জামালপুর সদর উপজেলা নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দোয়া সমর্থ প্রার্থী কাজী মশিউর রহমান

জামালপুর সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দোয়া ও সমর্থন প্রার্থী বিশিষ্ট সমাজ সেবক, ত্যাগী ও কারা নির্যাতিত বিএনপি নেতা কাজী মসিউর রহমান সবার কাছে দোয়া ও সমর্থন কামনা করেছেন । তাকে নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আলোচনা দেখা যাচ্ছে। বর্তমানে তিনি জামালপুর সদর উপজেলা বিএনপির সদস্য। পাশাপাশি ওলামা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সদস্য হিসেবে দায়িত্বরত রয়েছেন ।তিনি জামালপুর সদর উপজেলার জামতলা মির্জাপুর দাখিল মাদরাসার সুপার হিসেবে কর্মরত রয়েছে। পাশাপাশি তিনি জামালপুর পৌর সভার ৬ ও ৮ নং ওয়ার্ডের নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজী)।
অনেকেই মনে করছেন, উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করলে তিনি শক্ত অবস্থানে থাকবেন। অন্যদিকে তিনি জামালপুর জেলা শাখার শিক্ষক কর্মচারী ঐক্যজোট এর সাধারণ সম্পাদক, জেলা জমিয়াতুল মোদার্রেসিন (মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতি) যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, কেন্দ্রীয় জমিয়াতুল মোদার্রেসিন (মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতি)র সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক, জামালপুর জেলা নিকাহ্ রেজিষ্টার (কাজী) সমিতির সাধারণ সম্পাদক, কেন্দ্রীয় নিকাহ্ রেজিষ্টার (কাজী) সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদেও দায়িত্ব পালন করছেন।
জানা যায়, জামালপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের সংগঠিত করা, দলকে শক্তিশালী করা এবং সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ানোর কারণে তিনি ব্যাপক সমর্থন পাচ্ছেন। এ ছাড়াও দীর্ঘদিন ধরে দলীয় রাজনীতির পাশাপাশি সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা রাখার কারণে ইতোমধ্যে তৃণমূল পর্যায়ে ব্যাপক পরিচিতি ও গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করেছেন। দলীয় নেতাকর্মীদের পাশাপাশি বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গেও তার নিবিড় যোগাযোগ রয়েছে।রাজনীতির পাশাপাশি এলাকার উন্নয়ন, শিক্ষা, সামাজিক কার্যক্রম ও মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার কারণে তিনি ইতোমধ্যে জনপ্রিয় নেতা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন।
বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরাও মনে করেন, দল যদি তাকে মনোনয়ন দেয়, তাহলে তিনি ঐক্যবদ্ধভাবে নির্বাচন করে বিজয় ছিনিয়ে আনতে সক্ষম হবেন। তাদের ভাষ্য, মাঠ পর্যায়ে তার জনপ্রিয়তা এবং সাংগঠনিক দক্ষতা তাকে অন্যদের তুলনায় এগিয়ে রেখেছে। ২০১৪ সালে তিনি বিপুল ভোটে ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে ২০১৯ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
রাজনৈতিক সুত্রে জানা যায়, ১৯৮৭ সালে বেগম খালেদা জিয়া তিস্তা ব্যরেজ এ পরিদর্শনে আসলে সেই অনুষ্ঠানে দেওয়ানগঞ্জ আলেয়া মাদরাসা ছাত্রদলের পক্ষ থেকে ফুলের তোড়া দিয়ে ছাত্রদলের রাজনীতি শুরু করেন মসিউর রহমান। ১৯৮৭ সালে তিনি আলেয়া মাদরাসা ছাত্র সংসদের সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদক পদে নির্বাচিত হয়। ১৯৮৯ সালে
বর্তমানে ময়মনসিংহ বিভাগের ওলামাদলের সাংগঠনিক টিমের আহ্বায়ক এর দায়িত্বে আছি।
১৯৮৮ইং সালে দেওয়ানগঞ্জ
আলিয়া মাদ্রাসা থেকে কামিল পাশ করে নিজ এলাকা নরুন্দি এসে জাতীয় রাজনৈতিক কর্মকান্ঠ শুরুকরি।
জামালপুর সদর উপজেলার ৬ নং নরুন্দি ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি, ১৯৯০ সালে সদর উপজেলা যুবদলের সহ সভাপতি, ১৯৯৫ সালে উপজেলা যুবদলের আহবায়ক,২০০০ সাল থেকে ২০০৫ সাল পর্যন্ত সদর উপজেলা বিএনপির বিভিন্ন কমিটিতে সহ সভাপতি, ২০০৬ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত জেলা বিএনপির সহ সাংগঠনিক সম্পাদক, ২০১৮ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত জেলা বিএনপির সহ সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন।
এ ছাড়াও জাতীয়তাবাদী ওলামা দলের ২০০২ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত কখনো আহবায়ক আবার কখনো সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। ওলামাদলের ২০০৫ সালে কেন্দ্রীয় কমিটি ঢাকা বিভাগের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ২০১২ সালে কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও ময়মনসিংহ বিভাগের সাংগঠনিক টিমের আহ্বায়ক,২০২৫ সালে রংপুর বিভাগে সাংগঠনিক টিমের আহ্বায়ক, ২০২৬ সালে ময়মনসিংহ বিভাগের সাংগঠনিক টিমের আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। দলের প্রত্যেকটি আন্দোলনে প্রথম সারিতে অবস্থান নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখেন। আন্দোলন করতে গিয়ে তিনি আওয়ামীলীগ সরকারের সময়ে একাধিক বার মামলায় গ্রেফতার হয়ে হাজত বাস করেছেন। স্বীকার হয়েছেন রাজনৈতিক প্রায় ১০ টি মামলার।
এদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তাকে ঘিড়ে আলোচনা বাড়ছে। অনেকেই তাকে আগামী দিনে জামালপুর সদর উপজেলার উন্নয়নে কার্যকর নেতৃত্ব দিতে সক্ষম বলে মত প্রকাশ করছেন। এ বিষয়ে প্রার্থী মো. কাজী মসিউর রহমান জানান, নির্বাচিত হলে তিনি জামালপুর সদর উপজেলাকে একটি মাদকমুক্ত ও দুর্নীতিমুক্ত এলাকায় পরিণত করার জন্য সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালাবেন। তিনি আরও বলেন, জনগণের সহযোগিতা ও সমর্থন পেলে উপজেলাকে একটি আধুনিক ও মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তোলা হবে, ইনশাআল্লাহ।তিনি সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের কাছে দোয়া, সমর্থন এবং সহযোগিতা কামনা করেছেন।























