চেক পোস্ট

মূল পাতা

আইন আদালত

পুলিশ প্লাজার সামনে যুবক খুনের ঘটনায় মামলা

প্রকাশ : ২১ মার্চ ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
পুলিশ প্লাজার সামনে যুবক খুনের ঘটনায় মামলা

গুলশানের পুলিশ প্লাজার সামনে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে সুমন মিয়া ওরফে টেলি সুমন (৩৩) গুলি করে হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। শুক্রবার (২১ মার্চ) গুলশান থানায় বাদী হয়ে মামলা করেছেন নিহতের স্ত্রী মৌসুমী আক্তার।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুর রহমান জানান, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে পুলিশ আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করেছে। সেগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করার পর গ্রেফতারে কাজ করছে পুলিশ।

মামলার এজাহারে মৌসুমী আক্তার অভিযোগ করেন, তার স্বামী সুমন মহাখালী টিবি গেট এলাকায় প্রিয়জন নামক ইন্টারনেট ব্যবসা চালাতেন। ইন্টারনেট ব্যবসার কারণে কিছু প্রতিপক্ষ গ্রুপ সৃষ্টি হয়, যারা প্রায় সময় সুমনকে প্রাণনাশের হুমকি দিত। সুমন তার স্ত্রীকে জানিয়ে ছিলেন যে, তার জীবনহানি ঘটতে পারে। এছাড়া সুমনের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় কিছু লোকের সঙ্গে তার বিরোধ ছিল।

এজাহারে আরও বলা হয়, ২০ মার্চ রাত ৯টার দিকে সুমন গুলশান পুলিশ প্লাজার উত্তর পশ্চিম পাশে ফজলে রাব্বি পার্কের পূর্ব দিকে বেঞ্চে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। এ সময় অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীরা পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাতাড়ি গুলি করতে থাকে। সুমন নিজের জীবন বাঁচাতে দৌড়ানোর চেষ্টা করলেও সন্ত্রাসীরা তাকে অনুসরণ করে পালিয়ে যায়। পরে সুমনের নিথর দেহ ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


পুলিশ প্লাজার সামনে যুবক খুনের ঘটনায় মামলা

প্রকাশের তারিখ : ২১ মার্চ ২০২৫

featured Image

গুলশানের পুলিশ প্লাজার সামনে গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে সুমন মিয়া ওরফে টেলি সুমন (৩৩) গুলি করে হত্যার ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। শুক্রবার (২১ মার্চ) গুলশান থানায় বাদী হয়ে মামলা করেছেন নিহতের স্ত্রী মৌসুমী আক্তার।

মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে গুলশান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাহমুদুর রহমান জানান, হত্যাকাণ্ডের পর থেকে পুলিশ আশপাশের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করেছে। সেগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে এবং জড়িতদের শনাক্ত করার পর গ্রেফতারে কাজ করছে পুলিশ।

মামলার এজাহারে মৌসুমী আক্তার অভিযোগ করেন, তার স্বামী সুমন মহাখালী টিবি গেট এলাকায় প্রিয়জন নামক ইন্টারনেট ব্যবসা চালাতেন। ইন্টারনেট ব্যবসার কারণে কিছু প্রতিপক্ষ গ্রুপ সৃষ্টি হয়, যারা প্রায় সময় সুমনকে প্রাণনাশের হুমকি দিত। সুমন তার স্ত্রীকে জানিয়ে ছিলেন যে, তার জীবনহানি ঘটতে পারে। এছাড়া সুমনের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় কিছু লোকের সঙ্গে তার বিরোধ ছিল।

এজাহারে আরও বলা হয়, ২০ মার্চ রাত ৯টার দিকে সুমন গুলশান পুলিশ প্লাজার উত্তর পশ্চিম পাশে ফজলে রাব্বি পার্কের পূর্ব দিকে বেঞ্চে বসে বিশ্রাম নিচ্ছিলেন। এ সময় অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসীরা পূর্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাতাড়ি গুলি করতে থাকে। সুমন নিজের জীবন বাঁচাতে দৌড়ানোর চেষ্টা করলেও সন্ত্রাসীরা তাকে অনুসরণ করে পালিয়ে যায়। পরে সুমনের নিথর দেহ ঢাকা মেডিকেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত