চুনারুঘাট উপজেলার আতিকপুর গ্রামে এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে, যেখানে পিতা আব্দুর রউফ তার দুই কন্যা শিশুকে বিষপানে হত্যা করে নিজেও আত্মহত্যা করেছেন।
নিহত আব্দুর রউফের মা জরিনা খাতুনের সঙ্গে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে আলাপকালে তিনি জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে আব্দুর রউফ ও তার স্ত্রী হাফিজা খাতুনের মধ্যে পরকীয়াজনিত বিষয় নিয়ে ঝগড়া হয়। ঝগড়ার একপর্যায়ে স্ত্রী হাফিজা খাতুন তার কন্যা তানিশাকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। এরপর ক্ষোভ ও হতাশায় আব্দুর রউফ তার দুই শিশু কন্যা খাদিজা খাতুন (৭) ও আয়েশা খাতুন (৫)-কে বিষপানে হত্যা করেন এবং পরে নিজেও বিষপান করেন। এ বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, শিশু দুটি হাসপাতালে আনার পর তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়। আব্দুর রউফকে চিকিৎসা দেওয়া হলেও শুক্রবার দুপুরে তিনিও মৃত্যুবরণ করেন। নিহতদের ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। এই হৃদয়বিদারক ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৫
চুনারুঘাট উপজেলার আতিকপুর গ্রামে এক মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে, যেখানে পিতা আব্দুর রউফ তার দুই কন্যা শিশুকে বিষপানে হত্যা করে নিজেও আত্মহত্যা করেছেন।
নিহত আব্দুর রউফের মা জরিনা খাতুনের সঙ্গে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে আলাপকালে তিনি জানান, বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে আব্দুর রউফ ও তার স্ত্রী হাফিজা খাতুনের মধ্যে পরকীয়াজনিত বিষয় নিয়ে ঝগড়া হয়। ঝগড়ার একপর্যায়ে স্ত্রী হাফিজা খাতুন তার কন্যা তানিশাকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে যান। এরপর ক্ষোভ ও হতাশায় আব্দুর রউফ তার দুই শিশু কন্যা খাদিজা খাতুন (৭) ও আয়েশা খাতুন (৫)-কে বিষপানে হত্যা করেন এবং পরে নিজেও বিষপান করেন। এ বিষয়ে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, শিশু দুটি হাসপাতালে আনার পর তাদের মৃত ঘোষণা করা হয়। আব্দুর রউফকে চিকিৎসা দেওয়া হলেও শুক্রবার দুপুরে তিনিও মৃত্যুবরণ করেন। নিহতদের ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে লাশ হস্তান্তর করা হয়েছে। এই হৃদয়বিদারক ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।