যুক্তরাষ্ট্রের প্রাচীনতম ও বিশ্বখ্যাত হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়র নিকটেই একটি অবৈধ বিলাসবহুল যৌনপল্লি চলছিল। এই যৌনপল্লিতে অবাধ যাতায়াতের অভিযোগে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যবসায়ী অনুরাগ বাজপেয়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
অনুরাগ বাজপেয়ী গ্রেডিয়েন্ট কোম্পানির সিইও ছিলেন। তাকে বস্টন এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ক্যামব্রিজের এক অভিজাত অ্যাপার্টমেন্টে অবৈধ যৌন সেবায় অংশগ্রহণ করতেন, যেখানে নানা শ্রেণির মানুষ—কর্পোরেট এক্সিকিউটিভ, সরকারি কর্মকর্তা, চিকিৎসক ও আইনজীবী—যৌন সেবা নিতে আসতেন।
অনুরাগের পূর্বপাঠ : তিনি লখনউয়ের লা মার্টিনিয়ার স্কুল থেকে পড়াশোনা শেষ করেন এবং পরে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন মিশর-কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।
ম্যাসাচুসেটসের ক্যামব্রিজ ব্রথেল হিয়ারিংস নামে পরিচিত মামলায় ৩০ জনেরও বেশি পুরুষের নাম রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এই যৌনপল্লিতে গ্রাহকদেরকে ৬০০ ডলার (প্রায় ৫০,০০০ টাকা) দিয়ে যৌন সেবা নিতে হত।
তদন্তকারীদের মতে, এই পল্লিতে আসা নারীরা অনেকেই এশিয়া থেকে মানব পাচারের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে আনা হয়েছিল।
পুলিশের খতিয়ান অনুযায়ী, গ্রাহকদের পরিচয়পত্র, অফিস আইডি এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য জমা দিয়ে যৌন সেবা গ্রহণ করতে হত।
এখনো চলছে আইনি প্রক্রিয়া, যার মূল লক্ষ্য গ্রাহকদের তালিকা ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট তথ্য খতিয়ে দেখা।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৫
যুক্তরাষ্ট্রের প্রাচীনতম ও বিশ্বখ্যাত হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়র নিকটেই একটি অবৈধ বিলাসবহুল যৌনপল্লি চলছিল। এই যৌনপল্লিতে অবাধ যাতায়াতের অভিযোগে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যবসায়ী অনুরাগ বাজপেয়ীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
অনুরাগ বাজপেয়ী গ্রেডিয়েন্ট কোম্পানির সিইও ছিলেন। তাকে বস্টন এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি ক্যামব্রিজের এক অভিজাত অ্যাপার্টমেন্টে অবৈধ যৌন সেবায় অংশগ্রহণ করতেন, যেখানে নানা শ্রেণির মানুষ—কর্পোরেট এক্সিকিউটিভ, সরকারি কর্মকর্তা, চিকিৎসক ও আইনজীবী—যৌন সেবা নিতে আসতেন।
অনুরাগের পূর্বপাঠ : তিনি লখনউয়ের লা মার্টিনিয়ার স্কুল থেকে পড়াশোনা শেষ করেন এবং পরে মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এ স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন মিশর-কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।
ম্যাসাচুসেটসের ক্যামব্রিজ ব্রথেল হিয়ারিংস নামে পরিচিত মামলায় ৩০ জনেরও বেশি পুরুষের নাম রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এই যৌনপল্লিতে গ্রাহকদেরকে ৬০০ ডলার (প্রায় ৫০,০০০ টাকা) দিয়ে যৌন সেবা নিতে হত।
তদন্তকারীদের মতে, এই পল্লিতে আসা নারীরা অনেকেই এশিয়া থেকে মানব পাচারের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে আনা হয়েছিল।
পুলিশের খতিয়ান অনুযায়ী, গ্রাহকদের পরিচয়পত্র, অফিস আইডি এবং অন্যান্য ব্যক্তিগত তথ্য জমা দিয়ে যৌন সেবা গ্রহণ করতে হত।
এখনো চলছে আইনি প্রক্রিয়া, যার মূল লক্ষ্য গ্রাহকদের তালিকা ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট তথ্য খতিয়ে দেখা।
