চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

লাখাইয়ে প্রকাশ্যে ফসলি জমির টপ সয়েল উওোলন

প্রকাশ : ১৫ জানুয়ারি ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
লাখাইয়ে প্রকাশ্যে ফসলি জমির টপ সয়েল উওোলন
লাখাই উপজেলায় দিনেদুপুরে প্রকাশ্যে চলছে ফসলি জমির মাটি কর্তন, যা বর্তমানে জমির উর্বরতা হ্রাসের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে অদূর ভবিষ্যতে খাদ্য সংকটের সৃষ্টি হতে পারে। এনিয়ে কৃষি বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, কারণ ফসলি জমির টপ সয়েল কর্তন করতে গিয়ে জমির উর্বরতা কমে যাচ্ছে, যা পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে হুমকি সৃষ্টি করছে। জমির টপ সয়েল সরিয়ে ফেললে তার ফলে জমির পানি ধারণ ক্ষমতা কমে যায় এবং জলবায়ু পরিবর্তনও আরও ত্বরান্বিত হয়। অবশ্য সরকারি বিধিমালা থাকা সত্ত্বেও, ফসলি জমির টপ সয়েল কর্তনকারীরা তা অমান্য করছেন। প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের দাবি, জনবসতির বিস্তার এবং জমির যথেচ্ছ ব্যবহার এ সমস্যার কারণ। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা সুলতানা বলেন, "বর্তমানে আমি একাই এই দায়িত্ব পালন করছি, কারণ সহকারী ভূমি কমিশনার প্রশিক্ষণে আছেন। তবে আমি চেষ্টা করছি, যতটুকু সম্ভব, জমির টপ সয়েল কর্তন রোধ করার জন্য ব্যবস্থা নিতে। ইতিমধ্যে কিছু লোককে আইন অনুযায়ী জরিমানা করা হয়েছে এবং অভিযান অব্যাহত থাকবে।" লাখাই উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের হাওর এবং বন্দে প্রকাশ্যে ফসলি জমির টপ সয়েল ও বালু তোলার কাজ চলছে। এগুলো পরিবেশের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে, যা স্থানীয় পরিবেশবিদরা প্রতিনিয়ত উদ্বেগের সাথে দেখছেন। স্থানীয়রা এবং পরিবেশ সংগঠনগুলো দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে করে এই অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করা যায়। তারা মনে করেন, সচেতনতার মাধ্যমে জনসাধারণের মধ্যে পরিবেশ সুরক্ষার গুরুত্ব আরও বেশি করে তুলে ধরা উচিত।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


লাখাইয়ে প্রকাশ্যে ফসলি জমির টপ সয়েল উওোলন

প্রকাশের তারিখ : ১৫ জানুয়ারি ২০২৫

featured Image
লাখাই উপজেলায় দিনেদুপুরে প্রকাশ্যে চলছে ফসলি জমির মাটি কর্তন, যা বর্তমানে জমির উর্বরতা হ্রাসের প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই অবস্থা চলতে থাকলে অদূর ভবিষ্যতে খাদ্য সংকটের সৃষ্টি হতে পারে। এনিয়ে কৃষি বিশেষজ্ঞরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, কারণ ফসলি জমির টপ সয়েল কর্তন করতে গিয়ে জমির উর্বরতা কমে যাচ্ছে, যা পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রাখতে হুমকি সৃষ্টি করছে। জমির টপ সয়েল সরিয়ে ফেললে তার ফলে জমির পানি ধারণ ক্ষমতা কমে যায় এবং জলবায়ু পরিবর্তনও আরও ত্বরান্বিত হয়। অবশ্য সরকারি বিধিমালা থাকা সত্ত্বেও, ফসলি জমির টপ সয়েল কর্তনকারীরা তা অমান্য করছেন। প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের দাবি, জনবসতির বিস্তার এবং জমির যথেচ্ছ ব্যবহার এ সমস্যার কারণ। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা সুলতানা বলেন, "বর্তমানে আমি একাই এই দায়িত্ব পালন করছি, কারণ সহকারী ভূমি কমিশনার প্রশিক্ষণে আছেন। তবে আমি চেষ্টা করছি, যতটুকু সম্ভব, জমির টপ সয়েল কর্তন রোধ করার জন্য ব্যবস্থা নিতে। ইতিমধ্যে কিছু লোককে আইন অনুযায়ী জরিমানা করা হয়েছে এবং অভিযান অব্যাহত থাকবে।" লাখাই উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের হাওর এবং বন্দে প্রকাশ্যে ফসলি জমির টপ সয়েল ও বালু তোলার কাজ চলছে। এগুলো পরিবেশের ওপর মারাত্মক প্রভাব ফেলছে, যা স্থানীয় পরিবেশবিদরা প্রতিনিয়ত উদ্বেগের সাথে দেখছেন। স্থানীয়রা এবং পরিবেশ সংগঠনগুলো দ্রুত প্রশাসনিক হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন, যাতে করে এই অবৈধ কার্যক্রম বন্ধ করা যায়। তারা মনে করেন, সচেতনতার মাধ্যমে জনসাধারণের মধ্যে পরিবেশ সুরক্ষার গুরুত্ব আরও বেশি করে তুলে ধরা উচিত।

চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত