ইবি উপচার্যের সাথে চীনা রাষ্ট্রদূতের বৈঠক

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) চীনা ভাষা (মান্দারিন) শিক্ষা, কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা এবং শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিনিময় সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ঢাকায় অবস্থিত চীনা দূতাবাসে রাষ্ট্রদূতের সাথে বৈঠক করেছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ।
বুধবার (৫ ফেব্রুয়ারি ) বিকাল ৩টায় ঢাকার গুলশানে অবস্থিত চীনা দূতাবাসে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় চীনা দূতাবাসের সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা লি শাওপেং উপস্থিত ছিলেন।
চীনের সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা লি শাওপেং বলেন, “চলতি বছর থেকেই ইবিতে চীনা ভাষা কোর্স চালু এবং কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউটের (দর্শন) আওতায় সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করার আশ্বস্থ করা হয় এবং আগামী এপ্রিল মাসে উপাচার্যের আমন্ত্রণে চীনা দূতাবাসের প্রতিনিধিদল ইবি ক্যাম্পাস পরিদর্শনে আসবে সেটাও জানানো হয়।”
উপাচার্য অধ্যাপক ড. নকীব মোহাম্মদ নসরুল্লাহ গত ৬-১১ জুলাই ২০২৫ পর্যন্ত চীন সফর করেন। সফরকালে চীনের তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত করেন এবং শিক্ষার্থীদের জন্য সম্ভাব্য স্কলারশিপ সুবিধা নিয়েও ইতিবাচক অগ্রগতি অর্জিত হবে বলে জানা যায়।
আরো জানা যায়, এই উদ্যোগ ইবির আন্তর্জাতিক শিক্ষা ও গবেষণা সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। সফরের প্রধান লক্ষ্য ছিল ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে চীনা ভাষা শিক্ষা কার্যক্রম চালু করা, একটি কনফুসিয়াস সেন্টার প্রতিষ্ঠার ভিত্তি তৈরি করা এবং শিক্ষার্থীদের জন্য উচ্চশিক্ষা ও প্রশিক্ষণের নতুন সুযোগ সৃষ্টি করা।
চীনের তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের ফলে যৌথ শিক্ষা, গবেষণা ও একাডেমিক সহযোগিতা আরও সহজতর হবে। একই সঙ্গে ইবির শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা চীনে গিয়ে উচ্চশিক্ষা, প্রশিক্ষণ ও একাডেমিক বিনিময় কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার সুযোগ পাবেন। ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার অংশ হিসেবে চলতি বছরের শেষের ইবিতে চীনা ভাষার সার্টিফিকেট কোর্স চালুর প্রস্তুতি নেয়া হবে ও পাশাপাশি কনফুসিয়াস ইনস্টিটিউট স্থাপনের প্রক্রিয়াও দ্রুত এগিয়ে নেয়ার বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনা হয়।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মতে, “এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে আন্তর্জাতিক মানের ভাষা শিক্ষা ও গবেষণার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।সামগ্রিকভাবে এই উদ্যোগকে ইবি-এর শিক্ষা ব্যবস্থার আন্তর্জাতিকীকরণ, বৈশ্বিক একাডেমিক সংযোগ সম্প্রসারণ এবং শিক্ষার্থীদের নতুন শিক্ষাগত সম্ভাবনা সৃষ্টির ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা যাবে”


























