চেক পোস্ট

মূল পাতা

জাতীয়

পহেলা বৈশাখে এবার ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ নয়, হবে ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’

প্রকাশ : ১১ এপ্রিল ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
পহেলা বৈশাখে এবার ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ নয়, হবে ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’

আগামী পহেলা বৈশাখে রাজধানীতে আয়োজিত ঐতিহ্যবাহী ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’-এর নাম পরিবর্তন করে এবার রাখা হয়েছে ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’। শুক্রবার (১১ এপ্রিল) বেলা ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়।

নতুন এই শোভাযাত্রার প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে “নববর্ষের ঐকতান, ফ্যাসিবাদের অবসান”। আয়োজকরা জানিয়েছেন, এবারের আয়োজনে থাকবে ফ্যাসিবাদের প্রতীকী মুখাকৃতি, যার উচ্চতা হবে প্রায় ২০ ফুট। এটি একটি ভিন্নধর্মী শিল্পচিত্র হিসেবে উপস্থাপিত হবে।

বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, শিল্পীর কল্পনায় ফ্যাসিবাদের প্রতীক হিসেবে একটি মুখাকৃতি তৈরি করা হয়েছে—যার গঠন ও শিং বিশিষ্ট অবয়ব আলোচনার জন্ম দিয়েছে। জানা গেছে, এটি ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মুখাবয়ব থেকে অনুপ্রাণিত বলে আলোচনা চলছে।

এই শোভাযাত্রায় বাংলাদেশের ভেতরে অবস্থানরত ২৮টি ভিন্ন জনগোষ্ঠী অংশগ্রহণ করবে। আয়োজকরা বলছেন, এই উদ্যোগ নববর্ষের চেতনাকে আরও বিস্তৃত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তুলবে।

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী গত মঙ্গলবার জানান, “মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিজেই নেবে। এ বিষয়ে সরকার নীতিগত সহায়তা দেবে।”

প্রসঙ্গত, ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ ইউনেস্কো স্বীকৃত একটি অমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে পালিত হয়ে আসছে, যা প্রতিবছর পহেলা বৈশাখে চারুকলা অনুষদের উদ্যোগে আয়োজন করা হয়।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


পহেলা বৈশাখে এবার ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ নয়, হবে ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’

প্রকাশের তারিখ : ১১ এপ্রিল ২০২৫

featured Image

আগামী পহেলা বৈশাখে রাজধানীতে আয়োজিত ঐতিহ্যবাহী ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’-এর নাম পরিবর্তন করে এবার রাখা হয়েছে ‘আনন্দ শোভাযাত্রা’। শুক্রবার (১১ এপ্রিল) বেলা ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা অনুষদে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়।

নতুন এই শোভাযাত্রার প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে “নববর্ষের ঐকতান, ফ্যাসিবাদের অবসান”। আয়োজকরা জানিয়েছেন, এবারের আয়োজনে থাকবে ফ্যাসিবাদের প্রতীকী মুখাকৃতি, যার উচ্চতা হবে প্রায় ২০ ফুট। এটি একটি ভিন্নধর্মী শিল্পচিত্র হিসেবে উপস্থাপিত হবে।

বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, শিল্পীর কল্পনায় ফ্যাসিবাদের প্রতীক হিসেবে একটি মুখাকৃতি তৈরি করা হয়েছে—যার গঠন ও শিং বিশিষ্ট অবয়ব আলোচনার জন্ম দিয়েছে। জানা গেছে, এটি ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মুখাবয়ব থেকে অনুপ্রাণিত বলে আলোচনা চলছে।

এই শোভাযাত্রায় বাংলাদেশের ভেতরে অবস্থানরত ২৮টি ভিন্ন জনগোষ্ঠী অংশগ্রহণ করবে। আয়োজকরা বলছেন, এই উদ্যোগ নববর্ষের চেতনাকে আরও বিস্তৃত ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করে তুলবে।

সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী গত মঙ্গলবার জানান, “মঙ্গল শোভাযাত্রার নাম পরিবর্তন সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় নিজেই নেবে। এ বিষয়ে সরকার নীতিগত সহায়তা দেবে।”

প্রসঙ্গত, ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’ ইউনেস্কো স্বীকৃত একটি অমূর্ত সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে পালিত হয়ে আসছে, যা প্রতিবছর পহেলা বৈশাখে চারুকলা অনুষদের উদ্যোগে আয়োজন করা হয়।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত