চেক পোস্ট

মূল পাতা

সারাদেশ

ক্ষেতলালে সরকারি সভাকক্ষে এমপি প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণার অভিযোগ, বিতর্কে সাবেক ডিসি আব্দুল বারী

প্রকাশ : ০৯ এপ্রিল ২০২৫ | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড
ক্ষেতলালে সরকারি সভাকক্ষে এমপি প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণার অভিযোগ, বিতর্কে সাবেক ডিসি আব্দুল বারী

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলা পরিষদের সরকারি সভাকক্ষে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী এমপি প্রার্থী ও সাবেক সচিব আব্দুল বারীর উপস্থিতিতে আয়োজিত ঈদ-পরবর্তী শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় সভাকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সরকারি স্থাপনায় এমন রাজনৈতিক কার্যক্রমের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

গত ৮ এপ্রিল (মঙ্গলবার) সকাল ১১টায় উপজেলার সভাকক্ষে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। জানা গেছে, জয়পুরহাট-২ (কালাই, ক্ষেতলাল ও আক্কেলপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে আব্দুল বারী নিজেকে প্রস্তুত করছেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি খালেদুল মাসুদ আঞ্জুমান, সাবেক সভাপতি সরদার লিয়াকত আলী, পৌর বিএনপির সভাপতি প্রভাষক আব্দুল আলিম, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সোহেল রানা, সাবেক ছাত্রনেতা মতিয়র রহমান বাঁধনসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

এ বিষয়ে সাবেক সচিব আব্দুল বারী বলেন, “এটি ছিল একটি ঈদ-পরবর্তী শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠান। সেখানে কোনো ধরনের নির্বাচনী প্রচারণা হয়নি, আমি শুধু উপস্থিত ছিলাম।”

তবে উপজেলা বিএনপির সভাপতি খালেদুল মাসুদ আঞ্জুমান জানান, “ডিসি বারী সাহেব আমাদের দাওয়াত দিয়েছিলেন। আমরা তাঁর আমন্ত্রণে সেখানে গিয়েছি। এই আয়োজন আমাদের পক্ষ থেকে হয়নি।”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ক্ষেতলাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, “তিনি একজন সিনিয়র অফিসার হিসেবে আমার কক্ষে এসেছিলেন। আমি নিজেই তাঁকে সভাকক্ষে বসার জন্য বলি। সেখানে কোনো রাজনৈতিক সভা হয়নি।”

তবে সরকারি প্রতিষ্ঠানের সভাকক্ষে সম্ভাব্য প্রার্থীর উপস্থিতি এবং রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার মতবিনিময়কে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণও করেছে সচেতন মহল।

চেক পোস্ট

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬


ক্ষেতলালে সরকারি সভাকক্ষে এমপি প্রার্থীর নির্বাচনী প্রচারণার অভিযোগ, বিতর্কে সাবেক ডিসি আব্দুল বারী

প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৫

featured Image

জয়পুরহাটের ক্ষেতলাল উপজেলা পরিষদের সরকারি সভাকক্ষে বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশী এমপি প্রার্থী ও সাবেক সচিব আব্দুল বারীর উপস্থিতিতে আয়োজিত ঈদ-পরবর্তী শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় সভাকে ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সরকারি স্থাপনায় এমন রাজনৈতিক কার্যক্রমের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন স্থানীয় সচেতন মহল।

গত ৮ এপ্রিল (মঙ্গলবার) সকাল ১১টায় উপজেলার সভাকক্ষে আয়োজিত ওই অনুষ্ঠানে উপজেলা ও পৌর বিএনপির নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। জানা গেছে, জয়পুরহাট-২ (কালাই, ক্ষেতলাল ও আক্কেলপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে আব্দুল বারী নিজেকে প্রস্তুত করছেন।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি খালেদুল মাসুদ আঞ্জুমান, সাবেক সভাপতি সরদার লিয়াকত আলী, পৌর বিএনপির সভাপতি প্রভাষক আব্দুল আলিম, জেলা বিএনপির সাবেক সদস্য সোহেল রানা, সাবেক ছাত্রনেতা মতিয়র রহমান বাঁধনসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।

এ বিষয়ে সাবেক সচিব আব্দুল বারী বলেন, “এটি ছিল একটি ঈদ-পরবর্তী শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় অনুষ্ঠান। সেখানে কোনো ধরনের নির্বাচনী প্রচারণা হয়নি, আমি শুধু উপস্থিত ছিলাম।”

তবে উপজেলা বিএনপির সভাপতি খালেদুল মাসুদ আঞ্জুমান জানান, “ডিসি বারী সাহেব আমাদের দাওয়াত দিয়েছিলেন। আমরা তাঁর আমন্ত্রণে সেখানে গিয়েছি। এই আয়োজন আমাদের পক্ষ থেকে হয়নি।”

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ক্ষেতলাল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বলেন, “তিনি একজন সিনিয়র অফিসার হিসেবে আমার কক্ষে এসেছিলেন। আমি নিজেই তাঁকে সভাকক্ষে বসার জন্য বলি। সেখানে কোনো রাজনৈতিক সভা হয়নি।”

তবে সরকারি প্রতিষ্ঠানের সভাকক্ষে সম্ভাব্য প্রার্থীর উপস্থিতি এবং রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার মতবিনিময়কে কেন্দ্র করে প্রশাসনিক নিরপেক্ষতা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আকর্ষণও করেছে সচেতন মহল।


চেক পোস্ট

সম্পাদক ও প্রকাশক
শেখ শাহাউর রহমান বেলাল
প্রধান সম্পাদক
আব্দুল হাকীম রাজ 

কপিরাইট © ২০২৬ চেক পোস্ট । সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত