নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন গুলশাখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মঞ্জুরুল হক মিলন

রাঙামাটি পার্বত্য জেলার লংগদু উপজেলার গুলশাখালী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি মোঃ মঞ্জুরুল হক মিলন নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিনি জেলা যুবদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২০ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে স্থানীয় চৌমুহনী বাজার ও বিএনপি কার্যালয় এলাকায় গুলশাখালী ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক নুরুল আলম তার সঙ্গে অসদাচরণ করেন, প্রকাশ্যে অপমান করেন এবং হামলার চেষ্টা চালান। এ ঘটনায় তিনি নিজেকে নিরাপত্তাহীন মনে করছেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করেন।
মঞ্জুরুল হক মিলন বলেন, ঘটনার পর থেকে আমি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। বিষয়টি আমাকে মানসিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। পাশাপাশি এ ধরনের আচরণে দলের ভাবমূর্তিও ক্ষুণ্ন হয়েছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
এদিকে, সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, এর আগেও গুলশাখালী ইউনিয়ন যুবদলের আহ্বায়ক নুরুল আলমের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ ওঠে। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা, মাদক সংশ্লিষ্টতা এবং নেতাকর্মীদের সঙ্গে অসদাচরণের মতো অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে দলীয় সকল পদ-পদবি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়।
সংগঠনের জারি করা এক পত্রে উল্লেখ করা হয়, গত ১৫ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে রাঙামাটি জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মোঃ নুরন্নবী এবং সাধারণ সম্পাদক আবু শাহাদাৎ সায়েমের সিদ্ধান্ত মোতাবেক নুরুল আলমকে বহিষ্কার করা হয়, যা তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়।
এ ঘটনায় দলীয় মহলে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। তবে এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।























