরোধে ইমামগণ তাঁদের বক্তব্য ও সামাজিক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে জনসাধারণকে উদ্বুদ্ধ করতে পারেন।
পুলিশ সুপার ধর্মীয় অনুশাসনের পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধ, পারস্পরিক সহমর্মিতা এবং আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার মানসিকতা গড়ে তোলার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন, প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ইমামগণ ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার প্রসার, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং একটি সম্প্রীতিপূর্ণ ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনে আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করবেন।
অনুষ্ঠানের শেষপর্বে প্রধান অতিথি চট্টগ্রাম জেলার পুলিশ সুপার মোঃ মাসুদ আলম, বিপিএম, প্রশিক্ষণ সফলভাবে সম্পন্নকারী ইমামদের হাতে সনদ তুলে দেন।
