ঢাকা ১১:২২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ভিডিও ছড়ানোর পর প্রশাসনের নজরে ঘটনা, ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস

বিদ্যালয়ে ছাত্রদলের স্লোগান, নির্বাচনী নীতিমালা ভাঙার অভিযোগ

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি::
186

কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুড়ী ইউনিয়নের পূর্ব ধলডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়ের শিশু শিক্ষার্থীদের দিয়ে ধানের শীষের পক্ষে স্লোগান দেওয়ানোর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলের অভিযোগ, একটি রাজনৈতিক দলের পক্ষে ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের দিয়ে স্লোগান ও প্রচারণামূলক কার্যক্রম চালানো হয়েছে, যা নির্বাচনী নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বেলা আনুমানিক ৩টা ৩০ মিনিটে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, শিক্ষার্থীদের ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে স্লোগান দিতে উদ্বুদ্ধ কিংবা বাধ্য করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন অভিভাবক বলেন, শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়ানো অনৈতিক ও অনাকাঙ্ক্ষিত। এটি শিশুদের মানসিক বিকাশ এবং শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

এ বিষয়ে পূর্ব ধলডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সন্তোষ কুমার বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাশরাফি বিন মোকাদ্দেসের নেতৃত্বে কয়েকজন এসে জোরপূর্বক শিক্ষার্থীদের একত্রিত করে দলীয় স্লোগান দেয়।

অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাশরাফি বিন মোকাদ্দেসের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত ছিল। পরবর্তীতে তিনি দুঃখ প্রকাশ করে ফেসবুকে ক্ষমা চেয়ে একটি পোস্ট দিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ভিডিওটি তিনি দেখেছেন এবং বিষয়টি ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটির কাছে পাঠানো হবে। সত্যতা যাচাই শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি টাইম লাইনে শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চেকপোস্ট

Checkpost is one of the most popular Bengali news portal and print newspaper in Bangladesh. The print and online news portal started its operations with a commitment to fearless, investigative, informative and unbiased journalism.
আপডেট সময় ০৮:৩০:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
৬৩২ বার পড়া হয়েছে

ভিডিও ছড়ানোর পর প্রশাসনের নজরে ঘটনা, ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস

বিদ্যালয়ে ছাত্রদলের স্লোগান, নির্বাচনী নীতিমালা ভাঙার অভিযোগ

আপডেট সময় ০৮:৩০:৪৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬
188

কুড়িগ্রাম জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলার শিলখুড়ী ইউনিয়নের পূর্ব ধলডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। বিদ্যালয়ের শিশু শিক্ষার্থীদের দিয়ে ধানের শীষের পক্ষে স্লোগান দেওয়ানোর একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলের অভিযোগ, একটি রাজনৈতিক দলের পক্ষে ছোট ছোট শিক্ষার্থীদের দিয়ে স্লোগান ও প্রচারণামূলক কার্যক্রম চালানো হয়েছে, যা নির্বাচনী নীতিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।

জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বেলা আনুমানিক ৩টা ৩০ মিনিটে বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে। ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, শিক্ষার্থীদের ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে স্লোগান দিতে উদ্বুদ্ধ কিংবা বাধ্য করা হচ্ছে।

এ ঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন অভিভাবক বলেন, শিক্ষার্থীদের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়ানো অনৈতিক ও অনাকাঙ্ক্ষিত। এটি শিশুদের মানসিক বিকাশ এবং শিক্ষার স্বাভাবিক পরিবেশের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর। তারা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।

এ বিষয়ে পূর্ব ধলডাঙ্গা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সন্তোষ কুমার বলেন, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাশরাফি বিন মোকাদ্দেসের নেতৃত্বে কয়েকজন এসে জোরপূর্বক শিক্ষার্থীদের একত্রিত করে দলীয় স্লোগান দেয়।

অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মাশরাফি বিন মোকাদ্দেসের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত ছিল। পরবর্তীতে তিনি দুঃখ প্রকাশ করে ফেসবুকে ক্ষমা চেয়ে একটি পোস্ট দিয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার শাহাদাৎ হোসেন বলেন, ভিডিওটি তিনি দেখেছেন এবং বিষয়টি ইলেকটোরাল ইনকোয়ারি কমিটির কাছে পাঠানো হবে। সত্যতা যাচাই শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।