সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীরা নিয়োগের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা। বিষয়টি ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে জড়ো হন প্রার্থীরা। পরে বেলা ১১টার দিকে মিছিল নিয়ে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান নেন তারা।
আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও যারা নিয়োগপত্র পাননি, তাদের দ্রুত নিয়োগপত্র দিতে হবে। একই সঙ্গে যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ নিশ্চিত করার দাবিও জানিয়েছেন তারা।
দুপুরের দিকে শাহবাগ থানার মধ্যস্থতায় আন্দোলনকারীদের পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা হবে বলে জানা গেছে।
প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর চূড়ান্ত ফলে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থী নিয়োগের জন্য নির্বাচিত হন। গত ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে নির্বাচিতদের নিয়োগপত্র ও পদায়ন প্রক্রিয়া শুরু হয়। তবে বিভিন্ন জেলায় চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত কিছু প্রার্থী এখনো নিয়োগপত্র পাননি।
আন্দোলনকারীদের দাবি, ভেরিফিকেশনসহ নিয়োগপ্রক্রিয়ার শেষ ধাপে এসে অনেক প্রার্থী নিয়োগপত্র থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। কেন তাদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি, সে বিষয়ে স্পষ্ট কারণ জানানোরও দাবি জানিয়েছেন তারা।
তাদের আরও দাবি, বিভিন্ন দপ্তরে আটকে থাকা আবেদন ও ফাইলের বর্তমান অবস্থা জানিয়ে দ্রুত নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করতে হবে। কোনো আবেদন অসম্পূর্ণ থাকলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে ঘাটতি কাগজপত্র ও পরবর্তী করণীয় লিখিতভাবে জানানোর দাবিও রয়েছে।
তবে নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীর সংখ্যা নিয়ে আন্দোলনকারীদের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। তাই সুনির্দিষ্ট সংখ্যা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তথ্য প্রয়োজন।

রোববার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীরা নিয়োগের দাবিতে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন তারা। বিষয়টি ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬-এ বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমেও প্রকাশিত হয়েছে।
রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সকালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে জড়ো হন প্রার্থীরা। পরে বেলা ১১টার দিকে মিছিল নিয়ে শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের সামনে অবস্থান নেন তারা।
আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েও যারা নিয়োগপত্র পাননি, তাদের দ্রুত নিয়োগপত্র দিতে হবে। একই সঙ্গে যোগ্য প্রার্থীদের নিয়োগ নিশ্চিত করার দাবিও জানিয়েছেন তারা।
দুপুরের দিকে শাহবাগ থানার মধ্যস্থতায় আন্দোলনকারীদের পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যার সমাধানের চেষ্টা করা হবে বলে জানা গেছে।
প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর চূড়ান্ত ফলে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থী নিয়োগের জন্য নির্বাচিত হন। গত ২৪ সেপ্টেম্বর থেকে নির্বাচিতদের নিয়োগপত্র ও পদায়ন প্রক্রিয়া শুরু হয়। তবে বিভিন্ন জেলায় চূড়ান্ত সুপারিশপ্রাপ্ত কিছু প্রার্থী এখনো নিয়োগপত্র পাননি।
আন্দোলনকারীদের দাবি, ভেরিফিকেশনসহ নিয়োগপ্রক্রিয়ার শেষ ধাপে এসে অনেক প্রার্থী নিয়োগপত্র থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। কেন তাদের নিয়োগপত্র দেওয়া হয়নি, সে বিষয়ে স্পষ্ট কারণ জানানোরও দাবি জানিয়েছেন তারা।
তাদের আরও দাবি, বিভিন্ন দপ্তরে আটকে থাকা আবেদন ও ফাইলের বর্তমান অবস্থা জানিয়ে দ্রুত নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করতে হবে। কোনো আবেদন অসম্পূর্ণ থাকলে সংশ্লিষ্ট প্রার্থীকে ঘাটতি কাগজপত্র ও পরবর্তী করণীয় লিখিতভাবে জানানোর দাবিও রয়েছে।
তবে নিয়োগপত্র না পাওয়া প্রার্থীর সংখ্যা নিয়ে আন্দোলনকারীদের বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ভিন্ন ভিন্ন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। তাই সুনির্দিষ্ট সংখ্যা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তথ্য প্রয়োজন।
