সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের নিয়োগপত্র দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। আগামী ১ অক্টোবরের মধ্যে নিয়োগপত্র দেওয়ার কথা জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৬’ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভার শুরুতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে নির্বাচিত প্রার্থীদের ভেরিফিকেশন ও পদায়নের কাজ চলমান। বর্তমানে ৮১৭ জনের তথ্য যাচাই-বাছাই বাকি রয়েছে বলে তিনি জানান। ১ অক্টোবর পর্যন্ত এ প্রক্রিয়া চলবে।
তিনি আরও বলেন, কিছু গণমাধ্যমে নিয়োগপত্র নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। যারা নিয়োগপত্র পাওয়ার কথা বলে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন, তাদের অনেকে ইতোমধ্যে নিয়োগপত্র পেয়েছেন। নিয়োগ কার্যক্রম একটি চলমান প্রক্রিয়া বলেও জানান তিনি।
মন্ত্রী এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় জানিয়েছিলেন, ১ অক্টোবর পর্যন্ত কোনো উত্তীর্ণ প্রার্থী নিয়োগপত্র না পেলে বিষয়টি যথাযথভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পর্যায়ক্রমে নিয়োগপত্র দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে ভেরিফিকেশন ও ভেটিং নিয়মিত প্রক্রিয়া বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এদিকে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, নিয়োগপত্র না পাওয়ার বিষয়ে ১ অক্টোবরের পর সংবাদ করা উচিত ছিল, কারণ ওই সময় পর্যন্ত নিয়োগ কার্যক্রম চলার কথা রয়েছে।
প্রসঙ্গত, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর চূড়ান্ত ফলাফলে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। তবে তাদের মধ্যে অনেকেই এখনো নিয়োগপত্র পাননি। বিভিন্ন ধাপে যাচাই-বাছাই ও ভেরিফিকেশনের কারণে নিয়োগপত্র ইস্যুতে বিলম্ব হয়েছে।
গত কয়েকদিন ধরে নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীদের একটি অংশ দ্রুত নিয়োগের দাবিতে কর্মসূচি পালন করছেন। এর মধ্যেই কর্তৃপক্ষ দ্বিতীয় দফায় নিয়োগপত্র দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করেছে।

সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে উত্তীর্ণ প্রার্থীদের নিয়োগপত্র দেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। আগামী ১ অক্টোবরের মধ্যে নিয়োগপত্র দেওয়ার কথা জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে ‘বিশ্ব শিক্ষক দিবস-২০২৬’ উদযাপন উপলক্ষে আয়োজিত জাতীয় স্টিয়ারিং কমিটির সভার শুরুতে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ তথ্য জানান।
মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক নিয়োগে নির্বাচিত প্রার্থীদের ভেরিফিকেশন ও পদায়নের কাজ চলমান। বর্তমানে ৮১৭ জনের তথ্য যাচাই-বাছাই বাকি রয়েছে বলে তিনি জানান। ১ অক্টোবর পর্যন্ত এ প্রক্রিয়া চলবে।
তিনি আরও বলেন, কিছু গণমাধ্যমে নিয়োগপত্র নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রকাশিত হয়েছে। যারা নিয়োগপত্র পাওয়ার কথা বলে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন, তাদের অনেকে ইতোমধ্যে নিয়োগপত্র পেয়েছেন। নিয়োগ কার্যক্রম একটি চলমান প্রক্রিয়া বলেও জানান তিনি।
মন্ত্রী এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় জানিয়েছিলেন, ১ অক্টোবর পর্যন্ত কোনো উত্তীর্ণ প্রার্থী নিয়োগপত্র না পেলে বিষয়টি যথাযথভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পর্যায়ক্রমে নিয়োগপত্র দেওয়ার ব্যবস্থা করা হবে। সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে ভেরিফিকেশন ও ভেটিং নিয়মিত প্রক্রিয়া বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এদিকে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, নিয়োগপত্র না পাওয়ার বিষয়ে ১ অক্টোবরের পর সংবাদ করা উচিত ছিল, কারণ ওই সময় পর্যন্ত নিয়োগ কার্যক্রম চলার কথা রয়েছে।
প্রসঙ্গত, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর চূড়ান্ত ফলাফলে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। তবে তাদের মধ্যে অনেকেই এখনো নিয়োগপত্র পাননি। বিভিন্ন ধাপে যাচাই-বাছাই ও ভেরিফিকেশনের কারণে নিয়োগপত্র ইস্যুতে বিলম্ব হয়েছে।
গত কয়েকদিন ধরে নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীদের একটি অংশ দ্রুত নিয়োগের দাবিতে কর্মসূচি পালন করছেন। এর মধ্যেই কর্তৃপক্ষ দ্বিতীয় দফায় নিয়োগপত্র দেওয়ার কার্যক্রম শুরু করেছে।
