রোববার, ২৪ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

ইসলাম

বয়স পূর্ণ না হলে কোরবানি শুদ্ধ নয়

কোরবানির পশুর বয়স কত হওয়া জরুরি? ইসলামি নিয়ম জেনে নিন আগে

কোরবানির পশুর বয়স কত হওয়া জরুরি? ইসলামি নিয়ম জেনে নিন আগে
ছবি: সংগৃহীত

সামর্থ্যবান মুসলমানের ওপর ঈদুল আজহার দিনগুলোতে কোরবানি করা ওয়াজিব। তবে কোরবানি গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য শরিয়তে নির্ধারিত কিছু শর্ত রয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম হলো পশুর সঠিক বয়স পূর্ণ হওয়া।

ইসলামি বিধান অনুযায়ী, বয়স পূর্ণ না হলে পশু যত বড় বা মোটাতাজাই হোক না কেন, তা দিয়ে কোরবানি আদায় হবে না।

হানাফি মাজহাব মতে, উটের বয়স কমপক্ষে পাঁচ বছর, গরু ও মহিষের বয়স কমপক্ষে দুই বছর এবং ছাগল ও দুম্বার বয়স কমপক্ষে এক বছর পূর্ণ হতে হবে। তবে ভেড়ার ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম রয়েছে যদি দেখতে পূর্ণবয়স্ক ও হৃষ্টপুষ্ট মনে হয়, তাহলে ছয় মাস বয়স হলেও কোরবানি করা জায়েজ।

হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, উপযুক্ত বয়সে পৌঁছানো পশু ছাড়া কোরবানি করা যাবে না (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৯৬৩)।

ইসলামি বিশেষজ্ঞরা বলেন, কোরবানির পশুর বয়স নির্ধারণের বিষয়টি শরিয়তের গুরুত্বপূর্ণ বিধান, যা হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। তাই পশু নির্বাচন করার সময় এ বিষয়ে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।

গ্রামাঞ্চল ও পশুর হাটে সাধারণত দাঁত দেখে পশুর বয়স নির্ধারণ করা হয়। অভিজ্ঞদের মতে, গরু বা মহিষের সামনের দুটি স্থায়ী দাঁত উঠলে সাধারণত তা দুই বছর পূর্ণ হওয়ার লক্ষণ হিসেবে ধরা হয়। তবে শুধু আকার দেখে সিদ্ধান্ত না নিয়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শ নেওয়া উত্তম।

এছাড়া কোরবানির পশু সুস্থ, সবল এবং ত্রুটিমুক্ত হওয়াও জরুরি। অন্ধ, খোঁড়া, অতিশয় দুর্বল বা অসুস্থ পশু কোরবানির উপযুক্ত নয়।

কোরবানির মূল উদ্দেশ্য শুধু পশু জবাই নয়, বরং আল্লাহর প্রতি আনুগত্য ও তাকওয়া অর্জন। তাই শরিয়তের বিধান মেনে সঠিকভাবে কোরবানি আদায় করাই একজন মুমিনের দায়িত্ব।

#ঈদুল_আজহা #কোরবানিরপশু #ইসলামিক_নিয়ম

চেকপোস্ট

রোববার, ২৪ মে ২০২৬


কোরবানির পশুর বয়স কত হওয়া জরুরি? ইসলামি নিয়ম জেনে নিন আগে

প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬

featured Image

সামর্থ্যবান মুসলমানের ওপর ঈদুল আজহার দিনগুলোতে কোরবানি করা ওয়াজিব। তবে কোরবানি গ্রহণযোগ্য হওয়ার জন্য শরিয়তে নির্ধারিত কিছু শর্ত রয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম হলো পশুর সঠিক বয়স পূর্ণ হওয়া।

ইসলামি বিধান অনুযায়ী, বয়স পূর্ণ না হলে পশু যত বড় বা মোটাতাজাই হোক না কেন, তা দিয়ে কোরবানি আদায় হবে না।

হানাফি মাজহাব মতে, উটের বয়স কমপক্ষে পাঁচ বছর, গরু ও মহিষের বয়স কমপক্ষে দুই বছর এবং ছাগল ও দুম্বার বয়স কমপক্ষে এক বছর পূর্ণ হতে হবে। তবে ভেড়ার ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম রয়েছে যদি দেখতে পূর্ণবয়স্ক ও হৃষ্টপুষ্ট মনে হয়, তাহলে ছয় মাস বয়স হলেও কোরবানি করা জায়েজ।

হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, উপযুক্ত বয়সে পৌঁছানো পশু ছাড়া কোরবানি করা যাবে না (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৯৬৩)।

ইসলামি বিশেষজ্ঞরা বলেন, কোরবানির পশুর বয়স নির্ধারণের বিষয়টি শরিয়তের গুরুত্বপূর্ণ বিধান, যা হাদিস দ্বারা প্রমাণিত। তাই পশু নির্বাচন করার সময় এ বিষয়ে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা জরুরি।

গ্রামাঞ্চল ও পশুর হাটে সাধারণত দাঁত দেখে পশুর বয়স নির্ধারণ করা হয়। অভিজ্ঞদের মতে, গরু বা মহিষের সামনের দুটি স্থায়ী দাঁত উঠলে সাধারণত তা দুই বছর পূর্ণ হওয়ার লক্ষণ হিসেবে ধরা হয়। তবে শুধু আকার দেখে সিদ্ধান্ত না নিয়ে অভিজ্ঞ ব্যক্তির পরামর্শ নেওয়া উত্তম।

এছাড়া কোরবানির পশু সুস্থ, সবল এবং ত্রুটিমুক্ত হওয়াও জরুরি। অন্ধ, খোঁড়া, অতিশয় দুর্বল বা অসুস্থ পশু কোরবানির উপযুক্ত নয়।

কোরবানির মূল উদ্দেশ্য শুধু পশু জবাই নয়, বরং আল্লাহর প্রতি আনুগত্য ও তাকওয়া অর্জন। তাই শরিয়তের বিধান মেনে সঠিকভাবে কোরবানি আদায় করাই একজন মুমিনের দায়িত্ব।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত