খুলনায় সম্প্রতি পুলিশের এক ইন্সপেক্টরের ওপর হামলার ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে পুলিশ। ইতিমধ্যে গত শুক্রবার রাতে পুলিশকে একা চলাচল না করার জন্য সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার পর পুলিশের ভেতর নতুন করে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। নিরাপত্তা নিয়ে উদ্ধিগ্ন হয়ে পড়েছে মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মীরা। এদিকে পুলিশ কর্মকর্তার ওপর হামলার ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এসআই বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা তিন ব্যাক্তির বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
খুলনা জেলা পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুক সাক্ষরিত এক আদেশে ( স্মারক নং- ৫০৬২) বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে আইন শৃংখলা পরিস্থিতি উন্নয়নের জন্য রুপসা, তেরখাদা, দিঘলিয়া ও বটিয়াঘাটা থানা এলাকায় পুলিশের বিশেষ অভিযান চলমান রয়েছে। ইদানিং লক্ষ্য করা যাচ্ছে, আইন শৃংখলা পরিস্থিতি উন্নয়ন করতে গিয়ে পুলিশ সন্ত্রাসী হামালার শিকার হচ্ছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বিশেষ অভিযানসহ অন্যান্য ডিউটিতে নিয়োজিত পুলিশ সদস্যদের ব্যাক্তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সহ রাত্রিকালে একাকী চলাচল না করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো।
এবিষয়ে ইউনিট ইনচার্জগন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। সতর্কমুলক এ চিঠির অনুলিপি গুলো পুলিশের বিভিন্ন দপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে নগরীর খানজাহানআলী রোডের খুলনা কলেজিয়েট স্কুলের সামনে ছিনতাইকারীদের ধারালো চাপাতির কোপে গুরুতর জখম হন পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলম (৪৩)।
গুরুতর আহত পুলিশ পরিদর্শককে ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ লাইন হাসপাতাল থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। সুত্রমতে, জনগনের নিরাপত্তায় নিয়োজিত পুলিশ সদস্যেদের ওপর হামলার ঘটনায় জেলা পুলিশ সুপারের সতর্কমুলক বার্তাকে কেন্দ্র করে জনমনে আতংক বিরাজ করছে। সাধারণ জনগণের প্রশ্ন জনগনের নিরাপত্তায় নিয়োজিত পুলিশ সদস্য যদি নিরাপদ না থাকে তাহলে রাতের আধারে সাধারণ জনগনের নিরাপত্তা কতটুকু সুরক্ষিত।
খুলনা থানার অফিসার ইনচার্জ লোকমান হোসেন রিপন বলেন, পুলিশ কর্মকর্তার ওপর হামলার ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এক এসআই বাদী হয়ে গত শুক্রবার দিবাগত রাতে মামলা দায়ের করেন। এতে তিনি অজ্ঞাতনামা তিন ব্যাক্তকে আসামীকে করেছেন। আসামি গ্রেফতারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হচ্ছে।
খুলনা জেলা পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুক বলেন, পুলিশ কর্মকর্তারা নতুন করে যেন এধরণের হামালার শিকার না হন এজন্য একটি সতর্ক বার্তা দেওয়া হয়েছে। আহত পুলিশ কর্মকর্তা ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি এখন শংকামুক্ত। অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ক্রাইম এ্যান্ড অপারেশনস ( ভারপ্রাপ্ত) এম এম শাকিলুজ্জামান বলেন, সমস্ত পুলিশের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করা হচ্ছে। এব্যাপারে আমরা সচেতন রয়েছি।

সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ অক্টোবর ২০২৬
খুলনায় সম্প্রতি পুলিশের এক ইন্সপেক্টরের ওপর হামলার ঘটনায় নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে পুলিশ। ইতিমধ্যে গত শুক্রবার রাতে পুলিশকে একা চলাচল না করার জন্য সতর্কবার্তা দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার পর পুলিশের ভেতর নতুন করে আতংক ছড়িয়ে পড়েছে। নিরাপত্তা নিয়ে উদ্ধিগ্ন হয়ে পড়েছে মাঠ পর্যায়ের পুলিশ কর্মীরা। এদিকে পুলিশ কর্মকর্তার ওপর হামলার ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এসআই বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা তিন ব্যাক্তির বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
খুলনা জেলা পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুক সাক্ষরিত এক আদেশে ( স্মারক নং- ৫০৬২) বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে আইন শৃংখলা পরিস্থিতি উন্নয়নের জন্য রুপসা, তেরখাদা, দিঘলিয়া ও বটিয়াঘাটা থানা এলাকায় পুলিশের বিশেষ অভিযান চলমান রয়েছে। ইদানিং লক্ষ্য করা যাচ্ছে, আইন শৃংখলা পরিস্থিতি উন্নয়ন করতে গিয়ে পুলিশ সন্ত্রাসী হামালার শিকার হচ্ছে। সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় বিশেষ অভিযানসহ অন্যান্য ডিউটিতে নিয়োজিত পুলিশ সদস্যদের ব্যাক্তি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সহ রাত্রিকালে একাকী চলাচল না করার জন্য নির্দেশ প্রদান করা হলো।
এবিষয়ে ইউনিট ইনচার্জগন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। সতর্কমুলক এ চিঠির অনুলিপি গুলো পুলিশের বিভিন্ন দপ্তরে প্রেরণ করা হয়েছে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে নগরীর খানজাহানআলী রোডের খুলনা কলেজিয়েট স্কুলের সামনে ছিনতাইকারীদের ধারালো চাপাতির কোপে গুরুতর জখম হন পুলিশ পরিদর্শক শাহ আলম (৪৩)।
গুরুতর আহত পুলিশ পরিদর্শককে ঢাকার রাজারবাগ পুলিশ লাইন হাসপাতাল থেকে এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। সুত্রমতে, জনগনের নিরাপত্তায় নিয়োজিত পুলিশ সদস্যেদের ওপর হামলার ঘটনায় জেলা পুলিশ সুপারের সতর্কমুলক বার্তাকে কেন্দ্র করে জনমনে আতংক বিরাজ করছে। সাধারণ জনগণের প্রশ্ন জনগনের নিরাপত্তায় নিয়োজিত পুলিশ সদস্য যদি নিরাপদ না থাকে তাহলে রাতের আধারে সাধারণ জনগনের নিরাপত্তা কতটুকু সুরক্ষিত।
খুলনা থানার অফিসার ইনচার্জ লোকমান হোসেন রিপন বলেন, পুলিশ কর্মকর্তার ওপর হামলার ঘটনায় জেলা গোয়েন্দা পুলিশের এক এসআই বাদী হয়ে গত শুক্রবার দিবাগত রাতে মামলা দায়ের করেন। এতে তিনি অজ্ঞাতনামা তিন ব্যাক্তকে আসামীকে করেছেন। আসামি গ্রেফতারে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালানো হচ্ছে।
খুলনা জেলা পুলিশ সুপার সরকার ওমর ফারুক বলেন, পুলিশ কর্মকর্তারা নতুন করে যেন এধরণের হামালার শিকার না হন এজন্য একটি সতর্ক বার্তা দেওয়া হয়েছে। আহত পুলিশ কর্মকর্তা ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তিনি এখন শংকামুক্ত। অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার ক্রাইম এ্যান্ড অপারেশনস ( ভারপ্রাপ্ত) এম এম শাকিলুজ্জামান বলেন, সমস্ত পুলিশের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করা হচ্ছে। এব্যাপারে আমরা সচেতন রয়েছি।
