সদ্য সমাপ্ত ঈদুল ফিতরের ছুটিতে ঘরমুখো মানুষের যাত্রায় ৩১৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৩২২ জন, আহত হয়েছেন ৮২৬ জন।
বুধবার (৯ এপ্রিল) সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানায় বাংলাদেশ যাত্রীকল্যাণ সমিতি।
মোট দুর্ঘটনা ৩৪০টি, মোট প্রাণহানি ৩৫২ জন, মোট আহত ৮৩৫ জন।
সড়ক দুর্ঘটনা ৩১৫টি, নিহত: ৩২২ জন, আহত ৮২৬ জন।
সংগঠনের মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী জানান, “২৪ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত ১৫ দিনে এসব দুর্ঘটনা ঘটেছে। গত বছরের তুলনায় এবার দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি কিছুটা কমেছে।”
২০২৪ সালের ঈদে দুর্ঘটনা ৩৯৯টি, নিহত ৪০৭ জন, আহত ১৩৯৮ জন।
মুখোমুখি সংঘর্ষ: ২৭.৩০%, পথচারী চাপা ৪২.২২%, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়া ২০%, ট্রেন ও যানবাহন সংঘর্ষ ১.৫৮%, চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে ০.৩১%, অন্যান্য ৮.৫৭%।
মোটরসাইকেল ৩২.২৭%, বাস ১৬.৫৬%, রিকশা (ব্যাটারিচালিত) ১৪.৮৬%, ট্রাক-কাভার্ডভ্যান ১৪.৪৩%, কার-মাইক্রোবাস ৮.০৬%, নছিমন-করিমন ৭.২১%, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ৬.৫৮%।
জাতীয় মহাসড়কে ৩৮.৪১%, আঞ্চলিক মহাসড়কে ২১.২৬%, ফিডার রোডে ৩৪.৬০%, ঢাকা মহানগরীতে ৩.৪৯%, চট্টগ্রাম মহানগরীতে: ০.৬৩%, রেলক্রসিংয়ে ১.৫৮%।
চালক ৭০ জন, পরিবহন শ্রমিক ৪৭ জন, পথচারী ৫০ জন, নারী ৬০ জন, শিশু ৪০ জন, শিক্ষার্থী ৩৩ জন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ২০ জন, শিক্ষক ৬ জন, রাজনৈতিক কর্মী ৪ জন, সাংবাদিক ১ জন।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ এপ্রিল ২০২৫
সদ্য সমাপ্ত ঈদুল ফিতরের ছুটিতে ঘরমুখো মানুষের যাত্রায় ৩১৫টি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৩২২ জন, আহত হয়েছেন ৮২৬ জন।
বুধবার (৯ এপ্রিল) সকালে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনি মিলনায়তনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানায় বাংলাদেশ যাত্রীকল্যাণ সমিতি।
মোট দুর্ঘটনা ৩৪০টি, মোট প্রাণহানি ৩৫২ জন, মোট আহত ৮৩৫ জন।
সড়ক দুর্ঘটনা ৩১৫টি, নিহত: ৩২২ জন, আহত ৮২৬ জন।
সংগঠনের মহাসচিব মোজাম্মেল হক চৌধুরী জানান, “২৪ মার্চ থেকে ৭ এপ্রিল পর্যন্ত ১৫ দিনে এসব দুর্ঘটনা ঘটেছে। গত বছরের তুলনায় এবার দুর্ঘটনা ও প্রাণহানি কিছুটা কমেছে।”
২০২৪ সালের ঈদে দুর্ঘটনা ৩৯৯টি, নিহত ৪০৭ জন, আহত ১৩৯৮ জন।
মুখোমুখি সংঘর্ষ: ২৭.৩০%, পথচারী চাপা ৪২.২২%, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়া ২০%, ট্রেন ও যানবাহন সংঘর্ষ ১.৫৮%, চাকায় ওড়না পেঁচিয়ে ০.৩১%, অন্যান্য ৮.৫৭%।
মোটরসাইকেল ৩২.২৭%, বাস ১৬.৫৬%, রিকশা (ব্যাটারিচালিত) ১৪.৮৬%, ট্রাক-কাভার্ডভ্যান ১৪.৪৩%, কার-মাইক্রোবাস ৮.০৬%, নছিমন-করিমন ৭.২১%, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ৬.৫৮%।
জাতীয় মহাসড়কে ৩৮.৪১%, আঞ্চলিক মহাসড়কে ২১.২৬%, ফিডার রোডে ৩৪.৬০%, ঢাকা মহানগরীতে ৩.৪৯%, চট্টগ্রাম মহানগরীতে: ০.৬৩%, রেলক্রসিংয়ে ১.৫৮%।
চালক ৭০ জন, পরিবহন শ্রমিক ৪৭ জন, পথচারী ৫০ জন, নারী ৬০ জন, শিশু ৪০ জন, শিক্ষার্থী ৩৩ জন, আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য ২০ জন, শিক্ষক ৬ জন, রাজনৈতিক কর্মী ৪ জন, সাংবাদিক ১ জন।
