চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

চট্টগ্রামের ডিসি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সংঘাতের পরিস্থিতি: 'রাষ্ট্রের শক্তি বেশি না ব্যবসায়ীদের'

প্রকাশ : ০৭ মার্চ ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
চট্টগ্রামের ডিসি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সংঘাতের পরিস্থিতি: 'রাষ্ট্রের শক্তি বেশি না ব্যবসায়ীদের'

চট্টগ্রামে ভোজ্য তেলের সংকট নিরসনে জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে চার দফা বৈঠক করেও সংকট না কাটানোর পর তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, "এবার আমি দেখতে চাই রাষ্ট্রের শক্তি বেশি না ব্যবসায়ীদের শক্তি।" তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "তেলের সরবরাহ যদি স্বাভাবিক না হয়, তাহলে গুদামে গুদামে অভিযান চালানো হবে।"

মঙ্গলবার (৫ মার্চ) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস মিলনায়তনে টাস্কফোর্সের সভায় জেলা প্রশাসক বলেন, "এ মিটিংই শেষ মিটিং। টিকে বা সিটি গ্রুপের মালিকদের যদি জেল দেওয়া হয়, তাহলে তাদের সম্মান থাকবে কি? প্রয়োজনে ছাত্র সমন্বয়কদের নিয়ে অভিযানে নামবো।"

তিনি ব্যবসায়ীদের ভোক্তাদের অধিকার রক্ষা করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, "ব্যবসায়ীদের যে সম্মানের জায়গা রয়েছে, তা কাজের মাধ্যমে রক্ষা করুন। না হলে সরকার রাষ্ট্রীয় পদ্ধতিতে ব্যবস্থা নেবে।"

এছাড়া, সভায় খোলা সয়াবিন তেলের দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হয়, আমদানিকারক পর্যায়ে প্রতি লিটার ১৫৩ টাকা, ট্রেডার্স পর্যায়ে: প্রতি লিটার ১৫৫ টাকা, খুচরা পর্যায়ে: প্রতি লিটার ১৬০ টাকা।

এই দাম ১০ এপ্রিল পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। কেউ নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্যে বিক্রি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, সোমবার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন ও জেলা প্রশাসক খাতুনগঞ্জের বাজার পরিদর্শন করেন এবং সেখানে ভোজ্য তেলের কৃত্রিম সংকট দেখতে পান। মেয়র বলেন, "রমজানকে ঘিরে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে। নির্ধারিত দামের বাইরে কেউ তেল বিক্রি করলে সর্বোচ্চ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

ব্যবসায়ীদের কারসাজি রোধে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে, যা বাজার নিয়ন্ত্রণে কাজ করবে।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


চট্টগ্রামের ডিসি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে সংঘাতের পরিস্থিতি: 'রাষ্ট্রের শক্তি বেশি না ব্যবসায়ীদের'

প্রকাশের তারিখ : ০৭ মার্চ ২০২৫

featured Image

চট্টগ্রামে ভোজ্য তেলের সংকট নিরসনে জেলা প্রশাসক ফরিদা খানম কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছেন। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে চার দফা বৈঠক করেও সংকট না কাটানোর পর তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, "এবার আমি দেখতে চাই রাষ্ট্রের শক্তি বেশি না ব্যবসায়ীদের শক্তি।" তিনি আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, "তেলের সরবরাহ যদি স্বাভাবিক না হয়, তাহলে গুদামে গুদামে অভিযান চালানো হবে।"

মঙ্গলবার (৫ মার্চ) চট্টগ্রাম সার্কিট হাউস মিলনায়তনে টাস্কফোর্সের সভায় জেলা প্রশাসক বলেন, "এ মিটিংই শেষ মিটিং। টিকে বা সিটি গ্রুপের মালিকদের যদি জেল দেওয়া হয়, তাহলে তাদের সম্মান থাকবে কি? প্রয়োজনে ছাত্র সমন্বয়কদের নিয়ে অভিযানে নামবো।"

তিনি ব্যবসায়ীদের ভোক্তাদের অধিকার রক্ষা করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, "ব্যবসায়ীদের যে সম্মানের জায়গা রয়েছে, তা কাজের মাধ্যমে রক্ষা করুন। না হলে সরকার রাষ্ট্রীয় পদ্ধতিতে ব্যবস্থা নেবে।"

এছাড়া, সভায় খোলা সয়াবিন তেলের দাম নির্ধারণ করে দেওয়া হয়, আমদানিকারক পর্যায়ে প্রতি লিটার ১৫৩ টাকা, ট্রেডার্স পর্যায়ে: প্রতি লিটার ১৫৫ টাকা, খুচরা পর্যায়ে: প্রতি লিটার ১৬০ টাকা।

এই দাম ১০ এপ্রিল পর্যন্ত বলবৎ থাকবে। কেউ নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্যে বিক্রি করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, সোমবার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন ও জেলা প্রশাসক খাতুনগঞ্জের বাজার পরিদর্শন করেন এবং সেখানে ভোজ্য তেলের কৃত্রিম সংকট দেখতে পান। মেয়র বলেন, "রমজানকে ঘিরে কৃত্রিম সংকট তৈরি করা হচ্ছে। নির্ধারিত দামের বাইরে কেউ তেল বিক্রি করলে সর্বোচ্চ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

ব্যবসায়ীদের কারসাজি রোধে বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে, যা বাজার নিয়ন্ত্রণে কাজ করবে।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত