তীব্র মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে ইরানের মুদ্রা রিয়াল ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। ২৮ সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদনে খোলা বাজারে প্রতি মার্কিন ডলারের দাম প্রায় ২৪ লাখ রিয়ালে পৌঁছানোর কথা জানা গেছে।
ইরানের বৈদেশিক মুদ্রার খোলা বাজারের দর পর্যবেক্ষণকারী পাশিজি ডটকমের তথ্য উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডলারের বিক্রয়মূল্য নতুন রেকর্ড উচ্চতায় উঠেছে। এর ফলে রিয়ালের অবমূল্যায়ন আরও তীব্র হয়েছে।
এই দরপতনের সময়ে ইরানে বার্ষিক মূল্যস্ফীতি ৬১ দশমিক ৪ শতাংশে পৌঁছেছে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এক বছরে খাদ্যপণ্যের দামও ১২৮ দশমিক ১ শতাংশ বেড়েছে।
রিয়ালের মূল্য দ্রুত কমে যাওয়ায় আমদানি করা পণ্য ও কাঁচামালের ব্যয় বাড়ার চাপ তৈরি হতে পারে। এর প্রভাব খাদ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামেও পড়তে পারে বলে অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হচ্ছে।
ইরানের অর্থনীতি দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, বৈদেশিক মুদ্রার সংকট ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপে রয়েছে। সর্বশেষ মুদ্রার দরপতন সেই অর্থনৈতিক চাপ আরও স্পষ্ট করেছে।

মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
তীব্র মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে ইরানের মুদ্রা রিয়াল ইতিহাসের সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমেছে। ২৮ সেপ্টেম্বরের প্রতিবেদনে খোলা বাজারে প্রতি মার্কিন ডলারের দাম প্রায় ২৪ লাখ রিয়ালে পৌঁছানোর কথা জানা গেছে।
ইরানের বৈদেশিক মুদ্রার খোলা বাজারের দর পর্যবেক্ষণকারী পাশিজি ডটকমের তথ্য উদ্ধৃত করে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডলারের বিক্রয়মূল্য নতুন রেকর্ড উচ্চতায় উঠেছে। এর ফলে রিয়ালের অবমূল্যায়ন আরও তীব্র হয়েছে।
এই দরপতনের সময়ে ইরানে বার্ষিক মূল্যস্ফীতি ৬১ দশমিক ৪ শতাংশে পৌঁছেছে। সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এক বছরে খাদ্যপণ্যের দামও ১২৮ দশমিক ১ শতাংশ বেড়েছে।
রিয়ালের মূল্য দ্রুত কমে যাওয়ায় আমদানি করা পণ্য ও কাঁচামালের ব্যয় বাড়ার চাপ তৈরি হতে পারে। এর প্রভাব খাদ্যসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামেও পড়তে পারে বলে অর্থনৈতিক বিশ্লেষণে উল্লেখ করা হচ্ছে।
ইরানের অর্থনীতি দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা, বৈদেশিক মুদ্রার সংকট ও উচ্চ মূল্যস্ফীতির চাপে রয়েছে। সর্বশেষ মুদ্রার দরপতন সেই অর্থনৈতিক চাপ আরও স্পষ্ট করেছে।
