চেক পোস্ট

মূল পাতা

বিশ্ব

হামাসের সামরিক গোয়েন্দা প্রধানকে হত্যার দাবি ইসরাইলের

প্রকাশ : ২২ মার্চ ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
হামাসের সামরিক গোয়েন্দা প্রধানকে হত্যার দাবি ইসরাইলের
ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান ওসামা তাবাশ ইসরাইলের হামলায় নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইসরাইল প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, আইডিএফ জানিয়েছে, ২০ মার্চ দক্ষিণ গাজায় আকাশপথে হামলা চালিয়ে হামাসের ঘাঁটি লক্ষ্য করে বোমাবর্ষণ করা হয়। এই হামলাতেই ওসামা তাবাশের মৃত্যু হয় বলে দাবি করেছে তারা। আইডিএফের দাবি, তাবাশ হামাসের একাধিক সংগঠনের শীর্ষ পদে ছিলেন এবং বহু হামলার মূলহোতা ছিলেন। ইসরাইলের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, তাবাশ হামাসের নজরদারি এবং নিশানা (টার্গেটিং) ইউনিটের প্রধান ছিলেন। তিনি খান ইউনিস ব্রিগেডের ব্যাটালিয়ন কমান্ডারের দায়িত্বও পালন করেছিলেন এবং স্থলভাগে হামাসের যুদ্ধকৌশল ঠিক করতেন। মূলত দক্ষিণ গাজাতেই তিনি সক্রিয় ছিলেন। আইডিএফের মতে, তার মৃত্যুকে বড়সড় সাফল্য হিসেবে দেখছে তারা। আইডিএফ আরও দাবি করেছে, ২০০৫ সালে গাজা উপত্যকার গাশ কাটিফ জংশনে আত্মঘাতী বোমা হামলার মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন তাবাশ। এছাড়াও বহু হামলা তার পরিকল্পনায় সংগঠিত হয়েছে। ইসরাইলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে হামাসের সামরিক শক্তি বৃদ্ধির বিষয়টিও তিনি দেখভাল করতেন। তাবাশের সামরিক দক্ষতা এবং গোয়েন্দা বিভাগে তার অভিজ্ঞতা হামাসের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল বলে ইসরাইলের দাবি। আইডিএফের মতে, তার কৌশলগত দক্ষতার কারণে কিছু ক্ষেত্রে ইসরাইলি হামলা প্রতিহত করতেও সফল হয়েছিল হামাস। তবে তার মৃত্যুতে হামাসের বিরুদ্ধে অভিযান আরও সহজ হবে বলে মনে করছে ইসরাইল। এদিকে, ইসরাইলের এই দাবি সম্পর্কে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী হামাস।  

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


হামাসের সামরিক গোয়েন্দা প্রধানকে হত্যার দাবি ইসরাইলের

প্রকাশের তারিখ : ২২ মার্চ ২০২৫

featured Image
ফিলিস্তিনের স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান ওসামা তাবাশ ইসরাইলের হামলায় নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে ইসরাইল প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ)। রয়টার্সের খবরে বলা হয়েছে, আইডিএফ জানিয়েছে, ২০ মার্চ দক্ষিণ গাজায় আকাশপথে হামলা চালিয়ে হামাসের ঘাঁটি লক্ষ্য করে বোমাবর্ষণ করা হয়। এই হামলাতেই ওসামা তাবাশের মৃত্যু হয় বলে দাবি করেছে তারা। আইডিএফের দাবি, তাবাশ হামাসের একাধিক সংগঠনের শীর্ষ পদে ছিলেন এবং বহু হামলার মূলহোতা ছিলেন। ইসরাইলের বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, তাবাশ হামাসের নজরদারি এবং নিশানা (টার্গেটিং) ইউনিটের প্রধান ছিলেন। তিনি খান ইউনিস ব্রিগেডের ব্যাটালিয়ন কমান্ডারের দায়িত্বও পালন করেছিলেন এবং স্থলভাগে হামাসের যুদ্ধকৌশল ঠিক করতেন। মূলত দক্ষিণ গাজাতেই তিনি সক্রিয় ছিলেন। আইডিএফের মতে, তার মৃত্যুকে বড়সড় সাফল্য হিসেবে দেখছে তারা। আইডিএফ আরও দাবি করেছে, ২০০৫ সালে গাজা উপত্যকার গাশ কাটিফ জংশনে আত্মঘাতী বোমা হামলার মূল পরিকল্পনাকারী ছিলেন তাবাশ। এছাড়াও বহু হামলা তার পরিকল্পনায় সংগঠিত হয়েছে। ইসরাইলের সঙ্গে চলমান যুদ্ধে হামাসের সামরিক শক্তি বৃদ্ধির বিষয়টিও তিনি দেখভাল করতেন। তাবাশের সামরিক দক্ষতা এবং গোয়েন্দা বিভাগে তার অভিজ্ঞতা হামাসের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ছিল বলে ইসরাইলের দাবি। আইডিএফের মতে, তার কৌশলগত দক্ষতার কারণে কিছু ক্ষেত্রে ইসরাইলি হামলা প্রতিহত করতেও সফল হয়েছিল হামাস। তবে তার মৃত্যুতে হামাসের বিরুদ্ধে অভিযান আরও সহজ হবে বলে মনে করছে ইসরাইল। এদিকে, ইসরাইলের এই দাবি সম্পর্কে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি ফিলিস্তিনি গোষ্ঠী হামাস।  

চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত