আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, উন্নত চিকিৎসা সুবিধার অভাবে একসময় কুষ্ঠ রোগকে অভিশাপ হিসেবে দেখা হতো। তবে স্বাধীনতার আগ থেকেই এ রোগের বিষয়ে প্রতিষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু হয়। বর্তমানে উন্নত চিকিৎসা ও জনসচেতনতার ফলে কুষ্ঠ রোগ নিরাময় করা সম্ভব। সরকারী প্রতিষ্ঠান ছাড়াও অনেক বেসরকারি সংস্থা কুষ্ঠ রোগীদের কল্যাণে কাজ করছে।
বক্তারা আরও বলেন, প্রাথমিক স্তরে রোগটি শনাক্ত করা গেলে বাড়ি থেকেই চিকিৎসা গ্রহণ সম্ভব। পাশাপাশি জটিল রোগীদের জন্য বিশেষায়িত হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা ব্যবস্থা রয়েছে। কুষ্ঠ রোগ নিয়ে কুসংস্কার দূর ও সচেতনতা বৃদ্ধি করা গেলে রোগীরা সাচ্ছন্দ্যে চিকিৎসা নিতে পারবেন।
সভায় খুলনা ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. মো. রফিকুল ইসলাম গাজী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বি-সার্কেল) মো. খায়রুল আনাম, সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডা. শেখ সাদিয়া মনোয়ারা উষা, চিকিৎসক, নার্স এবং কুষ্ঠ রোগ নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন এনজিও প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে দিবসটি উপলক্ষ্যে খুলনা সিভিল সার্জন কার্যালয় থেকে একটি বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের করা হয়। শোভাযাত্রায় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন। এই আয়োজন কুষ্ঠ রোগ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে বলে আয়োজকরা জানিয়েছেন।