খুলনায় দুই ট্রাকের মাঝে চাপা পড়ে মো: আব্দুস সালাম নামে কেসিসির গাড়ি চালক মারা গেছেন। আজ ৮ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ১১ টার দিকে নগরীর পাওয়ার হাউজ মোড় সংলগ্ন কেসিসির গ্যারেজে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে অপর গাড়ির চালক বারেক গাজী পলাতক। মৃত মো: আব্দুস সালাম সোনাডাঙ্গা থানার ময়লাপোতা এলাকার মোঃ মেছের আলীর ছেলে। তার মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। কেসিসির চালক মোঃ সাফায়েত হোসেন জানান, বেলা সোয়া ১১ টার দিকে বাইরে থেকে গাড়ি, চালিয়ে গ্যারেজে প্রবেশ করেন বারেক।
তিনি সালামকে গাড়ি সরিয়ে নিতে বললে সালাম তাকেই গাড়ি সরাতে বলেন। এরপর বারেক স্টার্ট গাড়িটি সামনের দিকে গিয়ে সালামকে ধাক্কা দেয়। দুই গাড়ির মাঝে চাপা পড়ে তিনি মাথায় গুরুতর আঘাত পান। পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সোনাডাঙ্গা থানার ওসি তদন্ত মোঃ মতিয়ার রহমান।
তিনি জানান, মৃত চালকের পরিবার মামলা করতে চাইছে না। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। পলাতক চালক বারেককে আটক করা গেলে ঘটনার বিস্তারিত জানা যাবে। এদিকে মরদেহ ময়না তদন্ত ছাড়া তড়িঘড়ি করে দাফন সম্পন্ন করার প্রস্তুতি করছে একটি মহল বলে অভিযোগ উঠেছে।
এঘটনায় কেসিসির কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে কেসিসির প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মশিউজ্জামান খানও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, এটি একটি দুর্ঘটনা। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।

শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ অক্টোবর ২০২৬
খুলনায় দুই ট্রাকের মাঝে চাপা পড়ে মো: আব্দুস সালাম নামে কেসিসির গাড়ি চালক মারা গেছেন। আজ ৮ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকাল সোয়া ১১ টার দিকে নগরীর পাওয়ার হাউজ মোড় সংলগ্ন কেসিসির গ্যারেজে এ দুর্ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর থেকে অপর গাড়ির চালক বারেক গাজী পলাতক। মৃত মো: আব্দুস সালাম সোনাডাঙ্গা থানার ময়লাপোতা এলাকার মোঃ মেছের আলীর ছেলে। তার মরদেহ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। কেসিসির চালক মোঃ সাফায়েত হোসেন জানান, বেলা সোয়া ১১ টার দিকে বাইরে থেকে গাড়ি, চালিয়ে গ্যারেজে প্রবেশ করেন বারেক।
তিনি সালামকে গাড়ি সরিয়ে নিতে বললে সালাম তাকেই গাড়ি সরাতে বলেন। এরপর বারেক স্টার্ট গাড়িটি সামনের দিকে গিয়ে সালামকে ধাক্কা দেয়। দুই গাড়ির মাঝে চাপা পড়ে তিনি মাথায় গুরুতর আঘাত পান। পরে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন সোনাডাঙ্গা থানার ওসি তদন্ত মোঃ মতিয়ার রহমান।
তিনি জানান, মৃত চালকের পরিবার মামলা করতে চাইছে না। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। পলাতক চালক বারেককে আটক করা গেলে ঘটনার বিস্তারিত জানা যাবে। এদিকে মরদেহ ময়না তদন্ত ছাড়া তড়িঘড়ি করে দাফন সম্পন্ন করার প্রস্তুতি করছে একটি মহল বলে অভিযোগ উঠেছে।
এঘটনায় কেসিসির কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে কেসিসির প্রধান নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ মশিউজ্জামান খানও ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি জানান, এটি একটি দুর্ঘটনা। তবে বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হবে।
