চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

পঞ্চগড়ে ডাকাতচক্রের ৫ সদস্য আটক

প্রকাশ : ০৪ মার্চ ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
পঞ্চগড়ে ডাকাতচক্রের ৫ সদস্য আটক
পঞ্চগড়ে গত ১ মার্চ শনিবার রাতভর চলে ডাকাত আতঙ্ক। তেঁতুলিয়া উপজেলায় ঘটেছে দুর্দান্ত ডাকাতির ঘটনাও। পুলিশের সাথে রাতজেগে নিজ নিজ এলাকা পাহারা দেন স্থানীয়রা। এমতাবস্থায় দীর্ঘ অভিযান চালিয়ে ডাকাতচক্রের ৫ সদস্যকে আটক করে পুলিশ। ২ মার্চ রোববার সকালে তেঁতুলিয়ার ভজনপুর এলাকায় পঞ্চগড়গামী একটি যাত্রীবাহী বাসে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এখনো পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আটকরা হলেন, রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার শঠিবাড়ি হরিপুর এলাকার আব্দুল আজিজের ছেলে আনোয়ার হোসেন (৪১), দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার মির্জাপুর এলাকার রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে তহিদুল ইসলাম (৪০), রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার মকিমপুর এলাকার আব্দুল জলিলের ছেলে শরিফুল ইসলাম (৩৫), একই উপজেলার ফকিরপাড়া এলাকার বাদশা ফকিরের ছেলে হাসানুর রহমান (৪০) এবং পালানো শাহপুর এলাকার আব্দুল জব্বারের ছেলে আয়নাল হক (৩৮)। স্থানীয়রা জানান, শনিবার দিবাগত রাত ১টায় তেঁতুলিয়া উপজেলা সদরের আজিজনগর এলাকার স্কুল শিক্ষক বেলায়েত হোসেনের বাড়িতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করে ডাকাতচক্রের ৮ থেকে ১০ সদস্য। এ সময় ওই স্কুল শিক্ষক ও তার স্ত্রীকে বেঁধে রেখে মারধর করা হয়। পরে ঘরে থাকা ৩৮ হাজার টাকা ও আড়াই ভরি স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে নেয় তারা। পরে টের পেয়ে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে পালিয়ে যায় ডাকাতরা। এই খবর মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে পুরো জেলায়। আতঙ্কিত হয়ে পড়ে মানুষ। ডাকাত ধরতে জেলার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে চেকপোস্ট স্থাপনের পাশাপাশি রাতভর অভিযান পরিচালনা করে পুলিশের একাধিক টিম। পুলিশের সাথে স্থানীয় মানুষরাও লাঠিসোটা নিয়ে পাহারা দেন। স্কুল শিক্ষক বেলায়েত হোসেন বলেন, "বাড়ির দেয়াল টপকে ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আমাকে ও আমার স্ত্রীকে মারধর শুরু করে। তাদের হাতে চাকু, ছোরাসহ দেশীয় অস্ত্র ছিলো। পরে তারা আমাদের হাত পেছনে বেঁধে রেখে পুরো ঘর এলোমেলো করে ফেলে। ঘরে থাকা ৩৮ হাজার টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায়। আমার স্ত্রীর কান ও হাত থেকে স্বর্ণালঙ্কার খুলে নেয়। সব মিলিয়ে আড়াই ভরি স্বর্ণালঙ্কার ছিলো। পাশের ঘরে আমার মেয়ে ছিলো। ওই ঘরের দরজা খুলতে পারেনি। আমার মেয়ে আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের ফোনে জানিয়ে দিলে তারা এগিয়ে আসে। এ সময় পালিয়ে যায় ডাকাতরা। এখনো আমাদের এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।" পঞ্চগড় পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সী বলেন, "ডাকাতচক্রের ৫ জনকে অভিযান চালিয়ে আটক করা হয়েছে। এখনো আমাদের অভিযান চলছে। অভিযান শেষ হলে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানাতে পারবো।"

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


পঞ্চগড়ে ডাকাতচক্রের ৫ সদস্য আটক

প্রকাশের তারিখ : ০৪ মার্চ ২০২৫

featured Image
পঞ্চগড়ে গত ১ মার্চ শনিবার রাতভর চলে ডাকাত আতঙ্ক। তেঁতুলিয়া উপজেলায় ঘটেছে দুর্দান্ত ডাকাতির ঘটনাও। পুলিশের সাথে রাতজেগে নিজ নিজ এলাকা পাহারা দেন স্থানীয়রা। এমতাবস্থায় দীর্ঘ অভিযান চালিয়ে ডাকাতচক্রের ৫ সদস্যকে আটক করে পুলিশ। ২ মার্চ রোববার সকালে তেঁতুলিয়ার ভজনপুর এলাকায় পঞ্চগড়গামী একটি যাত্রীবাহী বাসে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এখনো পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আটকরা হলেন, রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার শঠিবাড়ি হরিপুর এলাকার আব্দুল আজিজের ছেলে আনোয়ার হোসেন (৪১), দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার মির্জাপুর এলাকার রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে তহিদুল ইসলাম (৪০), রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার মকিমপুর এলাকার আব্দুল জলিলের ছেলে শরিফুল ইসলাম (৩৫), একই উপজেলার ফকিরপাড়া এলাকার বাদশা ফকিরের ছেলে হাসানুর রহমান (৪০) এবং পালানো শাহপুর এলাকার আব্দুল জব্বারের ছেলে আয়নাল হক (৩৮)। স্থানীয়রা জানান, শনিবার দিবাগত রাত ১টায় তেঁতুলিয়া উপজেলা সদরের আজিজনগর এলাকার স্কুল শিক্ষক বেলায়েত হোসেনের বাড়িতে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা করে ডাকাতচক্রের ৮ থেকে ১০ সদস্য। এ সময় ওই স্কুল শিক্ষক ও তার স্ত্রীকে বেঁধে রেখে মারধর করা হয়। পরে ঘরে থাকা ৩৮ হাজার টাকা ও আড়াই ভরি স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে নেয় তারা। পরে টের পেয়ে প্রতিবেশীরা এগিয়ে এলে পালিয়ে যায় ডাকাতরা। এই খবর মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে পুরো জেলায়। আতঙ্কিত হয়ে পড়ে মানুষ। ডাকাত ধরতে জেলার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে চেকপোস্ট স্থাপনের পাশাপাশি রাতভর অভিযান পরিচালনা করে পুলিশের একাধিক টিম। পুলিশের সাথে স্থানীয় মানুষরাও লাঠিসোটা নিয়ে পাহারা দেন। স্কুল শিক্ষক বেলায়েত হোসেন বলেন, "বাড়ির দেয়াল টপকে ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আমাকে ও আমার স্ত্রীকে মারধর শুরু করে। তাদের হাতে চাকু, ছোরাসহ দেশীয় অস্ত্র ছিলো। পরে তারা আমাদের হাত পেছনে বেঁধে রেখে পুরো ঘর এলোমেলো করে ফেলে। ঘরে থাকা ৩৮ হাজার টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায়। আমার স্ত্রীর কান ও হাত থেকে স্বর্ণালঙ্কার খুলে নেয়। সব মিলিয়ে আড়াই ভরি স্বর্ণালঙ্কার ছিলো। পাশের ঘরে আমার মেয়ে ছিলো। ওই ঘরের দরজা খুলতে পারেনি। আমার মেয়ে আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের ফোনে জানিয়ে দিলে তারা এগিয়ে আসে। এ সময় পালিয়ে যায় ডাকাতরা। এখনো আমাদের এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।" পঞ্চগড় পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান মুন্সী বলেন, "ডাকাতচক্রের ৫ জনকে অভিযান চালিয়ে আটক করা হয়েছে। এখনো আমাদের অভিযান চলছে। অভিযান শেষ হলে সংবাদ সম্মেলন করে বিস্তারিত জানাতে পারবো।"

চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত