চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

পুঠিয়ার রাজবাড়ী ও জাদুঘরে উপচে পড়া ভিড়

প্রকাশ : ০১ এপ্রিল ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
পুঠিয়ার রাজবাড়ী ও জাদুঘরে উপচে পড়া ভিড়
ঈদ উপলক্ষে দেশে বিভিন্ন স্থান থেকে আসা দর্শনার্থীরা পুঠিয়ার রাজবাড়িতে নিরাপদে ঘুরে বেড়াতে পেরে আনন্দিত। পুঠিয়া রাজবাড়ী জাদুঘরের স্থানগুলো দেখার জন্য বিভিন্ন ধরনের টিকেটের ব্যবস্থা রয়েছে যার মূল্য চার ভাগে বিভক্ত। বিদেশি পর্যটকদের জন্য টিকিটের মূল্য ৪০০ টাকা, সার্কভুক্ত দেশের নাগরিকদের জন্য ২০০ টাকা, ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ১০ টাকা, এবং দেশের সাধারণ নাগরিকদের জন্য ৩০ টাকা নির্ধারিত হয়েছে। রাজবাড়ি ছাড়াও পুঠিয়ার রাজাদের স্মৃতি বিজড়িত বড় গোবিন্দ মন্দির, ছোট গোবিন্দ মন্দির, বড় শিবমন্দির, ছোট শিবমন্দির, বড় আহ্নিক মন্দির, ছোট আহ্নিক মন্দির, জগদ্ধাত্রী মন্দির, দোল মন্দির, রথ মন্দির, গোপাল মন্দির, সালামের মঠ, খিতিশচন্দ্রের মঠ, কেষ্ট খেপার মঠ, হাওয়া খানা, রানিঘাটসহ ১৫টি প্রাচীন স্থাপনা রয়েছে। সকাল দশটা থেকেই দর্শনার্থীরা রাজবাড়ী ও জাদুঘরের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখার জন্য আসতে শুরু করে। পুঠিয়ার রাজবাড়িতেই অল্প টাকায় সবগুলো স্থান সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত থাকে। রাজবাড়ীর আশপাশে ব্যবসা পরিচালনাকারী এক ব্যবসায়ী জানান, "রাজবাড়ী জাদুঘরে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। আশা করা যায় আগামীকাল উপস্থিতি আরও বৃদ্ধি পাবে। মানুষের উপস্থিতি বেশি থাকায় আমাদের ব্যবসা ভালো হচ্ছে।" একজন পর্যটক জানান, "আমি চট্টগ্রামে চাকরি করি। ছুটিতে এসে সপরিবারে পুঠিয়া রাজবাড়ী ও জাদুঘর ঘুরতে এসেছি। এখানে এসে অনেক পুরাতন ঐতিহাসিক নিদর্শন দেখতে পাচ্ছি এবং আমাদের ছোট বাচ্চাদের ইতিহাস সম্পর্কে ধারণা দিতে পারছি। সেই সঙ্গে ঈদের আনন্দটাও অনেক মানুষের মাঝে উপভোগ করতে পারছি।"  

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


পুঠিয়ার রাজবাড়ী ও জাদুঘরে উপচে পড়া ভিড়

প্রকাশের তারিখ : ০১ এপ্রিল ২০২৫

featured Image
ঈদ উপলক্ষে দেশে বিভিন্ন স্থান থেকে আসা দর্শনার্থীরা পুঠিয়ার রাজবাড়িতে নিরাপদে ঘুরে বেড়াতে পেরে আনন্দিত। পুঠিয়া রাজবাড়ী জাদুঘরের স্থানগুলো দেখার জন্য বিভিন্ন ধরনের টিকেটের ব্যবস্থা রয়েছে যার মূল্য চার ভাগে বিভক্ত। বিদেশি পর্যটকদের জন্য টিকিটের মূল্য ৪০০ টাকা, সার্কভুক্ত দেশের নাগরিকদের জন্য ২০০ টাকা, ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য ১০ টাকা, এবং দেশের সাধারণ নাগরিকদের জন্য ৩০ টাকা নির্ধারিত হয়েছে। রাজবাড়ি ছাড়াও পুঠিয়ার রাজাদের স্মৃতি বিজড়িত বড় গোবিন্দ মন্দির, ছোট গোবিন্দ মন্দির, বড় শিবমন্দির, ছোট শিবমন্দির, বড় আহ্নিক মন্দির, ছোট আহ্নিক মন্দির, জগদ্ধাত্রী মন্দির, দোল মন্দির, রথ মন্দির, গোপাল মন্দির, সালামের মঠ, খিতিশচন্দ্রের মঠ, কেষ্ট খেপার মঠ, হাওয়া খানা, রানিঘাটসহ ১৫টি প্রাচীন স্থাপনা রয়েছে। সকাল দশটা থেকেই দর্শনার্থীরা রাজবাড়ী ও জাদুঘরের বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখার জন্য আসতে শুরু করে। পুঠিয়ার রাজবাড়িতেই অল্প টাকায় সবগুলো স্থান সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত থাকে। রাজবাড়ীর আশপাশে ব্যবসা পরিচালনাকারী এক ব্যবসায়ী জানান, "রাজবাড়ী জাদুঘরে দর্শনার্থীদের উপচে পড়া ভিড়। আশা করা যায় আগামীকাল উপস্থিতি আরও বৃদ্ধি পাবে। মানুষের উপস্থিতি বেশি থাকায় আমাদের ব্যবসা ভালো হচ্ছে।" একজন পর্যটক জানান, "আমি চট্টগ্রামে চাকরি করি। ছুটিতে এসে সপরিবারে পুঠিয়া রাজবাড়ী ও জাদুঘর ঘুরতে এসেছি। এখানে এসে অনেক পুরাতন ঐতিহাসিক নিদর্শন দেখতে পাচ্ছি এবং আমাদের ছোট বাচ্চাদের ইতিহাস সম্পর্কে ধারণা দিতে পারছি। সেই সঙ্গে ঈদের আনন্দটাও অনেক মানুষের মাঝে উপভোগ করতে পারছি।"  

চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত