চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

খুলনা ওয়াসায় সংযোগ লাইনের নামে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ

প্রকাশ : ১০ এপ্রিল ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
খুলনা ওয়াসায় সংযোগ লাইনের নামে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ

খুলনা ওয়াসার উপসহকারী প্রকৌশলী চিন্ময় মহলদারের বিরুদ্ধে সংযোগ লাইনের নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে নগদ অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ছয়জন গ্রাহক ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বরাবর লিখিত অভিযোগ করলেও কোনো প্রতিকার পাননি।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, খুলনা মহানগরীর ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের নবীনগর এলাকার মহাম্মাদীয়া জামে মসজিদ সংলগ্ন চৌরাস্তার মোড়ের উত্তর দিকের গলিতে বসবাসকারী ৬ জন গ্রাহকের কাছ থেকে ২০২৪ সালের ২৩ এপ্রিল পানি সংযোগের আশ্বাস দিয়ে মোট ৮৩ হাজার টাকা গ্রহণ করেন চিন্ময় মহলদার।

গ্রাহক আব্দুল লতিফ চিশতি বলেন, “১৫ দিনের মধ্যে সংযোগ দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে টাকা নিয়েছেন। কিন্তু ৯ মাস পার হলেও আমরা কেউই পানি পাইনি।”
অপর গ্রাহক এস এম কামরুজ্জামান জানান, “আজ দেবে, কাল দেবে—এভাবে দীর্ঘদিন ঘোরানোর পরেও সংযোগ দেওয়া হয়নি।”

অভিযোগ প্রসঙ্গে চিন্ময় মহলদার বলেন, “অনেক সময় গ্রাহকরা লাইন বসানোর পর টাকা দিতে গড়িমসি করেন, তাই আমি আগেই টাকা নিয়েছি।” তিনি স্বীকার করেন, ৬৯ হাজার টাকা নগদ গ্রহণ করেছেন, যা এখনো অফিসে জমা দেওয়া হয়নি। তবে তিনি আশ্বাস দেন, আগামী ৮ থেকে ১০ দিনের মধ্যে সংযোগ দেওয়া হবে এবং অতিরিক্ত টাকা থাকলে তা ফেরত দেওয়া হবে।

এ প্রসঙ্গে ওয়াসার সচিব প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস বলেন, “গ্রাহকদের কাছ থেকে নগদ অর্থ নেওয়ার কোনো বিধান নেই। এ ধরনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

স্থানীয়দের দাবি, এ ঘটনায় কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হোক, যাতে ভবিষ্যতে সাধারণ মানুষ প্রতারণার শিকার না হয়।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


খুলনা ওয়াসায় সংযোগ লাইনের নামে অর্থ বাণিজ্যের অভিযোগ

প্রকাশের তারিখ : ১০ এপ্রিল ২০২৫

featured Image

খুলনা ওয়াসার উপসহকারী প্রকৌশলী চিন্ময় মহলদারের বিরুদ্ধে সংযোগ লাইনের নামে গ্রাহকদের কাছ থেকে নগদ অর্থ আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ছয়জন গ্রাহক ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালকের বরাবর লিখিত অভিযোগ করলেও কোনো প্রতিকার পাননি।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, খুলনা মহানগরীর ১৮ নম্বর ওয়ার্ডের নবীনগর এলাকার মহাম্মাদীয়া জামে মসজিদ সংলগ্ন চৌরাস্তার মোড়ের উত্তর দিকের গলিতে বসবাসকারী ৬ জন গ্রাহকের কাছ থেকে ২০২৪ সালের ২৩ এপ্রিল পানি সংযোগের আশ্বাস দিয়ে মোট ৮৩ হাজার টাকা গ্রহণ করেন চিন্ময় মহলদার।

গ্রাহক আব্দুল লতিফ চিশতি বলেন, “১৫ দিনের মধ্যে সংযোগ দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে টাকা নিয়েছেন। কিন্তু ৯ মাস পার হলেও আমরা কেউই পানি পাইনি।”
অপর গ্রাহক এস এম কামরুজ্জামান জানান, “আজ দেবে, কাল দেবে—এভাবে দীর্ঘদিন ঘোরানোর পরেও সংযোগ দেওয়া হয়নি।”

অভিযোগ প্রসঙ্গে চিন্ময় মহলদার বলেন, “অনেক সময় গ্রাহকরা লাইন বসানোর পর টাকা দিতে গড়িমসি করেন, তাই আমি আগেই টাকা নিয়েছি।” তিনি স্বীকার করেন, ৬৯ হাজার টাকা নগদ গ্রহণ করেছেন, যা এখনো অফিসে জমা দেওয়া হয়নি। তবে তিনি আশ্বাস দেন, আগামী ৮ থেকে ১০ দিনের মধ্যে সংযোগ দেওয়া হবে এবং অতিরিক্ত টাকা থাকলে তা ফেরত দেওয়া হবে।

এ প্রসঙ্গে ওয়াসার সচিব প্রশান্ত কুমার বিশ্বাস বলেন, “গ্রাহকদের কাছ থেকে নগদ অর্থ নেওয়ার কোনো বিধান নেই। এ ধরনের অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

স্থানীয়দের দাবি, এ ঘটনায় কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করা হোক, যাতে ভবিষ্যতে সাধারণ মানুষ প্রতারণার শিকার না হয়।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত