চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

লাখাইয়ে দু'পক্ষের সংঘর্ষে শতাধিক আহত

প্রকাশ : ০১ এপ্রিল ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
লাখাইয়ে দু'পক্ষের সংঘর্ষে শতাধিক আহত
হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলার মুড়িয়াউক ইউনিয়নের তেঘরিয়া গ্রামে দু'পক্ষের সংঘর্ষে নারী-পুরুষসহ শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তেঘরিয়া গ্রামের হাজী তাহের মিয়া ও আবদুল মজিদ মিয়ার লোকজনের মধ্যে ২৭ রমজান ঢাকা মিরপুরে ব্যবসায়িক বিষয় নিয়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জেরে রোববার (তারিখ উল্লেখ নেই) দুপুরে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী চলা এ সংঘর্ষে শতাধিক ব্যক্তি আহত হন। সংঘর্ষের খবর পেয়ে লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বন্দে আলী, পুলিশের উপপরিদর্শক নুরুল ইসলাম মোল্লাসহ একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিরা হলেন নাজমুল, লোকমান, জাবেদ, জাহাঙ্গীর, হারুন, লিটন ও রোখনসহ আরও ৭০-৮০ জন নারী-পুরুষ। আহতদের লাখাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং গুরুতর আহতদের হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট আধুনিক হাসপাতালে পাঠানো হয়। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, সংঘর্ষে আহত দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ বিষয়ে লাখাই থানার ওসি মো. বন্দে আলী জানান, সংঘর্ষের সংবাদ পেয়ে তিনি পুলিশের একটি দল নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ ঘটনায় চারজনকে আটক করা হয়েছে এবং তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এদিকে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অনুপম দাস অনুপের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি সংঘর্ষের বিষয়ে অবগত নন বলে জানান। বর্তমানে তেঘরিয়া গ্রামে পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।  

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


লাখাইয়ে দু'পক্ষের সংঘর্ষে শতাধিক আহত

প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৫

featured Image
হবিগঞ্জ জেলার লাখাই উপজেলার মুড়িয়াউক ইউনিয়নের তেঘরিয়া গ্রামে দু'পক্ষের সংঘর্ষে নারী-পুরুষসহ শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, তেঘরিয়া গ্রামের হাজী তাহের মিয়া ও আবদুল মজিদ মিয়ার লোকজনের মধ্যে ২৭ রমজান ঢাকা মিরপুরে ব্যবসায়িক বিষয় নিয়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এর জেরে রোববার (তারিখ উল্লেখ নেই) দুপুরে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। প্রায় এক ঘণ্টাব্যাপী চলা এ সংঘর্ষে শতাধিক ব্যক্তি আহত হন। সংঘর্ষের খবর পেয়ে লাখাই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বন্দে আলী, পুলিশের উপপরিদর্শক নুরুল ইসলাম মোল্লাসহ একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিরা হলেন নাজমুল, লোকমান, জাবেদ, জাহাঙ্গীর, হারুন, লিটন ও রোখনসহ আরও ৭০-৮০ জন নারী-পুরুষ। আহতদের লাখাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে জরুরি বিভাগে চিকিৎসা দেওয়া হয় এবং গুরুতর আহতদের হবিগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট আধুনিক হাসপাতালে পাঠানো হয়। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, সংঘর্ষে আহত দুইজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। এ বিষয়ে লাখাই থানার ওসি মো. বন্দে আলী জানান, সংঘর্ষের সংবাদ পেয়ে তিনি পুলিশের একটি দল নিয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। এ ঘটনায় চারজনকে আটক করা হয়েছে এবং তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। এদিকে, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অনুপম দাস অনুপের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি সংঘর্ষের বিষয়ে অবগত নন বলে জানান। বর্তমানে তেঘরিয়া গ্রামে পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।  

চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত