চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

খুলনায় বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে দুই দিনব্যাপী পিঠা উৎসব শুরু

প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
খুলনায় বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে দুই দিনব্যাপী পিঠা উৎসব শুরু
খুলনায় “এসো দেশ বদলাই, পৃথিবী বদলাই” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দুই দিনব্যাপী পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। সোমবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি খুলনা জেলা কার্যালয় চত্বরে এ উৎসবের উদ্বোধন করেন খুলনা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মো. ফিরোজ সরকার।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মো. ফিরোজ সরকার বলেন, “পিঠা বাঙালির চিরায়ত ঐতিহ্যের প্রতীক। একসময় শীতের পিঠা খাওয়ার জন্য গ্রামে যাওয়া হতো। তবে এখন শহরে পিঠা উৎসবের আয়োজন গ্রামীণ ঐতিহ্যকে শহরের মানুষের কাছে নিয়ে এসেছে। এভাবে শহরে পিঠার কৃষ্টি-কালচার উদযাপন করা হচ্ছে যা গ্রামীণ ঐতিহ্যের নতুনরূপে পুনর্জাগরণ ঘটাচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, নারী উদ্যোক্তারা পিঠা উৎসবের মাধ্যমে নিজেদের কাজকে একটি উদাহরণ হিসেবে দাঁড় করিয়েছেন। ঘরে বসে পিঠা তৈরি করে আইসিটির মাধ্যমে সারা দেশে পণ্য পৌঁছানো সম্ভব। এজন্য এই ধরনের উৎসব আয়োজন বারবার হওয়া প্রয়োজন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাদিয়া আফরিন। অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মো. সাদ্দাম হোসেন। উৎসবটি খুলনা জেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ শিশু একাডেমি, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর এবং জাতীয় মহিলা সংস্থা যৌথভাবে আয়োজন করেছে। উৎসবে নারী উদ্যোক্তারা তাদের তৈরি পিঠার স্টল দিয়ে অংশগ্রহণ করেছেন। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে বিভাগীয় কমিশনার তারুণ্যের উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। এই উৎসব বাঙালির ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের উদ্ভাবনী ক্ষমতা এবং আর্থিক স্বাবলম্বিতা অর্জনের পথ প্রশস্ত করছে।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


খুলনায় বেলুন ও ফেস্টুন উড়িয়ে দুই দিনব্যাপী পিঠা উৎসব শুরু

প্রকাশের তারিখ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৫

featured Image
খুলনায় “এসো দেশ বদলাই, পৃথিবী বদলাই” প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে দুই দিনব্যাপী পিঠা উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। সোমবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে বাংলাদেশ শিশু একাডেমি খুলনা জেলা কার্যালয় চত্বরে এ উৎসবের উদ্বোধন করেন খুলনা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার মো. ফিরোজ সরকার।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি মো. ফিরোজ সরকার বলেন, “পিঠা বাঙালির চিরায়ত ঐতিহ্যের প্রতীক। একসময় শীতের পিঠা খাওয়ার জন্য গ্রামে যাওয়া হতো। তবে এখন শহরে পিঠা উৎসবের আয়োজন গ্রামীণ ঐতিহ্যকে শহরের মানুষের কাছে নিয়ে এসেছে। এভাবে শহরে পিঠার কৃষ্টি-কালচার উদযাপন করা হচ্ছে যা গ্রামীণ ঐতিহ্যের নতুনরূপে পুনর্জাগরণ ঘটাচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, নারী উদ্যোক্তারা পিঠা উৎসবের মাধ্যমে নিজেদের কাজকে একটি উদাহরণ হিসেবে দাঁড় করিয়েছেন। ঘরে বসে পিঠা তৈরি করে আইসিটির মাধ্যমে সারা দেশে পণ্য পৌঁছানো সম্ভব। এজন্য এই ধরনের উৎসব আয়োজন বারবার হওয়া প্রয়োজন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সাদিয়া আফরিন। অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা মো. সাদ্দাম হোসেন। উৎসবটি খুলনা জেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ শিশু একাডেমি, মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর এবং জাতীয় মহিলা সংস্থা যৌথভাবে আয়োজন করেছে। উৎসবে নারী উদ্যোক্তারা তাদের তৈরি পিঠার স্টল দিয়ে অংশগ্রহণ করেছেন। অনুষ্ঠানের শেষ পর্বে বিভাগীয় কমিশনার তারুণ্যের উৎসব উপলক্ষে আয়োজিত চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন। এই উৎসব বাঙালির ঐতিহ্যকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার পাশাপাশি উদ্যোক্তাদের উদ্ভাবনী ক্ষমতা এবং আর্থিক স্বাবলম্বিতা অর্জনের পথ প্রশস্ত করছে।

চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত