শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘গ্রেনেড বাবু’ খুলনায় অবস্থান করছে—এমন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) গভীর রাতে খুলনা মহানগরের শামসুর রহমান রোডে তার বাড়িতে অভিযান চালায় সেনা, নৌ ও পুলিশ বাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনী। দীর্ঘ ৬ ঘণ্টার এই অভিযানে ‘গ্রেনেড বাবু’কে না পেলেও তার বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে একটি বিদেশি পিস্তল, গুলি ভর্তি ম্যাগাজিন, নগদ টাকা, অস্ত্র ও অন্যান্য সরঞ্জাম। আটক করা হয়েছে তার ছোট ভাই রাব্বি চৌধুরী ও বাবা জোনায়েদ চৌধুরী মিন্টুকে।
শুক্রবার (৪ এপ্রিল) খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কেএমপি’র উত্তর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার আবুল বাশার মোহাম্মদ আতিকুর রহমান। তিনি জানান, গোপন সূত্রে জানা যায়—গ্রেনেড বাবু শামসুর রহমান রোডের নিজ বাসভবনে অবস্থান করছে। এরপরই রাত ১টার দিকে যৌথ বাহিনী অভিযান শুরু করে, যা সকাল ৭টা পর্যন্ত চলে।
অভিযানকালে গ্রেনেড বাবুকে না পেয়ে তার বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় তার ভাই রাব্বি চৌধুরীর হেফাজত থেকে একটি বিদেশি ৯ এমএম পিস্তল, একটি গুলি ভর্তি ম্যাগাজিন, একটি চাপাতি, বাইনোকুলার, মোবাইল ফোন ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। এছাড়াও তার বাবা জোনায়েদ চৌধুরী মিন্টুর কাছ থেকে নগদ ১২ লাখ ১২ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
অভিযান চলাকালে গ্রেনেড বাবুর মাদক ব্যবসার ‘ম্যানেজার’ সোহাগ ও সৌরভের বাড়িতেও তল্লাশি চালায় যৌথ বাহিনী। সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় নগদ ২৬ লাখ ৪ হাজার ৫৫০ টাকা এবং ভারতীয় ৪ হাজার ২৪০ রুপি। এ সময় সোহাগ ও সৌরভের মা সুষমা রানীকেও আটক করা হয়।
উদ্ধারকৃত অস্ত্র, টাকা ও অন্যান্য আলামতের ভিত্তিতে খুলনা সদর থানায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও মানি লন্ডারিংসহ বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান উপ-পুলিশ কমিশনার।
তিনি আরও বলেন, “গ্রেনেড বাবু যতই প্রভাবশালী হোক, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। তার সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক নেতার সংশ্লিষ্টতা থাকলে তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে।”
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন-কেএমপি’র এডিসি হুমায়ুন কবির, সেনাবাহিনীর মেজর দেবাশীষ, নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাদমান ও সহকারী পুলিশ কমিশনার আযম খান।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ এপ্রিল ২০২৫
শীর্ষ সন্ত্রাসী ‘গ্রেনেড বাবু’ খুলনায় অবস্থান করছে—এমন সংবাদের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) গভীর রাতে খুলনা মহানগরের শামসুর রহমান রোডে তার বাড়িতে অভিযান চালায় সেনা, নৌ ও পুলিশ বাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনী। দীর্ঘ ৬ ঘণ্টার এই অভিযানে ‘গ্রেনেড বাবু’কে না পেলেও তার বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে একটি বিদেশি পিস্তল, গুলি ভর্তি ম্যাগাজিন, নগদ টাকা, অস্ত্র ও অন্যান্য সরঞ্জাম। আটক করা হয়েছে তার ছোট ভাই রাব্বি চৌধুরী ও বাবা জোনায়েদ চৌধুরী মিন্টুকে।
শুক্রবার (৪ এপ্রিল) খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) সদর দপ্তরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান কেএমপি’র উত্তর বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার আবুল বাশার মোহাম্মদ আতিকুর রহমান। তিনি জানান, গোপন সূত্রে জানা যায়—গ্রেনেড বাবু শামসুর রহমান রোডের নিজ বাসভবনে অবস্থান করছে। এরপরই রাত ১টার দিকে যৌথ বাহিনী অভিযান শুরু করে, যা সকাল ৭টা পর্যন্ত চলে।
অভিযানকালে গ্রেনেড বাবুকে না পেয়ে তার বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় তার ভাই রাব্বি চৌধুরীর হেফাজত থেকে একটি বিদেশি ৯ এমএম পিস্তল, একটি গুলি ভর্তি ম্যাগাজিন, একটি চাপাতি, বাইনোকুলার, মোবাইল ফোন ও একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। এছাড়াও তার বাবা জোনায়েদ চৌধুরী মিন্টুর কাছ থেকে নগদ ১২ লাখ ১২ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।
অভিযান চলাকালে গ্রেনেড বাবুর মাদক ব্যবসার ‘ম্যানেজার’ সোহাগ ও সৌরভের বাড়িতেও তল্লাশি চালায় যৌথ বাহিনী। সেখান থেকে উদ্ধার করা হয় নগদ ২৬ লাখ ৪ হাজার ৫৫০ টাকা এবং ভারতীয় ৪ হাজার ২৪০ রুপি। এ সময় সোহাগ ও সৌরভের মা সুষমা রানীকেও আটক করা হয়।
উদ্ধারকৃত অস্ত্র, টাকা ও অন্যান্য আলামতের ভিত্তিতে খুলনা সদর থানায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক ও মানি লন্ডারিংসহ বিভিন্ন ধারায় মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান উপ-পুলিশ কমিশনার।
তিনি আরও বলেন, “গ্রেনেড বাবু যতই প্রভাবশালী হোক, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়। তার সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক নেতার সংশ্লিষ্টতা থাকলে তাকেও আইনের আওতায় আনা হবে।”
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন-কেএমপি’র এডিসি হুমায়ুন কবির, সেনাবাহিনীর মেজর দেবাশীষ, নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাদমান ও সহকারী পুলিশ কমিশনার আযম খান।
