রোববার, ২৪ মে ২০২৬
চেকপোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

সরকারি অর্থ ব্যবহারের অভিযোগেও উঠছে প্রশ্ন

নীলফামারীতে ১২ কোটি টাকার সরকারি জমি দখলের অভিযোগ, ইউপি চেয়ারম্যান

নীলফামারীতে ১২ কোটি টাকার সরকারি জমি দখলের অভিযোগ, ইউপি চেয়ারম্যান
সরকারি খাস জমিতে হোটেল-অফিস-কবুতর খামার! ইউপি চেয়ারম্যান। ছবি : চেকপোস্ট

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়নে প্রায় ১২ কোটি টাকা মূল্যের সরকারি খাস জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও হাট বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী গ্রেনেট বাবুর বিরুদ্ধে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, সড়ক সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ খাস জমিতে হোটেল, অফিস রুম, বসার ঘর এবং পুকুরের ওপর রান্নাঘর, টিভি রুম ও কবুতর খামার নির্মাণ করে সরকারি সম্পত্তি দখল করা হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, এসব স্থাপনার কিছু অংশ রাতের আঁধারে নির্মাণ করা হয় এবং পরবর্তীতে তা ভাড়া দেওয়া হয়। এছাড়া এলাকাবাসীর অভিযোগ, পুকুরপাড়ে গাইডওয়াল নির্মাণ ও মাটি ভরাটের নামে আরও সরকারি জমি দখল করা হয়েছে। সন্ধ্যার পর ওই এলাকায় মাদকের আড্ডার অভিযোগও উঠেছে।

ইউনিয়ন ভূমি অফিস সূত্র জানায়, কিশোরগঞ্জ বাজারের ১ নম্বর খাস খতিয়ানের ৬৭ দাগে প্রায় ২ একর ৬৩ শতাংশ সরকারি জমি রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ জমি দখল করে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ১২ কোটি টাকা বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

গত ১৪ মে সংসদ সদস্য, উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে বাজার এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। ওই সময় পুকুর ও দখলকৃত স্থাপনা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়।

সরেজমিন পরিদর্শনে প্রশাসন অভিযোগের কিছু সত্যতা পায় বলে জানা গেছে। পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও অবৈধ দখল উচ্ছেদের দাবি জানান।

তবে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান দাবি করেন, প্রয়োজন হলে সরকারি জমি ছেড়ে দেবেন এবং তিনি একা নন, আরও অনেকে দখলে রয়েছে। তার মতে, কিছু উন্নয়নমূলক কাজের অংশ হিসেবেই এসব স্থাপনা করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অভিযোগগুলো তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

#নীলফামারী_সংবাদ #সরকারি_জমি #দখল_অভিযোগ

চেকপোস্ট

রোববার, ২৪ মে ২০২৬


নীলফামারীতে ১২ কোটি টাকার সরকারি জমি দখলের অভিযোগ, ইউপি চেয়ারম্যান

প্রকাশের তারিখ : ২৪ মে ২০২৬

featured Image

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ সদর ইউনিয়নে প্রায় ১২ কোটি টাকা মূল্যের সরকারি খাস জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান ও হাট বাজার ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী গ্রেনেট বাবুর বিরুদ্ধে।

অভিযোগে বলা হয়েছে, সড়ক সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ খাস জমিতে হোটেল, অফিস রুম, বসার ঘর এবং পুকুরের ওপর রান্নাঘর, টিভি রুম ও কবুতর খামার নির্মাণ করে সরকারি সম্পত্তি দখল করা হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, এসব স্থাপনার কিছু অংশ রাতের আঁধারে নির্মাণ করা হয় এবং পরবর্তীতে তা ভাড়া দেওয়া হয়। এছাড়া এলাকাবাসীর অভিযোগ, পুকুরপাড়ে গাইডওয়াল নির্মাণ ও মাটি ভরাটের নামে আরও সরকারি জমি দখল করা হয়েছে। সন্ধ্যার পর ওই এলাকায় মাদকের আড্ডার অভিযোগও উঠেছে।

ইউনিয়ন ভূমি অফিস সূত্র জানায়, কিশোরগঞ্জ বাজারের ১ নম্বর খাস খতিয়ানের ৬৭ দাগে প্রায় ২ একর ৬৩ শতাংশ সরকারি জমি রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ জমি দখল করে বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণ করা হয়েছে, যার বাজারমূল্য প্রায় ১২ কোটি টাকা বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

গত ১৪ মে সংসদ সদস্য, উপজেলা প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উপস্থিতিতে বাজার এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান চালানো হয়। ওই সময় পুকুর ও দখলকৃত স্থাপনা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হয়।

সরেজমিন পরিদর্শনে প্রশাসন অভিযোগের কিছু সত্যতা পায় বলে জানা গেছে। পরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও অবৈধ দখল উচ্ছেদের দাবি জানান।

তবে অভিযুক্ত চেয়ারম্যান দাবি করেন, প্রয়োজন হলে সরকারি জমি ছেড়ে দেবেন এবং তিনি একা নন, আরও অনেকে দখলে রয়েছে। তার মতে, কিছু উন্নয়নমূলক কাজের অংশ হিসেবেই এসব স্থাপনা করা হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জানিয়েছেন, অভিযোগগুলো তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।


চেকপোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেকপোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত