চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

লাখাইয়ে পূর্ব ভাদিকারা সপ্রাবি'তে সিলিং ফ্যান চুরি, শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি

প্রকাশ : ০৯ এপ্রিল ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
লাখাইয়ে পূর্ব ভাদিকারা সপ্রাবি'তে সিলিং ফ্যান চুরি, শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার বামৈ ইউনিয়নের পূর্ব ভাদিকারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (সপ্রাবি) শ্রেণিকক্ষ থেকে ৫টি সিলিং ফ্যান চুরি হয়েছে। ঈদুল ফিতরের ছুটির পর স্কুল খুলতেই বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে।

জানা যায়, বিদ্যালয়ের দুটি শ্রেণিকক্ষ থেকে একটি কক্ষের ৩টি ও অন্য একটি কক্ষের ২টি ফ্যান চুরি হয়। এতে চলমান তীব্র গরমে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সমির চন্দ্র দাস বলেন, “ঈদের ছুটির মধ্যে কোনো এক সময় এই চুরির ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে আমি স্কুলে এসেছিলাম, তখন পর্যন্ত এমন কিছু ছিল না।” তিনি আরও জানান, “বিদ্যালয় চত্বরে স্থানীয় বখাটেদের আড্ডা দেখা যায়, এর আগেও দু-একবার চুরির ঘটনা ঘটেছে। সেসময় থানায় লিখিত অভিযোগ করার পর পরিস্থিতি কিছুটা ভালো হয়েছিল।”

তবে এবারের ঘটনার বিষয়ে এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ করা হয়নি বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের সভাপতি ও সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা প্রনয় কুমার মালদার বলেন, “প্রধান শিক্ষক আমাকে বিষয়টি জানিয়েছেন, এবং আমি তাকে থানায় অভিযোগ করতে বলেছি।” তিনি আরও বলেন, “বিদ্যালয়ে দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরী না থাকায় বারবার চুরির ঘটনা ঘটছে। উপজেলার যেসব বিদ্যালয়ে এখনো এই পদ নেই, সেখানে একজন নৈশপ্রহরী নিয়োগ দেয়া অত্যন্ত জরুরি।”

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জামাল উদ্দিন জানান, “আমি এখনো চুরির এ ঘটনার বিষয়ে কিছু জানি না। তবে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে।”

বিদ্যালয়ে একের পর এক চুরির ঘটনায় স্থানীয় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা উদ্বিগ্ন। দ্রুত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার ও চুরি হওয়া ফ্যান পুনঃস্থাপনের দাবি জানিয়েছেন তারা।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


লাখাইয়ে পূর্ব ভাদিকারা সপ্রাবি'তে সিলিং ফ্যান চুরি, শিক্ষার্থীদের চরম ভোগান্তি

প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৫

featured Image

হবিগঞ্জের লাখাই উপজেলার বামৈ ইউনিয়নের পূর্ব ভাদিকারা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের (সপ্রাবি) শ্রেণিকক্ষ থেকে ৫টি সিলিং ফ্যান চুরি হয়েছে। ঈদুল ফিতরের ছুটির পর স্কুল খুলতেই বিষয়টি শিক্ষকদের নজরে আসে।

জানা যায়, বিদ্যালয়ের দুটি শ্রেণিকক্ষ থেকে একটি কক্ষের ৩টি ও অন্য একটি কক্ষের ২টি ফ্যান চুরি হয়। এতে চলমান তীব্র গরমে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছে।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সমির চন্দ্র দাস বলেন, “ঈদের ছুটির মধ্যে কোনো এক সময় এই চুরির ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে আমি স্কুলে এসেছিলাম, তখন পর্যন্ত এমন কিছু ছিল না।” তিনি আরও জানান, “বিদ্যালয় চত্বরে স্থানীয় বখাটেদের আড্ডা দেখা যায়, এর আগেও দু-একবার চুরির ঘটনা ঘটেছে। সেসময় থানায় লিখিত অভিযোগ করার পর পরিস্থিতি কিছুটা ভালো হয়েছিল।”

তবে এবারের ঘটনার বিষয়ে এখনো থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ করা হয়নি বলে জানান তিনি।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের সভাপতি ও সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা প্রনয় কুমার মালদার বলেন, “প্রধান শিক্ষক আমাকে বিষয়টি জানিয়েছেন, এবং আমি তাকে থানায় অভিযোগ করতে বলেছি।” তিনি আরও বলেন, “বিদ্যালয়ে দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরী না থাকায় বারবার চুরির ঘটনা ঘটছে। উপজেলার যেসব বিদ্যালয়ে এখনো এই পদ নেই, সেখানে একজন নৈশপ্রহরী নিয়োগ দেয়া অত্যন্ত জরুরি।”

উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জামাল উদ্দিন জানান, “আমি এখনো চুরির এ ঘটনার বিষয়ে কিছু জানি না। তবে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হবে।”

বিদ্যালয়ে একের পর এক চুরির ঘটনায় স্থানীয় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা উদ্বিগ্ন। দ্রুত নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার ও চুরি হওয়া ফ্যান পুনঃস্থাপনের দাবি জানিয়েছেন তারা।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত