বাংলাদেশ থেকে আরও জনশক্তি নিতে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূতকে আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। বুধবার (৯ এপ্রিল) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান। সাক্ষাৎ করেন সৌদি আরবের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইসা বিন ইউসুফ বিন ইসা আলদুহাইলান।
বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ের পাশাপাশি সৌদি আরবে অবস্থানরত বৈধ পাসপোর্টবিহীন ৬৯ হাজার বাংলাদেশির পাসপোর্ট ইস্যু/রি-ইস্যু সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “সৌদি আরব বাংলাদেশের উন্নয়নে অন্যতম প্রধান অংশীদার। বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক কর্মী সেখানে কর্মরত। এই সংখ্যা আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে, যা দু'দেশের অর্থনীতির জন্যই উপকারী হবে।”
রাষ্ট্রদূত ইসা বিন ইউসুফ বলেন, “বাংলাদেশ সবসময়ই সৌদি আরবের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। কর্মী রপ্তানির পাশাপাশি ব্যবসা, বিনিয়োগ, পর্যটন ও সংস্কৃতিসহ নানা খাতে আমাদের সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। করোনাকালে বহু দেশের সঙ্গে ফ্লাইট বন্ধ থাকলেও বাংলাদেশের সঙ্গে তা চালু ছিল, যা সৌহার্দ্যের প্রতীক।”
তিনি আরও বলেন, সৌদি সরকারের নীতিমতে, সে দেশে বসবাস ও চাকরির ক্ষেত্রে বৈধ পাসপোর্ট আবশ্যক। এ কারণে প্রায় ৬৯ হাজার বাংলাদেশির পাসপোর্ট ইস্যু বা নবায়নের জন্য সৌদি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ সরকারকে একাধিকবার অনুরোধ করেছে।
উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম জানান, বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে একটি প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মো. খোদা বখস চৌধুরী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গণি এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ এপ্রিল ২০২৫
বাংলাদেশ থেকে আরও জনশক্তি নিতে সৌদি আরবের রাষ্ট্রদূতকে আহ্বান জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। বুধবার (৯ এপ্রিল) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান। সাক্ষাৎ করেন সৌদি আরবের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইসা বিন ইউসুফ বিন ইসা আলদুহাইলান।
বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট নানা বিষয়ের পাশাপাশি সৌদি আরবে অবস্থানরত বৈধ পাসপোর্টবিহীন ৬৯ হাজার বাংলাদেশির পাসপোর্ট ইস্যু/রি-ইস্যু সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, “সৌদি আরব বাংলাদেশের উন্নয়নে অন্যতম প্রধান অংশীদার। বাংলাদেশের বিপুল সংখ্যক কর্মী সেখানে কর্মরত। এই সংখ্যা আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে, যা দু'দেশের অর্থনীতির জন্যই উপকারী হবে।”
রাষ্ট্রদূত ইসা বিন ইউসুফ বলেন, “বাংলাদেশ সবসময়ই সৌদি আরবের ঘনিষ্ঠ বন্ধু। কর্মী রপ্তানির পাশাপাশি ব্যবসা, বিনিয়োগ, পর্যটন ও সংস্কৃতিসহ নানা খাতে আমাদের সহযোগিতা অব্যাহত রয়েছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে। করোনাকালে বহু দেশের সঙ্গে ফ্লাইট বন্ধ থাকলেও বাংলাদেশের সঙ্গে তা চালু ছিল, যা সৌহার্দ্যের প্রতীক।”
তিনি আরও বলেন, সৌদি সরকারের নীতিমতে, সে দেশে বসবাস ও চাকরির ক্ষেত্রে বৈধ পাসপোর্ট আবশ্যক। এ কারণে প্রায় ৬৯ হাজার বাংলাদেশির পাসপোর্ট ইস্যু বা নবায়নের জন্য সৌদি কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশ সরকারকে একাধিকবার অনুরোধ করেছে।
উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম জানান, বিষয়টি নিয়ে দুই দেশের মধ্যে একটি প্রটোকল স্বাক্ষরিত হয়েছে এবং বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী মো. খোদা বখস চৌধুরী, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব নাসিমুল গণি এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
