কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে আন্তঃজেলা মোবাইল ফোন চোরাকারবারি চক্রের কথিত হোতা রশিদুল ইসলাম রতনকে (২৮) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাঁর কাছ থেকে প্রায় ৪ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় অবৈধ মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) গ্রেপ্তার রশিদুল ইসলাম রতনকে কুড়িগ্রাম জেলা আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সদস্যরা এ অভিযান পরিচালনা করেন।
গ্রেপ্তার রশিদুল ইসলাম রতন উপজেলার মধ্য ভরতের ছড়া এলাকার তফিজ উদ্দিনের ছেলে। পুলিশের অভিযোগ, তিনি একটি চক্রের মাধ্যমে ভারতীয় অবৈধ মোবাইল ফোন দেশের বিভিন্ন শপিংমল ও দোকানে সরবরাহ করতেন। এ কাজে তাঁর কয়েকজন নিকটাত্মীয়ও জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন জানান, রতনকে গ্রেপ্তারে এর আগেও একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল। তবে প্রতিবারই তিনি কৌশলে পুলিশের নাগালের বাইরে চলে যান। অবশেষে পুলিশের বিশেষ অভিযানে তাঁকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ অক্টোবর ২০২৬
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে আন্তঃজেলা মোবাইল ফোন চোরাকারবারি চক্রের কথিত হোতা রশিদুল ইসলাম রতনকে (২৮) গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাঁর কাছ থেকে প্রায় ৪ লাখ টাকা মূল্যের ভারতীয় অবৈধ মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়।
বুধবার (২৮ অক্টোবর) গ্রেপ্তার রশিদুল ইসলাম রতনকে কুড়িগ্রাম জেলা আদালতে পাঠানো হয়েছে বলে জানা গেছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, কুড়িগ্রাম জেলা পুলিশ সুপারের নির্দেশনায় মাদক ও চোরাচালানবিরোধী অভিযানের অংশ হিসেবে ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সদস্যরা এ অভিযান পরিচালনা করেন।
গ্রেপ্তার রশিদুল ইসলাম রতন উপজেলার মধ্য ভরতের ছড়া এলাকার তফিজ উদ্দিনের ছেলে। পুলিশের অভিযোগ, তিনি একটি চক্রের মাধ্যমে ভারতীয় অবৈধ মোবাইল ফোন দেশের বিভিন্ন শপিংমল ও দোকানে সরবরাহ করতেন। এ কাজে তাঁর কয়েকজন নিকটাত্মীয়ও জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন জানান, রতনকে গ্রেপ্তারে এর আগেও একাধিকবার অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল। তবে প্রতিবারই তিনি কৌশলে পুলিশের নাগালের বাইরে চলে যান। অবশেষে পুলিশের বিশেষ অভিযানে তাঁকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার আসামির বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে জানা গেছে।
