বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

জাতীয়

চার ঘণ্টার তল্লাশিতে বেরিয়ে এলো স্বর্ণ

শাহজালালে বিমানের টয়লেটে মিলল ৫০ স্বর্ণের বার

শাহজালালে বিমানের টয়লেটে মিলল ৫০ স্বর্ণের বার
সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলছেন কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা। ছবি : সংগৃহীত

সিঙ্গাপুর থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি উড়োজাহাজে তল্লাশি চালিয়ে ৫০টি স্বর্ণের বার জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। তবে স্বর্ণ উদ্ধারের বিষয়ে দুই দফায় দুই ধরনের তথ্য দেওয়া হয়েছে। প্রথমে শতাধিক স্বর্ণের বার থাকার তথ্য জানানো হলেও পরে ৫০টি বার উদ্ধারের কথা নিশ্চিত করা হয়।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সিঙ্গাপুর থেকে বাংলাদেশ বিমানের বিজি-৫৮৮৫ ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অবতরণের পরপরই উড়োজাহাজটিতে তল্লাশি শুরু করেন কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের জনসংযোগ কর্মকর্তা আল-আমিন শেখ জানান, প্রাথমিক গোয়েন্দা তথ্যে ফ্লাইটটিতে শতাধিক স্বর্ণের বার থাকার সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছিল। পরে প্রায় চার ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালিয়ে উড়োজাহাজের টয়লেটের ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ৫০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া প্রতিটি বারের ওজন ১০ তোলা। সে হিসাবে ৫০টি বারের মোট ওজন ৫০০ তোলা বা প্রায় ৫ দশমিক ৮৩২ কেজি। জব্দ করা স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১১ কোটি টাকা বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, স্বর্ণগুলো কোনো যাত্রীর ব্যাগেজ থেকে উদ্ধার করা হয়নি। উড়োজাহাজের টয়লেটের ভেতরে বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় বারগুলো পাওয়া যায়।

স্বর্ণগুলো কীভাবে উড়োজাহাজের টয়লেটে রাখা হয়েছিল এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত তা খতিয়ে দেখছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

এ ঘটনায় স্বর্ণ বিমানবন্দর থেকে বের করে নেওয়ার পরিকল্পনার সঙ্গে কোনো ব্যক্তি বা সংঘবদ্ধ চোরাচালান চক্র জড়িত ছিল কি না, সেটিও তদন্ত করা হচ্ছে।

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানিয়েছে, স্বর্ণ চোরাচালানের চালান শনাক্ত ও জব্দের পাশাপাশি এর সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।

#স্বর্ণজব্দ #শাহজালালবিমানবন্দর #স্বর্ণচোরাচালান

চেকপোস্ট

বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬


শাহজালালে বিমানের টয়লেটে মিলল ৫০ স্বর্ণের বার

প্রকাশের তারিখ : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

সিঙ্গাপুর থেকে আসা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি উড়োজাহাজে তল্লাশি চালিয়ে ৫০টি স্বর্ণের বার জব্দ করেছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। তবে স্বর্ণ উদ্ধারের বিষয়ে দুই দফায় দুই ধরনের তথ্য দেওয়া হয়েছে। প্রথমে শতাধিক স্বর্ণের বার থাকার তথ্য জানানো হলেও পরে ৫০টি বার উদ্ধারের কথা নিশ্চিত করা হয়।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে সিঙ্গাপুর থেকে বাংলাদেশ বিমানের বিজি-৫৮৮৫ ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে অবতরণের পরপরই উড়োজাহাজটিতে তল্লাশি শুরু করেন কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের জনসংযোগ কর্মকর্তা আল-আমিন শেখ জানান, প্রাথমিক গোয়েন্দা তথ্যে ফ্লাইটটিতে শতাধিক স্বর্ণের বার থাকার সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছিল। পরে প্রায় চার ঘণ্টা ধরে তল্লাশি চালিয়ে উড়োজাহাজের টয়লেটের ভেতরে বিশেষ কৌশলে লুকিয়ে রাখা ৫০টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়।

উদ্ধার হওয়া প্রতিটি বারের ওজন ১০ তোলা। সে হিসাবে ৫০টি বারের মোট ওজন ৫০০ তোলা বা প্রায় ৫ দশমিক ৮৩২ কেজি। জব্দ করা স্বর্ণের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১১ কোটি টাকা বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

কাস্টমস কর্মকর্তারা জানান, স্বর্ণগুলো কোনো যাত্রীর ব্যাগেজ থেকে উদ্ধার করা হয়নি। উড়োজাহাজের টয়লেটের ভেতরে বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা অবস্থায় বারগুলো পাওয়া যায়।

স্বর্ণগুলো কীভাবে উড়োজাহাজের টয়লেটে রাখা হয়েছিল এবং এর সঙ্গে কারা জড়িত তা খতিয়ে দেখছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

এ ঘটনায় স্বর্ণ বিমানবন্দর থেকে বের করে নেওয়ার পরিকল্পনার সঙ্গে কোনো ব্যক্তি বা সংঘবদ্ধ চোরাচালান চক্র জড়িত ছিল কি না, সেটিও তদন্ত করা হচ্ছে।

কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর জানিয়েছে, স্বর্ণ চোরাচালানের চালান শনাক্ত ও জব্দের পাশাপাশি এর সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত