ঢাকা ০৮:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬, ২ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রেল সড়কের নির্জন স্থানে হামলা, স্থানীয়দের তৎপরতায় ছিনতাই ব্যর্থ

চুনারুঘাটে টমটম ছিনতাইয়ের চেষ্টা, ড্রাইভার গুরুতর আহত

স্টাফ রিপোর্টার::
124

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় টমটম ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে চালককে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে গুরুতর জখম করার ঘটনা ঘটেছে। আহত টমটম চালকের নাম মো. জামাল মিয়া (২৬)। তিনি বর্তমানে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে ইমন (২৫) নামের এক যুবক ও তার অজ্ঞাত এক সহযোগী যাত্রী সেজে আপ-ডাউন ভাড়ায় গোছাপাড়া গ্রামে যাওয়ার কথা বলে জামালকে সঙ্গে নেন। পরে গোছাপাড়া ও শরীফপুর গ্রামের মাঝামাঝি রেল সড়কের নির্জন স্থানে পৌঁছে টমটম থামাতে বলেন তারা।

এ সময় পেছন থেকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে জামালের মাথায় একাধিক আঘাত করে তাকে গুরুতর আহত করা হয়। পরে তাকে রাস্তায় ফেলে রেখে টমটম নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে ছিনতাইকারীরা।

জামালের চিৎকারে আশপাশের গ্রামের লোকজন টর্চ জ্বালিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে এলে ছিনতাইকারীরা টমটম রেখে পশ্চিম পাশের অনাবাদি মাঠ দিয়ে পালিয়ে যায়।

পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত জামালকে উদ্ধার করে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে রেফার করেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত জামালের জ্ঞান ফেরেনি বলে জানিয়েছেন তার বড় ভাই আব্দুল কাইয়ুম।

শরীফপুর গ্রামের বাসিন্দা সুমন জানান, চিৎকার শুনে তিনি তার খালাতো ভাই আব্দুল আলী ও একই গ্রামের ফরিদ মিয়াসহ আরও অনেকে ঘটনাস্থলে যান। জামালের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তারা ছিনতাইকারীদের ধাওয়া না করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান।

আহত জামাল চুনারুঘাট উপজেলার বাল্লা টেকেরঘাট গ্রামের মৃত কাছম আলীর ছেলে। অভিযুক্ত ইমন একই উপজেলার কাটুয়ামারা গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে।

কাটুয়ামারা গ্রামের একাধিক গণ্যমান্য ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, ইমন স্থানীয় ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা, মানুষের সঙ্গে দুর্ব্যবহারসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত বলে এলাকায় পরিচিত।

নিউজটি টাইম লাইনে শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চেকপোস্ট

Checkpost is one of the most popular Bengali news portal and print newspaper in Bangladesh. The print and online news portal started its operations with a commitment to fearless, investigative, informative and unbiased journalism.
আপডেট সময় ০৯:২২:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
৫৮২ বার পড়া হয়েছে

রেল সড়কের নির্জন স্থানে হামলা, স্থানীয়দের তৎপরতায় ছিনতাই ব্যর্থ

চুনারুঘাটে টমটম ছিনতাইয়ের চেষ্টা, ড্রাইভার গুরুতর আহত

আপডেট সময় ০৯:২২:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫
124

হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলায় টমটম ছিনতাইয়ের চেষ্টাকালে চালককে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে গুরুতর জখম করার ঘটনা ঘটেছে। আহত টমটম চালকের নাম মো. জামাল মিয়া (২৬)। তিনি বর্তমানে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে ইমন (২৫) নামের এক যুবক ও তার অজ্ঞাত এক সহযোগী যাত্রী সেজে আপ-ডাউন ভাড়ায় গোছাপাড়া গ্রামে যাওয়ার কথা বলে জামালকে সঙ্গে নেন। পরে গোছাপাড়া ও শরীফপুর গ্রামের মাঝামাঝি রেল সড়কের নির্জন স্থানে পৌঁছে টমটম থামাতে বলেন তারা।

এ সময় পেছন থেকে দেশীয় অস্ত্র দিয়ে জামালের মাথায় একাধিক আঘাত করে তাকে গুরুতর আহত করা হয়। পরে তাকে রাস্তায় ফেলে রেখে টমটম নিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে ছিনতাইকারীরা।

জামালের চিৎকারে আশপাশের গ্রামের লোকজন টর্চ জ্বালিয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে এলে ছিনতাইকারীরা টমটম রেখে পশ্চিম পাশের অনাবাদি মাঠ দিয়ে পালিয়ে যায়।

পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত জামালকে উদ্ধার করে চুনারুঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে হবিগঞ্জ আধুনিক সদর হাসপাতালে রেফার করেন। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত জামালের জ্ঞান ফেরেনি বলে জানিয়েছেন তার বড় ভাই আব্দুল কাইয়ুম।

শরীফপুর গ্রামের বাসিন্দা সুমন জানান, চিৎকার শুনে তিনি তার খালাতো ভাই আব্দুল আলী ও একই গ্রামের ফরিদ মিয়াসহ আরও অনেকে ঘটনাস্থলে যান। জামালের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তারা ছিনতাইকারীদের ধাওয়া না করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান।

আহত জামাল চুনারুঘাট উপজেলার বাল্লা টেকেরঘাট গ্রামের মৃত কাছম আলীর ছেলে। অভিযুক্ত ইমন একই উপজেলার কাটুয়ামারা গ্রামের আব্দুর রহমানের ছেলে।

কাটুয়ামারা গ্রামের একাধিক গণ্যমান্য ব্যক্তি অভিযোগ করে বলেন, ইমন স্থানীয় ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মাদক ব্যবসা, মানুষের সঙ্গে দুর্ব্যবহারসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত বলে এলাকায় পরিচিত।