ঢাকা ১০:০৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের ১৫ বছরের কারাদণ্ড

চেকপোস্ট ডেস্ক::
182

মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাককে ১এমডিবি বিনিয়োগ তহবিলের দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের কারণে ১৫ বছরের কারাদণ্ড এবং প্রায় ২.৮ বিলিয়ন ডলার জরিমানা করা হয়েছে। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) আদালতে এই রায় ঘোষণা করা হয়।

নাজিব ইতোমধ্যেই এই কেলেঙ্কারিতে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন এবং ২০২২ সাল থেকে সাজা ভোগ করছেন। আদালতে উপস্থিত হয়ে তিনি ক্ষমা চেয়েছেন এবং বলেছেন, তহবিলের কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী জো লোর দ্বারা বিভ্রান্ত হয়েছেন। আদালত তার দাবিকে নাকচ করে বলেন, পর্যাপ্ত সুযোগ থাকা সত্ত্বেও নাজিব অর্থ যাচাই করেননি।

এই রায় মালয়েশিয়ার রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলেছে। নাজিবের দল ইউএমএনও এখনও ক্ষমতাসীন জোটের অংশ। সমর্থকরা রায়কে রাজনৈতিক চাপ মনে করছেন, তবে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম নিশ্চিত করেছেন, তিনি বিচার ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ করবেন না।

১এমডিবি কেলেঙ্কারি ২০০৯ সালে নাজিবের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সময় চালু হয়েছিল। ২০০৯ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে তহবিলের সিনিয়র কর্মকর্তারা এবং তাদের সহযোগীরা প্রায় ৪.৫ বিলিয়ন ডলার চুরি করেন, যার অনেকটাই শেষ পর্যন্ত নাজিবের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে গেছে। ঘটনায় গোল্ডম্যান স্যাকসও জড়িত ছিল। এটি আজ পর্যন্ত ইতিহাসের সবচেয়ে বড় দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাৎ কেলেঙ্কারিগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে বিবেচিত।

নিউজটি টাইম লাইনে শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চেকপোস্ট

Checkpost is one of the most popular Bengali news portal and print newspaper in Bangladesh. The print and online news portal started its operations with a commitment to fearless, investigative, informative and unbiased journalism.
আপডেট সময় ১১:৫৬:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
৬৩০ বার পড়া হয়েছে

মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাকের ১৫ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট সময় ১১:৫৬:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২৫
182

মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী নাজিব রাজাককে ১এমডিবি বিনিয়োগ তহবিলের দুর্নীতি ও অর্থ পাচারের কারণে ১৫ বছরের কারাদণ্ড এবং প্রায় ২.৮ বিলিয়ন ডলার জরিমানা করা হয়েছে। শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) আদালতে এই রায় ঘোষণা করা হয়।

নাজিব ইতোমধ্যেই এই কেলেঙ্কারিতে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন এবং ২০২২ সাল থেকে সাজা ভোগ করছেন। আদালতে উপস্থিত হয়ে তিনি ক্ষমা চেয়েছেন এবং বলেছেন, তহবিলের কর্মকর্তা ও ব্যবসায়ী জো লোর দ্বারা বিভ্রান্ত হয়েছেন। আদালত তার দাবিকে নাকচ করে বলেন, পর্যাপ্ত সুযোগ থাকা সত্ত্বেও নাজিব অর্থ যাচাই করেননি।

এই রায় মালয়েশিয়ার রাজনীতিতে বড় প্রভাব ফেলেছে। নাজিবের দল ইউএমএনও এখনও ক্ষমতাসীন জোটের অংশ। সমর্থকরা রায়কে রাজনৈতিক চাপ মনে করছেন, তবে প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিম নিশ্চিত করেছেন, তিনি বিচার ব্যবস্থায় হস্তক্ষেপ করবেন না।

১এমডিবি কেলেঙ্কারি ২০০৯ সালে নাজিবের প্রধানমন্ত্রী হওয়ার সময় চালু হয়েছিল। ২০০৯ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে তহবিলের সিনিয়র কর্মকর্তারা এবং তাদের সহযোগীরা প্রায় ৪.৫ বিলিয়ন ডলার চুরি করেন, যার অনেকটাই শেষ পর্যন্ত নাজিবের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে গেছে। ঘটনায় গোল্ডম্যান স্যাকসও জড়িত ছিল। এটি আজ পর্যন্ত ইতিহাসের সবচেয়ে বড় দুর্নীতি ও অর্থ আত্মসাৎ কেলেঙ্কারিগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে বিবেচিত।