চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

পহেলা বৈশাখকে ঘিরে ব্যস্ত সময় পার করছেন দিনাজপুরের মৃৎশিল্পীরা

প্রকাশ : ১২ এপ্রিল ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
পহেলা বৈশাখকে ঘিরে ব্যস্ত সময় পার করছেন দিনাজপুরের মৃৎশিল্পীরা

বাংলা নববর্ষকে সামনে রেখে দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার সাতোর ইউনিয়নের পালপাড়া এলাকায় মাটির তৈজসপত্র ও খেলনা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন মৃৎশিল্পীরা। গ্রামাঞ্চলের বৈশাখী মেলাগুলোতে এসব পণ্যের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় সকাল থেকে রাত অবধি কাজ করে চলেছেন তারা।

পালপাড়ায় দেখা যায়, কেউ রোদে শুকাচ্ছেন মাটির জিনিস, কেউবা আগুনে পুড়িয়ে রং তুলির ছোঁয়ায় দিচ্ছেন রঙিন সাজ। পুতুল, হাতি, ঘোড়া, ময়ূর, দোয়েল পাখি, মাটির ব্যাংক, হাঁড়ি-পাতিল, দইয়ের বাটি, এমনকি ঐতিহ্যবাহী মাটির গয়না-সবই তৈরি হচ্ছে বৈশাখ উপলক্ষে।

স্থানীয় মৃৎশিল্পী চৈতন্য পাল (৫৫) বলেন, "এ সময়টাতে কাজের চাপ বেশি থাকে। আশা করি, পহেলা বৈশাখে বিক্রি ভালো হলে সারা বছরের ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নিতে পারবো।"

এ এলাকার সন্ধ্যা রানী পাল, স্বপনা রানী, প্রফুল্ল পাল, বিকাশ পাল, নিবার্ণ পাল ও তাপস পাল সহ প্রায় ২০-২৫ জন মৃৎশিল্পী পণ্য তৈরি করে স্থানীয় বৈশাখী মেলা ও হাটে বিক্রি করে থাকেন।

তারা বলেন, প্লাস্টিকের পণ্য বাজারে আসায় মাটির তৈরি জিনিসের কদর কমেছে। তবুও পূর্বপুরুষের এই পেশা ছাড়তে চান না তারা। সময়োপযোগী প্রশিক্ষণ ও সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এই ঐতিহ্যবাহী শিল্প টিকিয়ে রাখা সম্ভব বলে মনে করেন মৃৎশিল্পীরা।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


পহেলা বৈশাখকে ঘিরে ব্যস্ত সময় পার করছেন দিনাজপুরের মৃৎশিল্পীরা

প্রকাশের তারিখ : ১২ এপ্রিল ২০২৫

featured Image

বাংলা নববর্ষকে সামনে রেখে দিনাজপুরের বীরগঞ্জ উপজেলার সাতোর ইউনিয়নের পালপাড়া এলাকায় মাটির তৈজসপত্র ও খেলনা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন মৃৎশিল্পীরা। গ্রামাঞ্চলের বৈশাখী মেলাগুলোতে এসব পণ্যের চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় সকাল থেকে রাত অবধি কাজ করে চলেছেন তারা।

পালপাড়ায় দেখা যায়, কেউ রোদে শুকাচ্ছেন মাটির জিনিস, কেউবা আগুনে পুড়িয়ে রং তুলির ছোঁয়ায় দিচ্ছেন রঙিন সাজ। পুতুল, হাতি, ঘোড়া, ময়ূর, দোয়েল পাখি, মাটির ব্যাংক, হাঁড়ি-পাতিল, দইয়ের বাটি, এমনকি ঐতিহ্যবাহী মাটির গয়না-সবই তৈরি হচ্ছে বৈশাখ উপলক্ষে।

স্থানীয় মৃৎশিল্পী চৈতন্য পাল (৫৫) বলেন, "এ সময়টাতে কাজের চাপ বেশি থাকে। আশা করি, পহেলা বৈশাখে বিক্রি ভালো হলে সারা বছরের ক্ষতি কিছুটা পুষিয়ে নিতে পারবো।"

এ এলাকার সন্ধ্যা রানী পাল, স্বপনা রানী, প্রফুল্ল পাল, বিকাশ পাল, নিবার্ণ পাল ও তাপস পাল সহ প্রায় ২০-২৫ জন মৃৎশিল্পী পণ্য তৈরি করে স্থানীয় বৈশাখী মেলা ও হাটে বিক্রি করে থাকেন।

তারা বলেন, প্লাস্টিকের পণ্য বাজারে আসায় মাটির তৈরি জিনিসের কদর কমেছে। তবুও পূর্বপুরুষের এই পেশা ছাড়তে চান না তারা। সময়োপযোগী প্রশিক্ষণ ও সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এই ঐতিহ্যবাহী শিল্প টিকিয়ে রাখা সম্ভব বলে মনে করেন মৃৎশিল্পীরা।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত