উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দেখা গেছে, ভোরের কুয়াশা ভেদ করে কৃষক, দিনমজুর, রিকশাচালক, রাজমিস্ত্রিসহ শ্রমজীবী মানুষ কাজের সন্ধানে ছুটছেন। আব্দুলপুর ইউনিয়নের কৃষকরা জানান, শীতে সাইকেল চালিয়ে কাজে যাওয়া কঠিন হলেও জীবিকার প্রয়োজনে তাঁদের কাজ করতে হচ্ছে।
রানীরবন্দর বাসস্ট্যান্ডের রিকশাভ্যানচালক রবিউল ইসলাম ও সাদেক আলী জানান, শীতে যাত্রী কম থাকায় রাস্তাঘাট ফাঁকা থাকে। যাত্রী না পেয়ে দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। কিন্তু ভাড়া না মারলে সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ে।
উপজেলা কৃষি অফিসার জোহরা সুলতানা জানান, শীত ও কুয়াশা মানুষের পাশাপাশি কৃষিরও ক্ষতি করছে। বোরোধানের বীজতলা বাঁচাতে তিনি চাষিদের বীজতলায় পানি ছিটিয়ে যত্ন নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
ইটভাটার শ্রমিক হারুন ও শাহজাহান আলী জানান, শীতের কামড় সত্ত্বেও তাঁরা কাজ বন্ধ করতে পারছেন না। "কাজ না করলে সংসার চলবে কীভাবে?"-এটাই তাঁদের প্রশ্ন।
অসহনীয় শীতেও চিরিরবন্দরের মানুষ জীবিকার তাগিদে অদম্য লড়াই চালিয়ে যাচ্ছেন। শীত তাঁদের শরীরকে কাবু করলেও মনের জোর হারিয়ে যেতে দেয়নি।