রাজধানী ঢাকার দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যা নিরসনে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী ছয় মাসের মধ্যে আরও ৫০টি আধুনিক ট্রাফিক সিগন্যাল বাতি স্থাপন করা হবে। এর মধ্যে ১৫টির কাজ ইতোমধ্যে চলমান, আর নতুন করে ৩৫টি পয়েন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) প্রণীত এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দুই সিটি করপোরেশন ও ঢাকা মহানগর পুলিশকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগে অনুষ্ঠিত এক সমন্বয় সভায় এ বিষয়ে জোর দেওয়া হয়।
বর্তমানে রাজধানীর সাতটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে আধুনিক ট্রাফিক সিগন্যাল চালু রয়েছে জাহাঙ্গীর গেট, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে, বিজয় সরণি, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়, বাংলামোটর, কাওরান বাজার ও ফার্মগেট। চলমান ১৫টি প্রকল্পের বেশিরভাগই শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং এগুলো আগামী ছয় মাসের মধ্যেই চালু হবে।
নতুন করে চিহ্নিত ৩৫টি স্থানের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণে ১৮টি এবং উত্তরে ১৭টি পয়েন্ট রয়েছে। এসব স্থানে দ্রুত কাজ শেষ করতে বুয়েট নকশা প্রস্তুত করছে এবং সিটি করপোরেশনগুলো অবকাঠামোগত কাজ সম্পন্ন করবে।
এই আধুনিক সিগন্যাল ব্যবস্থায় থাকবে ‘প্রগ্রেসিভ সিগন্যালিং’ ও স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তি। পাশাপাশি প্রতিটি সিগন্যাল পয়েন্টে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে। যানজট ও জনদুর্ভোগ কমাতে রাতের বেলায় অধিকাংশ স্থাপন কাজ সম্পন্ন করা হবে।
নতুন সিস্টেমটি সেমি-অটোমেটেড হওয়ায় প্রয়োজন অনুযায়ী ম্যানুয়াল ও স্বয়ংক্রিয় দুইভাবেই পরিচালনা করা যাবে। ফলে যানবাহনের চাপ অনুযায়ী সিগন্যাল সময় সমন্বয় করা সম্ভব হবে।
এই ব্যবস্থা চালু হলে ট্রাফিক পুলিশকে আর রাস্তায় দাঁড়িয়ে যান নিয়ন্ত্রণ করতে হবে না। সিগন্যাল সিস্টেম থেকেই পুরো ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করা যাবে, তবে প্রয়োজনে পুলিশ যেকোনো সময় হস্তক্ষেপ করতে পারবে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, ধাপে ধাপে ১২০টি গুরুত্বপূর্ণ ক্রসিংয়ে এই আধুনিক সিগন্যাল চালু হলে রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
রাজধানী ঢাকার দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যা নিরসনে নতুন উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আগামী ছয় মাসের মধ্যে আরও ৫০টি আধুনিক ট্রাফিক সিগন্যাল বাতি স্থাপন করা হবে। এর মধ্যে ১৫টির কাজ ইতোমধ্যে চলমান, আর নতুন করে ৩৫টি পয়েন্ট চিহ্নিত করা হয়েছে।
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) প্রণীত এই পরিকল্পনা বাস্তবায়নে দুই সিটি করপোরেশন ও ঢাকা মহানগর পুলিশকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় সরকার বিভাগে অনুষ্ঠিত এক সমন্বয় সভায় এ বিষয়ে জোর দেওয়া হয়।
বর্তমানে রাজধানীর সাতটি গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে আধুনিক ট্রাফিক সিগন্যাল চালু রয়েছে জাহাঙ্গীর গেট, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে, বিজয় সরণি, হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়, বাংলামোটর, কাওরান বাজার ও ফার্মগেট। চলমান ১৫টি প্রকল্পের বেশিরভাগই শেষ পর্যায়ে রয়েছে এবং এগুলো আগামী ছয় মাসের মধ্যেই চালু হবে।
নতুন করে চিহ্নিত ৩৫টি স্থানের মধ্যে ঢাকা দক্ষিণে ১৮টি এবং উত্তরে ১৭টি পয়েন্ট রয়েছে। এসব স্থানে দ্রুত কাজ শেষ করতে বুয়েট নকশা প্রস্তুত করছে এবং সিটি করপোরেশনগুলো অবকাঠামোগত কাজ সম্পন্ন করবে।
এই আধুনিক সিগন্যাল ব্যবস্থায় থাকবে ‘প্রগ্রেসিভ সিগন্যালিং’ ও স্বয়ংক্রিয় নিয়ন্ত্রণ প্রযুক্তি। পাশাপাশি প্রতিটি সিগন্যাল পয়েন্টে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের ব্যবস্থাও রাখা হচ্ছে। যানজট ও জনদুর্ভোগ কমাতে রাতের বেলায় অধিকাংশ স্থাপন কাজ সম্পন্ন করা হবে।
নতুন সিস্টেমটি সেমি-অটোমেটেড হওয়ায় প্রয়োজন অনুযায়ী ম্যানুয়াল ও স্বয়ংক্রিয় দুইভাবেই পরিচালনা করা যাবে। ফলে যানবাহনের চাপ অনুযায়ী সিগন্যাল সময় সমন্বয় করা সম্ভব হবে।
এই ব্যবস্থা চালু হলে ট্রাফিক পুলিশকে আর রাস্তায় দাঁড়িয়ে যান নিয়ন্ত্রণ করতে হবে না। সিগন্যাল সিস্টেম থেকেই পুরো ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করা যাবে, তবে প্রয়োজনে পুলিশ যেকোনো সময় হস্তক্ষেপ করতে পারবে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, ধাপে ধাপে ১২০টি গুরুত্বপূর্ণ ক্রসিংয়ে এই আধুনিক সিগন্যাল চালু হলে রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় দৃশ্যমান পরিবর্তন আসবে।
