ঢাকা ০৪:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নীলফামারীতে মাসিক কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশনের বৃত্তি ও সনদ বিতরণ

শাহজাহান আলী মনন, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি::
9

কিশোরদের মেধা বিকাশ ও শিক্ষার অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিতে কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশন নীলফামারী জেলা শাখার উদ্যোগে বৃত্তি প্রদান ও সনদ বিতরণ করা হয়েছে। জেলার জলঢাকা সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশন নীলফামারী জেলার চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সম্পাদক।
সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী-৩ আসনের সংসদ সদস্য ওবায়দুল্লাহ সালাফি। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. খায়রুল আনাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) উপজেলার সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ফিরোজুল আলম এবং বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মোখলেছুর রহমান মাস্টার।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশন নীলফামারী জেলার সাবেক চেয়ারম্যানবৃন্দ মো. কামরুজ্জামান, আহমাদ রায়হান, মো. জাকির হোসাইন রনজু, মো. সাব্বির আহমেদ ও মো. শফিকুল ইসলাম।

কিশোরকণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরিক্ষায় সর্বোচ্চ নাম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছেন মীরগঞ্জ প্রতিশ্রুতি স্কুলের ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস খান। দ্বিতীয় হয়েছেন ডোমার উপজেলার চিলাহাটি গার্লস স্কুলের ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মোছা: রিফা তামান্না এবং তৃতীয় হয়েছেন জলঢাকা সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মিস সানজিদা ইসলাম সানিয়া।

প্রথম স্থান কে একটি ল্যাপটপ, সনদ ক্রেষ্ট, এককালিন নগদ অর্থ কিশোরকণ্ঠ নিয়মিত সংখ্যা প্রদান করা হয়। ২য় ও ৩য় স্থান অধিকারি কে এককালিন নগদ অর্থ, সনদ ক্রেস্ট ও কিশোরকন্ঠ নিয়মিত সংখ্যা প্রদান করা হয়। এভাবে পর্যায়ক্রমে মোট ২২৬ জনকে বৃত্তি প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রায় ৭০০ জন শিক্ষার্থী ও অভিভাবক উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, দেশের অন্যতম পাঠকপ্রিয় শিশু কিশোর মাসিক পত্রিকা কিশোর কন্ঠের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মেধা ও নৈতিকতা বিকাশে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।

ট্যাগস :

নিউজটি টাইম লাইনে শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চেকপোস্ট

Checkpost is one of the most popular Bengali news portal and print newspaper in Bangladesh. The print and online news portal started its operations with a commitment to fearless, investigative, informative and unbiased journalism.
আপডেট সময় ০৪:১৩:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
৫০৫ বার পড়া হয়েছে

নীলফামারীতে মাসিক কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশনের বৃত্তি ও সনদ বিতরণ

আপডেট সময় ০৪:১৩:৫৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬
9

কিশোরদের মেধা বিকাশ ও শিক্ষার অগ্রযাত্রাকে এগিয়ে নিতে কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশন নীলফামারী জেলা শাখার উদ্যোগে বৃত্তি প্রদান ও সনদ বিতরণ করা হয়েছে। জেলার জলঢাকা সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশন নীলফামারী জেলার চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সম্পাদক।
সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নীলফামারী-৩ আসনের সংসদ সদস্য ওবায়দুল্লাহ সালাফি। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ড. খায়রুল আনাম।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী) উপজেলার সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ফিরোজুল আলম এবং বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ মোখলেছুর রহমান মাস্টার।

এছাড়াও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কিশোরকণ্ঠ ফাউন্ডেশন নীলফামারী জেলার সাবেক চেয়ারম্যানবৃন্দ মো. কামরুজ্জামান, আহমাদ রায়হান, মো. জাকির হোসাইন রনজু, মো. সাব্বির আহমেদ ও মো. শফিকুল ইসলাম।

কিশোরকণ্ঠ মেধাবৃত্তি পরিক্ষায় সর্বোচ্চ নাম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছেন মীরগঞ্জ প্রতিশ্রুতি স্কুলের ৭ম শ্রেণির শিক্ষার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস খান। দ্বিতীয় হয়েছেন ডোমার উপজেলার চিলাহাটি গার্লস স্কুলের ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মোছা: রিফা তামান্না এবং তৃতীয় হয়েছেন জলঢাকা সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণির শিক্ষার্থী মিস সানজিদা ইসলাম সানিয়া।

প্রথম স্থান কে একটি ল্যাপটপ, সনদ ক্রেষ্ট, এককালিন নগদ অর্থ কিশোরকণ্ঠ নিয়মিত সংখ্যা প্রদান করা হয়। ২য় ও ৩য় স্থান অধিকারি কে এককালিন নগদ অর্থ, সনদ ক্রেস্ট ও কিশোরকন্ঠ নিয়মিত সংখ্যা প্রদান করা হয়। এভাবে পর্যায়ক্রমে মোট ২২৬ জনকে বৃত্তি প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে প্রায় ৭০০ জন শিক্ষার্থী ও অভিভাবক উপস্থিত ছিলেন।

বক্তারা বলেন, দেশের অন্যতম পাঠকপ্রিয় শিশু কিশোর মাসিক পত্রিকা কিশোর কন্ঠের উদ্যোগে শিক্ষার্থীদের মেধা ও নৈতিকতা বিকাশে এ ধরনের উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।