চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

চিরিরবন্দরে ধর্ষণ মামলার আসামী কালুর আদালতে আত্মসমর্পণ

প্রকাশ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
চিরিরবন্দরে ধর্ষণ মামলার আসামী কালুর আদালতে আত্মসমর্পণ
দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে প্রাণনাশের ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ এবং মামলা ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত উপেন চন্দ্র পাল ওরফে কালু (৩৬) অবশেষে ১৯ জানুয়ারি রবিবার দিনাজপুর আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। নশরতপুর গ্রামের ভুক্তভোগী কিশোরী (১৫) এবং তার পরিবারের ওপর কালুর চালানো ভয়াবহ নির্যাতনের ঘটনা এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর পরিবার জানান, কিশোরী মাটির কাজের জন্য কালুর বাড়িতে যেতেন। এ সময় কালু তাকে বিভিন্ন প্রলোভন ও কুপ্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করতেন। একপর্যায়ে, ২ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় বাড়ির পাশে একা থাকা অবস্থায় কালু তাকে বাঁশঝাড়ে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন এবং কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেন। ঘটনার ১৩ ডিসেম্বর ভুক্তভোগী তার মাকে বিষয়টি জানান। এরপর কালু এবং তার পরিবার স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করেন। কিন্তু সমাধান না হওয়ায়, ১৪ ডিসেম্বর ভিকটিমের মা চিরিরবন্দর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলার পর ৭ জানুয়ারি কালু আরও এক চাঞ্চল্যকর কাজ করেন। তিনি পেট্রোল দিয়ে ভিকটিমের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে মা-মেয়ে এবং ছেলেকে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করেন। বাড়ির লোকজন চিৎকার করলে প্রতিবেশীরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ততক্ষণে ঘরের বেশ কিছু আসবাবপত্র পুড়ে যায়। আসামী গ্রেপ্তার না হওয়ায় ১৮ জানুয়ারি ভুক্তভোগী পরিবার এবং এলাকাবাসী রানীরবন্দর সুইহারিবাজারে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। তারা দাবি করেন, তিন দিনের মধ্যে আসামিকে গ্রেপ্তার না করলে কঠোর আন্দোলনে নামবে। চিরিরবন্দর থানার ওসি (তদন্ত) আহসান হাবিব জানান, ঘটনার পর থেকে কালু পলাতক ছিলেন। তবে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে সব রকম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল। অবশেষে ১৯ জানুয়ারি রবিবার কালু দিনাজপুর আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


চিরিরবন্দরে ধর্ষণ মামলার আসামী কালুর আদালতে আত্মসমর্পণ

প্রকাশের তারিখ : ১৯ জানুয়ারি ২০২৫

featured Image
দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে প্রাণনাশের ভয়ভীতি দেখিয়ে ধর্ষণ এবং মামলা ধামাচাপা দেওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত উপেন চন্দ্র পাল ওরফে কালু (৩৬) অবশেষে ১৯ জানুয়ারি রবিবার দিনাজপুর আদালতে আত্মসমর্পণ করেছেন। নশরতপুর গ্রামের ভুক্তভোগী কিশোরী (১৫) এবং তার পরিবারের ওপর কালুর চালানো ভয়াবহ নির্যাতনের ঘটনা এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। ভুক্তভোগীর পরিবার জানান, কিশোরী মাটির কাজের জন্য কালুর বাড়িতে যেতেন। এ সময় কালু তাকে বিভিন্ন প্রলোভন ও কুপ্রস্তাব দিয়ে উত্ত্যক্ত করতেন। একপর্যায়ে, ২ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় বাড়ির পাশে একা থাকা অবস্থায় কালু তাকে বাঁশঝাড়ে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন এবং কাউকে জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেন। ঘটনার ১৩ ডিসেম্বর ভুক্তভোগী তার মাকে বিষয়টি জানান। এরপর কালু এবং তার পরিবার স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করেন। কিন্তু সমাধান না হওয়ায়, ১৪ ডিসেম্বর ভিকটিমের মা চিরিরবন্দর থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন। মামলার পর ৭ জানুয়ারি কালু আরও এক চাঞ্চল্যকর কাজ করেন। তিনি পেট্রোল দিয়ে ভিকটিমের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে মা-মেয়ে এবং ছেলেকে পুড়িয়ে হত্যার চেষ্টা করেন। বাড়ির লোকজন চিৎকার করলে প্রতিবেশীরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ততক্ষণে ঘরের বেশ কিছু আসবাবপত্র পুড়ে যায়। আসামী গ্রেপ্তার না হওয়ায় ১৮ জানুয়ারি ভুক্তভোগী পরিবার এবং এলাকাবাসী রানীরবন্দর সুইহারিবাজারে মানববন্ধন ও সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করেন। তারা দাবি করেন, তিন দিনের মধ্যে আসামিকে গ্রেপ্তার না করলে কঠোর আন্দোলনে নামবে। চিরিরবন্দর থানার ওসি (তদন্ত) আহসান হাবিব জানান, ঘটনার পর থেকে কালু পলাতক ছিলেন। তবে পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে সব রকম চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল। অবশেষে ১৯ জানুয়ারি রবিবার কালু দিনাজপুর আদালতে আত্মসমর্পণ করেন।

চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত